খাটি পন্য নিয়ে হাতের নাগালে “খাটি দ্যা পিউর ফুড”

Print

পুরো নাম নাজমা আক্তার কেয়া
বাসার সবাই আদর করে কেয়া মনি ডাকে।
পেইজ এর নাম ঃ খাটি দ্যা পিউর ফুড
ডেন্টালে পড়াশোনা করেও তা পেশা হিসেবে নেইনি,,মন যেন ক্রিয়েটিভ কিছুর দিকে টানে।
ঘরোয়া ভাবে কাজ শুরু বছর বছর ৪/৫, অফিসিয়াল ভাবে পেইজ এর যাত্রা ২০১৬ থেকে,,,

ব্যবসায় আসার কারণ বলতে,,অনুপ্রাণিত হয়ে এসেছি,, বিয়ের পরে দেখলাম হ্যাসবেন্ড আচার খেতে খুব পছন্দ করে,,তার
জন্যই আচার বানাতাম,,তারপরে প্রতিবেশী, আত্নীয়, বান্ধুবী দের দিতাম,,তারা খেয়ে খুব প্রশ ংসা করত,,,সব সময় নিজে কিছু করতে চাইতাম,,যদিও আচার/ রান্না প্রশিক্ষণ নেই আমার রেসিপি পুরটাই নিজের চিন্তা থেকে। সৃজনশীল কিছু,,যা মানুষের কাজে লাগবে/ উপকারে আসবে,, যেই ভাবা সেই কাজ,,হঠাৎ একদিন মনে হলো আমার এই আচারটি আমি মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দেইনা কেন,,,শুরু হলো চেষ্টা,, কিভাবে কি করা যাই,,কিছু না ভেবেই পেইজ খুলে ফেললাম, নাম দিলাম খাটি,,কারন আমি চাই আমার যত্নে আর ভালবাসায় মিশ্রিত খাটি পন্যটি তুলে দিবো মানুষের কাছে,,যেন তারা খাবার টেবিল তৃপ্তির ঢেকুর তোলে আর বলতে হয় আসলেই খাটি। এভাবেই নেশা আমাকে পেশাদার বানিয়ে তুল্লো,,প্রথমে লাভ ক্ষতি হিসেবে করতাম না,,শুধু আপন মনে বানিয়ে যেতাম,,,সবার ভালো সাড়া পেলাম,,আলহামদুলিল্লাহ।
বিভিন্ন গ্রুপে,, কেউ আচার চেয়ে পোস্ট দিলে,,খাটি নামটি থাকে সবার আগে,,এইগুল আমাকে মারাত্মক ভাবে অনুপ্রাণিত করে। আর আচার খাবার পর আপুরা ইনবক্সে বলে আপু এত্ত মজার আচার আগে কখনও খাইনি,,
এমন রিভিউ পেলে আর কি চাই।আমার পেইজে এখন অসংখ্য গ্রাহক যারা ভালবাসে আমার পাশে আছে খাটি গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে আচার বানাতে ব্যাস্ত। প্রথমে শুধু ঢাকাতে দিলেও এখন বাংলাদেশে সব জায়গায় ডেলিভারি হয়। আর প্রবাসী
গ্রাহরা ছুটিতে দেশে এসে নিয়ে যায় অনেক করে।
যদিও আচার বানানো অনেক ধোর্যের কাজ,,
কিন্তু সবার ভালোবাসায় তা হার মানে। আজকাল অনেকে আমায় আচার আপুও বলে,,শুনতে ভালই লাগে।
প্রায় সব ধরনের সিজনাল
ফলের আচার করে থাকি,যেমনঃ আম, জলপাই, চালতা, তেতুল, বরই, রসুন, নাগা মরিচ, কাচা মরিচ, আলুবোখারা, রসুন, আমড়া, বালাচাও ইত্যাদি। তাছাড়া আমি আনেক ধরনের ফাষ্টফুড আইটেমও তৈরি করে থাকি যেমন ঃ স্যান্ডউইচ, রোল,কাটলেট,পুডিং,ফিরনি,পাটিসাপটা পিঠা, ইত্যাদি
দামটা অবশ্যই হাতের নাগালে,,
যেন সবাই মোটামুটি কিনে খেতে পারে। পন্য হাতে পেয়ে ডেলিভারি ম্যানকে পেমেন্ট দিয়ে থাকেন ক্লাইন্ট।
#আর ইচ্ছে আছে একদিন খাটি র সব পন্য নিয়ে একটি শোরুম থাকবে,, এক নামে সবাই চিনবে।

ফেমিস ফেস্তা আমার স্বপ্ন পূরনের লক্ষে আনেকটা সাহায্য করেছে।তৈরি করে দিয়েছে প্ল্যাটফর্ম গ্রুপের এডমিন সান্তুর সাথে এক অমায়িক সম্পকের আর ভালবাসার জন্য গ্রুপে স্পনসর করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।এটা সত্যি একটা ভালোবাসার গ্রুপ।
ধন্যবাদ সান্তু আমাদের সাথে থাকার জন্য।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 158 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com