অঞ্চলভিত্তিক ভোটই মূল ফ্যাক্টর

Print

ছাত্রদলের দুই শীর্ষ নেতা নির্বাচন ১৪ সেপ্টেম্বর। এজন্য প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। কাউন্সিলরদের (ভোটার) দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তারা, দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও। দীর্ঘ ২৭ বছর পর সরাসরি ভোট হতে যাওয়া এ নির্বাচন নিয়ে কাউন্সিলরদের মধ্যেও উৎসবের আমেজ।

সিন্ডিকেটমুক্ত এ নির্বাচনে কে সংগঠনের নেতৃত্বে আসবেন- তা নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে চলছে নানা হিসেব-নিকেশ। তবে অঞ্চলভিত্তিক ভোটই এবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে মূল ফ্যাক্টর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কাউন্সিল সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান খায়রুল কবির খোকন যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচন সফল করতে পরিচালনা, আপিল ও বাছাই কমিটি যৌথভাবে কাজ করছে। প্রয়োজনে আরও স্বেচ্ছাসেবক নেব।

নির্বাচন পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে। জাতীয় নির্বাচনের মতোই সিস্টেম। বুথ থাকবে, ব্যালট বাক্স থাকবে, ভোটার লিস্টসহ আনুষঙ্গিক সব কিছুই থাকবে।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, কাউন্সিলের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় বা চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের যে কোনো একটিতে আমরা কাউন্সিল করার চিন্তা করছি।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ছাত্রদলের প্রতিটি শাখার শীর্ষ পাঁচজন নেতা ভোট দিতে পারবেন। সংগঠনটির ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের ১১৬ শাখায় মোট ৫৬৬ জন ভোটার রয়েছেন।

এর মধ্যে বরিশাল বিভাগের ৯ শাখায় ৪৫ ভোট, ঢাকা বিভাগের ২৯ শাখায় ১৩৮ ভোট, চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ শাখায় ৫৮ ভোট, কুমিল্লা বিভাগের ৬ শাখায় ৩০ ভোট, খুলনা বিভাগের ১৪ শাখায় ৭০ ভোট, ময়মনসিংহ বিভাগের ৯ শাখায় ৪৫ ভোট, রাজশাহী বিভাগের ১১ শাখায় ৫২ ভোট, সিলেট বিভাগের ৭ শাখায় ৩৫ ভোট, রংপুর বিভাগের ১৩ শাখায় ৬৩ ভোট ও ফরিদপুর বিভাগের ৬ শাখায় ৩০ ভোট রয়েছে।

একাধিক কাউন্সিলর জানিয়েছেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, আবার সশরীরেও উপস্থিত হয়ে ভোট চাইছেন। তবে এখনও কাকে ভোট দেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলার ছাত্রদলের সভাপতি যুগান্তরকে বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে অন্য জেলার কাউন্সিলরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমরা চাই যোগ্য ও পরীক্ষিতদের নেতৃত্বে নিয়ে আসতে। এজন্য আমরা বেশ কয়েকটি জেলার কাউন্সিলর একসঙ্গে নিজেরা ঠিক করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট দিতে যাব। আমরা চাই শীর্ষ দুটি পদ দুই বিভাগ থেকে আসুক। তার অঞ্চল থেকে দুই শীর্ষ পদের মধ্যে একটি পদে জয়ী হবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি আসাদুজ্জামান পলাশ মনে করেন, শীর্ষ দুই পদে জয়ী হতে মূল ফ্যাক্টর হবে অঞ্চলভিত্তিক ভোট। চট্টগ্রাম বিভাগে প্রার্থী আছে। তিনি চাইবেন অন্য বিভাগের ভোট কীভাবে পাওয়া যায়। আবার খুলনা বিভাগেও প্রার্থী আছে, সেখানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট। এই বিভাগের প্রার্থী মনে করবে এসব আমাদের নিজেদের ভোট, অন্য বিভাগের ভোট কীভাবে আনা যায়। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যারা জয়ী হবেন তাকে ঢাকা বিভাগের ভোটের ওপর নির্ভর করতে হবে। কারণ এ বিভাগের ভোট সবচেয়ে বেশি।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 35 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com