গর্ভপাত ঘটাতে ইউএনওর চাপ

Print

শ্বশুর পেশাদার উকিল হওয়ায় বিবাহ বিচ্ছেদ বিলম্বিত হচ্ছিল চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এডিসি (এলএ) আসিফ ইমতিয়াজের (পরিচিতি নং-১৬৭৫৩)। কিন্তু নতুন বান্ধবীর সাথে সংসার করার তর সইছিল না তার। শেষ পর্যন্ত পৃথক বাসা নিয়ে সংসার শুরু করেন বিয়ের আগেই। অসাবধানতাবশত পেটে চলে আসে সন্তান।

আসিফ চাইছিলেন অনাগত সন্তানকে গর্ভপাত ঘটাতে। কিন্তু রাজি হলেন না বান্ধবী। এ নিয়ে সম্পর্কের অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনা গড়ায় প্রশাসনের সর্বোচ্চপর্যায়ে। অভিযোগ ওঠায় চট্টগ্রাম থেকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে বদলি করা হয় ওই কর্মকর্তাকে। সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে বিষয়টি তদন্ত করছে জেলা প্রশাসন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর একটি লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে আমার বান্ধবীর মাধ্যমে তার সাথে পরিচয় হয়। তখন জানতে পারি তার ডিভোর্স হয়ে গেছে। সেই সূত্র ধরে কয়েকদিন ফোনে কথা হয়। এরপর এপ্রিল মাসে তার সাথে ঢাকায় এসে সাক্ষাৎ করি। প্রথম সাক্ষাতেই আমাদের বিয়ে নিয়ে কথা হয়। এরপর মে মাসের প্রথম সপ্তাহ সে মিরপুর-৬ নম্বরে একটি বাসা নেয়। বাসা নেয়ার খবর দেয়ার পর আমি ঢাকায় আসি। ওই বাসায় তার বোন-ভগ্নিপতির সাথে কথা হয়। তাদের সামনেই মে মাসের মধ্যে বিয়ে করবেন বলে জানান।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 56 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com