আতশবাজি ফোটানোকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব আহত-৪

Print
ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পাশ্ববর্তী পদ্মা নদীর কুল ঘেঁসে ভৌগলিক পরিচয়ে ফরিদপুর জেলার চরভদ্রসন থানার অন্তর্ভুক্ত ঝাউ কান্দা ইউনিয়নের শ্রী কৃষ্ণপুর এ ঘটনা ঘটে। গত নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসাবে মো. ফরহাদ মৃর্ধা নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে বেশ প্রভাব রয়েছে তার, গত ৪ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আতশবাজি ফোটানো  তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফরহাদ মৃর্ধা (৪৭) পিতা ছানু মৃর্ধা। তার হুকুমে তার ছেলে হাসান মৃর্ধা (৩০) পিতা ফরহাদ মৃর্ধা,ভাই রাহুল মৃর্ধা (৪৫) পিতা ছানু মৃর্ধা,কেয়ারটেকার মজনু আকন্দ  (৩৮)পিতা সোনা আকন্দ, ভাগ্নে সাদ্দাম মৃর্ধা (২৫) পিতা সুলতান মৃর্ধা সহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জনের বিরুদ্ধে  ৪ জনকে পিটিয়ে আহত করার খবর পাওয়া গিয়াছে।
এদের বিরুদ্ধে দোহার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি দায়ের করেন দোহার উপজেলার জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক মো. ইমারত হোসেন।
তিনি তার অভিযোগে ফরহাদ মৃর্ধাকে হুকুমের আসামী করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্রে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গিয়াছে।
ঘটনার বর্ননা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হাফিজা বেগম আগামীর সময়কে জানান, ঈদের আগেরদিন (চাঁনরাতে) নারায়নপুর গ্রামের শেখ ওহাবের দোকানের সামনে ফরহাদ চেয়ারম্যানের ছেলে ও শহিদের ছেলে আতশবাজি ফোটাতে ছিল, পাশে (নদী ভাঙ্গা) শেখ মিরাজের ছেলে আশিক (১৩) বসে বন্ধুদের  সাথে গল্প করতে ছিলো। একটি আতশবাজি শহীদের ছেলে আশিকের পিঠে ছুড়ে মারলে ঘটনার সুত্রপাত ঘটে।
মিরাজের ছেলে ঐ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ছোটদের মাঝে হাতাহাতি বাঁধে। আশিক তার পিতা মিরাজকে বিষয়টি জানায়।
এমন সময়ে ঐ রাস্তা দিয়ে চেয়ারম্যান ফরহাদ মৃর্ধা আসার সময় ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তার কাছে বিচার চায় আশিকের বাবা শেখ মিরাজ।
ঘটনার সাথে তার ছেলে ও ভাতিজা জরিত থাকায় বিষয়টি  এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে হাফিজার (ভাস্তি জামাই) মিরাজ জোর প্রতিবাদ জানালে, ফরহাদ চেয়ারম্যান  সন্ত্রাসী বলে চিৎকার দেয়। একপর্যায়ে বড়দের মাঝে হাতাহাতি  ছড়িয়ে পরে। মিরাজকে ফরহাদের ছেলে, ভাই, ভাতিজা, ভাগ্নে সবাই মিলে টর্চলাইট, হাতুড়ি, বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারি আঘাত করে। হাফিজা (৪০) স্বামি আঃ করিম,মিরাজের স্ত্রী হাসিনা (২৫) ভাই পান্নু পিতা জবল সর্ব সাং নারায়নপুর, সবাই মিলে উদ্ধারের চেষ্টা করলে এক এক করে সবাই প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্রের আঘাতে আহত হয়। এদিকে  শেখ নান্নুর বাড়ির ঘরের ভিতরে মিরাজকে আটকিয়ে রাখেন। এখবর ফোনে ফোনে ছড়িয়ে পরলে সাবেক ছাত্রনেতা সেন্টুর ফোন পেয়ে থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন ফাঁড়ি ইনচার্জ নুরুল হুদাকে ফোন দিলে তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নান্নুর ঘর থেকে মিরাজকে উদ্ধার করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সবাইকে  দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এখনো তারা হাসপাতালের তৃতীয় তলায় ভর্তি আছেন।
এবিষয়ে দোহার থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হাসপাতাল সুত্রে ও প্রতক্ষ্যভাবে দেখা যায় রোগীদের  অবস্থা এখনো নাজুক। হাফিজা আগামীর সময়কে আরো জানান, ওরা মানুষ নয় আমাদেরকে যেভাবে মারধর করেছে এভাবে কোন মা-বোনকে মারধর করেনা। হাফিজা এইরূপ ঘৃণ্য বর্বরোচিত হামলার বিচার চাই বলে জানান।
এবিষয়ে দোহার থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অখিল সরকার  ঘটনার সত্যতা শিকার করে জানান বিষয়টি উভয়কেই বলেছি নিজেদের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে।
যদি তা না হয়, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 109 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com