কায়কোবাদ সাম্রাজ্যে হাল ধরবেন কে রফিক না কিবরিয়া?

Print

রোমেনা চৌধুরী, বিশেষ প্রতিবেদক: একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা হওয়ায় বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সা¤্রাজ্যের হাল ধরবেন কে? তার রাজনৈতিক গ্রুপ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে কে আসছেন? এ প্রশ্নে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে কুমিল্লা- ৩ (মুরাদনগর) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া নাকি কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সরকার, নাকি কায়কোবাদের ছোট ভাই জুন্নন বশরী না তার আরেক ভাই ইয়েমিনের সাবেক রাষ্ট্রদূত মজিবুল হক হাল ধরছেন কায়কোবাদের সা¤্রাজ্যের। এ প্রশ্নেই মূলত সব জল্পনা-কল্পনা, বিশেষ করে তার নিয়ন্ত্রিত কুমিল্লা- ৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় এলাকায়। কায়কোবাদের বিরুদ্ধে একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষনার পর পরই বিএনপি নেতাকর্মীদের উত্থাপিত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ‘রাজনৈতিক অভিব্যক্তির অস্তিত্ব খুঁজছেন অনেকেই।
বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীদের কাছে কুমিল্লা- ৩ (মুরাদনগর) কায়কোবাদ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত আসন হিসেবেই পরিচিত। জানা যায়, ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. ওয়ালী আহমেদ জয়লাভ করেন। এরপর ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার আবু জাহের বিজয় লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের ৭ মে নির্বাচনে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। পরে একই আসনে ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চের নির্বাচনে জাপার (এরশাদ) লাঙ্গল নিয়ে কায়কোবাদ আবারো বিজয়ী হন। কিন্তু ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ধানের শীষ নিয়ে জয়ী জন। পরে ১৯৯৬ সালের ১৫ জুন, ২০০১ সালের ১ অক্টোবর এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখেন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক ও এফবিসিসিআইয়ের সাঊেশ দু’বারের সভাপতি শিল্পপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। পরে আওয়ামী লীগ তাকে দলে টেনে নেয়। স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, ১৯৭৩ সালের পর অনুষ্ঠিত আটটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে কখনও স্বতন্ত্র, কখনও জাতীয় পার্টি, আবার কখনও বিএনপির কাছে পরাজিত হতে হয়েছে। আর এজন্য দলীয় কোন্দলকে দায়ী করেন তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ পর্যন্ত টানা পাচঁবার এখানে সংসদ সদস্য হয়েছেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। তবে একুশ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা হওয়ায় কায়কোবাদের প্রার্থীতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেক্ষেত্রে বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মী তথা কায়কোবাদ পন্থীরা চাইছেন, কায়কোবাদের ভাই বা কায়কোবাদ পরিবারের অন্য কাউকে এ আসনে প্রার্থী দেয়া হোক।
অপরদিকে বিএনপির আরেকটি বড় অংশের নেতাকর্মী তথা ব্যারিস্টার রফিক ও কিবরিয়া অনুসারীরা চাচ্ছেন বিএনপির দুর্গ খ্যাত এ আসনটি উদ্ধার করতে হলে এখান থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বা গোলাম কিবরিয়া সরকারকে দল থেকে মনোনয়ন দিলে আসনটি পূনরায় বিএনপির দখলে নেয়া সহজ হবে।
১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ পর্যন্ত পর্যন্ত সব’কটি জাতীয় নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে জিতেছে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। এর মধ্যে পাচঁবার সংসদ সদস্য হয়েছেন কায়কোবাদ। পরে তিনি একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলা জনিত কারনে পলাতক থাকায় আসনটিতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী জাতীয় নির্বাচনে অন্যরা বিজয়ী হন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনতি অথবা শাররিীক অসুস্থতার কারনে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে অপরাগতা প্রকাশ করলে সে ক্ষেত্রে তার অনুসারী বর্তমানে মাঠে থাকা কেন্দ্রীয় য্দুলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সরকার পূর্ন সমর্থন দিয়ে এ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে।
মাঠে-ঘাটে-হাটে-বাজারে সব খানেই আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার-ফেস্টুন-ব্যানার। ভোটারদের প্রতি প্রার্থীর শুভেচ্ছাবাণীর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সম্পন্ন ও চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিবরণ রয়েছে তাতে। প্রচারে সেখানে বেশ এগিয়ে আছেন নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তবে কায়কোবাদের দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে প্রার্থী নিয়ে বেশ দোটানায় পড়েছে বিএনপি। একসময় এ আসনের পরিচিতি ছিল ধানের শীষের দুর্গ হিসেবে। অথচ এখন দলটির সাংগঠনিক অবস্থা অনেকটাই নাজুক। অবশ্যই গোলাম কিবরিয়া সরকার এখন সক্রিয় হওয়ায় প্রান ফিরে পেতে চলছে এখানকার বিএনপির। তা ছাড়া নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি-না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে। তারপরও বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে একাই মাঠ দাপড়িয়ে বেড়াচ্ছেন কিবরিয়া সরকার।
কায়কোবাদ অনুসারী বিএনপির নেতারা বলছেন, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদই আগামী নির্বাচনে এই আসনে প্রার্থী হবেন। আইনগত কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রার্থী হতে না পারলে তারাই (কায়কোবাদ পরিবারই) ঠিক করবেন বিকল্প প্রার্থী কে হবেন। তবে তৃণমূল বিএনপি নেতা-কর্মীরা মনে করেন কায়কোবাদ পরিবারের বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে প্রয়োজন হলে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অথবা গোলাম কিবরিয়া সরকারকে এখানে প্রার্থী করা হলে আসনটি বিএনপির দখলে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোল্লা মজিবুল হক বলেন, তাঁরা এখনো আশাবাদী, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁদের নির্বাচনের বাইরে রাখার সরকারি কূটকৌশল যদি সফল হয়ই, তবে তাঁরা কায়কোবাদের পছন্দের কাউকে কে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।
কায়কোবাদ পরিবারের কেউ প্রার্থী না হলে এ আসনে প্রার্থী সংকটের আশঙ্কা করছেননা বিএনপির অন্য অংশের নেতা-কর্মীরা। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যরিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বা তার পত্মী ড. শাহিদা রফিক এখানে মনোনয়ন চাইবেন কি না, তা নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া কোনো নির্বাচনের কথা ভাবছি না আমরা। এখানে বিএনপির কেউ প্রার্থী হবেন, এটাই শেষ কথা। তিনি আরো বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপির নীতি নির্ধারক এখানে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেবেন বলে আশাবাদী আমরা। তা না হলে বিএনপির হয়ে কে লড়বেন, সেই সিদ্ধান্তও নেবেন ম্যাডাম ও তারেক রহমান। আদালতের উপর নির্ভর করছে এ আসনে কায়কোবাদ প্রার্থী হতে পারবেন কিনা।
নিজের প্রার্থীতা বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সরকার বলেন, আমরা আগে চাই ম্যাডামের মুক্তি, এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত। তাছাড়া আমাদের হাইকমান্ড ও মুরাদনগর বিএনপির অভিভাবক ব্যরিষ্টার রফিক স্যার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবেন।
ঐক্যবদ্ধ আ.লীগ, মর্যাদার আসন কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর)। মুরাদনগর ও বাঙ্গরা থানার ২২ ইউনিয়ন নিয়ে এ আসন গঠিত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত কয়েক মাস ধরেই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোস্টার, ফেস্টুন আর বিলবোর্ডের ছড়াছড়ি চলছে। আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারে অনেকটাই সরগরম এখানকার রাজনীতি। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি ছিল। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের হাত ধরে আসনটি আওয়ামীলীগের কব্জায় চলে যায়। তখন থেকেই মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থানসহ এ আসনটি আরো সুদৃঢ় হয়। অন্যদিকে বিএনপি পূর্বের অবস্থান ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরু ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ম. রুহুল আমীন। জাতীয় পার্টির নাজমা বেগম, জাপা (মঞ্জু) সমর্থিত জিও জাহাঙ্গীর আমীর, বিএনপি থেকে আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী এড. নূর এ আলম সিদ্দিকী ও ইসলামী শাসন তন্ত্র আন্দোলনের একক প্রার্থী আহম্মেদ আবদুল কাইয়ুমও গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন।
এর মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপির মনোনয়ন অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে আছে বলে জানা যায়। তিনিও বেশ নির্ভার হয়ে এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।
মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী। বর্তমান সাংসদ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ইফসুফ আবদুল্লাহ হারুন মুরাদনগর উপজেলা ও বাঙ্গরা থানায় গত ৫ বছরে প্রায় এগারোশত কোটি টাকার বরাদ্দে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছেন। যা দলমত ও সর্বস্তরের জনগনসহ ভোটারদের নজর কেড়েছে। এ ছাড়াও বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শনসহ গড়ে সপ্তাহে ৪ দিন তিনি এলাকায় সরকারি-বেসরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট চাইছেন।
মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম তুহিন বলেন, মুরাদনগর ও বাঙ্গরা থানায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক সাংসদ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছেন, যা সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তিনিই আমাদের প্রার্থী। দল ও অঙ্গসংগঠনসমূহ অত্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করছে। দলের বাইরে থেকে কেউ কেউ প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেও কোনো দলীয় কর্মকান্ডে তাদের উপস্থিতি নেই। আগামী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।
এ আসনে মামলা-মোকদ্দমায় জর্জরিত বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা খুবই নাজুক। জনসমর্থন থাকলেও মাঠ পর্যায়ে আন্দোলন বা প্রচার তেমনভাবে করতে পারছেন না দলটির নেতাকর্মীরা।
এ ছাড়া কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হানিফ সরকার, মহা জোটের গত বারের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আক্তার হোসেন মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানা যায়। বাম সংগঠনগুলোর মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, সিপিবির দলীয় কর্মকান্ডে এ আসনে কাউকে তৎপরতা চালাতে দেখা যায়নি।

 

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 64 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com