ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৪ জুলাই ২০২২
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইতিহাস ঐতিয্য
  3. ইসলাম
  4. কর্পোরেট
  5. খেলার মাঠে
  6. জাতীয়
  7. জীবনযাপন
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. দেশজুড়ে
  10. নারী কন্ঠ
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. ফার্মাসিস্ট কর্নার
  13. ফিচার
  14. ফ্যাশন
  15. বিনোদন

উইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারিয়ে টানা পঞ্চম সিরিজ জয় টাইগারদের

ডেস্ক নিউজ
জুলাই ১৪, ২০২২ ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মাশরাফি বিন মুর্তজা যে ভিত তৈরি করে দিয়ে গেছেন, সেই পথে ধরে হেঁটেই যেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলকে রীতিমত অপ্রতিরোধ্য করে তুলছেন তামিম ইকবাল।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে উইন্ডিজকে ৬ উইকেটে হারানোর পর আজ বুধবার দ্বিতীয় ম্যচে ৯ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। এতে তামিমের নেতৃত্বে টানা পঞ্চম সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা।

সবশেষ ৭ সিরিজের ৬টি জিতেছে বাংলাদেশ। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য মাত্র ১০৯ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করে বাংলাদেশ। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে প্রত্যাশিত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা। তাতে পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ।

ইনিংসের ১২তম ওভারে গিয়ে রিভিউ নষ্ট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আকিল হোসেনের লেগ স্টাম্পের বাইরের লেংথ ডেলিভারিতে কট বিহাইন্ডের আবেদন করে স্বাগতিকরা। তবে তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার।

ওয়াইড দিলেও রিভিউ নেন নিকোলাস পুরান। রিপ্লেতে দেখা যায় বলের সঙ্গে ব্যাটের স্পর্শ করেনি। তবে পরের ওভারেই সাজঘরে ফেরেন শান্ত।

গুড়াকেশ মোতির লেগ স্টাম্পের ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিতে কাউ কর্নার দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে থাকা আকিলের হাতে ক্যাচ দেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ওপেনার হিসেবে খেলতে নেমে ২০ রান করেন শান্ত।

মোতির বলে ফিরতে পারতেন লিটন দাসও। বাঁহাতি এই স্পিনারের টসড আপ ডেলিভারিতে মিড অন দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক টাইমিং না হওয়ায় মিড অনের ফিল্ডার পাশ দিয়ে গেছে বলটি।

ড্রাইভ দিলেও ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি ফিল্ডার। এরপর দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে জয়ের কাছে নিয়ে যান লিটন। এদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম।

মোতির ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে লং অফ দিয়ে চার মেরে ৬২ বলে ক্যারিয়ারের ৩২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। তামিমের হাফ সেঞ্চুরিতে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশেরও।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশ সাফল্য পেতে পারতো পঞ্চম ওভারেই। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ওভারের দ্বিতীয় বলে ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন শাই হোপ।

যদিও ব্যাটে-বলে করতে পারেননি তিনি। এরপর এই সুযোগ বল হাতের মুঠোয় নিয়ে স্টাম্পিং করতে পারেননি উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। ফলে হোপ জীবন পান ৪ রানে। কাইল মেয়ার্সকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেটের স্বাদ এনে দেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

তার লেংথ বলে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন মেয়ার্স। তবে ব্যাটে লাগাতে না পারলে বোল্ড হয়ে ফিরতে হয়েছে মেয়ার্সকে। আগের ম্যাচে দারুণ বোলিং করলেও কোনো উইকেট পাননি নাসুম আহমেদ। সেই ম্যাচ দিয়েই ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিল এই বাঁহাতি স্পিনারের।

দ্বিতীয় ম্যাচে নিজের চতুর্থ ওভারেই সাফল্য পেয়েছেন নাসুম। তিনি শামার ব্রুক্সকে ব্যক্তিগত ৫ রানে বোল্ড করেছেন। ষষ্ঠ ওভারে এসে জোড়া আঘাত হেনেছেন নাসুম। প্রথমে একবার জীবন পাওয়া শাই হোপকে ফিরিয়েছেন ব্যক্তিগত ১৮ রানে।

নাসুমের করা স্টাম্প বরাবর করা লেংথ বলে স্লগ সুইপ করে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন হোপ। চেষ্টা বিফলে গেলে ক্যাচ দিতে বাধ্য হন মোসাদ্দেককে। এক বল পরেই নিকোলাস পুরানকে রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড করে আউট করেন এই বাঁহাতি।

এরপর রভম্যান পাওয়েল ও ব্রেন্ডন কিং মিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। যদিও এই দুজনের জুটি জমতে দেননি শরিফুল ইসলাম। এই টাইগার পেসার পাওয়েলকে শর্ট মিড উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।

১১ রান করা কিংকে বোল্ড করে আউট করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আকিল হোসাইন তিনি কোনো রান করার আগেই রান আউট হয়ে ফেরেন।

শেষদিকে পর পর দুই বলে রোমারিও শেফার্ড (৪) ও আলজারি জোসেফকে (০) আউট করেছেন মিরাজ। শেষ উইকেটে বাংলাদেশের অপেক্ষা বাড়িয়েছেন গুড়াকেশ মোতি ও কিমো পল।

এই দুজনের ব্যাটেই দলীয় একশো পেরোয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের শেষ ব্যাটার মোতিকে এলবিডব্লিউ করে ফিরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অল আউট করে দেন ১০৮ রানে। পল অবশ্য শেষ পর্যন্ত ২৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

একদিনের ফরম্যাটে ৪৩ দেখায় উইন্ডিজের বিপক্ষে এটি ২০তম জয় লাল-সবুজের প্রতিনিদের। সবশেষ ১০ দেখায় টানা ১০ জয়। সব মিলিয়ে ৩৯৮টি ওয়ানডে ম্যাচে

দ্বিতীয় ওয়ানডে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ১০৮/১০ (৩৫ ওভার) (পল ২৫*, হোপ ১৮, মেয়ার্স ১৭, পাওয়েল ১৩; নাসুম ৩/১৯, মিরাজ ৪/২৯)
বাংলাদেশ – ১১২/১ (২০.৪ ওভার) (তামিম ৫০*, শান্ত ২০, লিটন ৩২*; মোতি ১/৩৯)

৩ উইকেট নিয়ে প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছেন নাসুম আহমেদ।

এটি ১৪২তম জয়। এই জয়ের মধ্যে দিয়ে ৩১তম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ে স্বাদ পেল বাংলাদেশ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।