ঘুরে আসুন ঢাকার পাশে মাটির ঘর রেস্টুরেন্টে

Print

ঢাকা শহরে আমাদের বসবাস হলেও,ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষের শৈশব কোন না কোন গ্রামের আলো_বাতাসের সাথে মিশে আছে,জ্যামিষ্ট এই নগরী ঢাকা শহরে মুক্ত বাতাস পাওয়া এখন প্রায় ভাগ্যের ব্যাপার।কেমন হয় যদি ঢাকার আশেপাশে কোন একদিন গ্রামের অনুভুতি পান,গ্রামের সেই মাটির ঘরের মত ঘরে বসে খেতে পারেন,ছোটবেলার সেই হারিকেনের আলো জ্বেলে খেতে পারেন,বাবুই পাখির ঝুলানো বাসার নিচে বসে খেতে পারে,ছোটবেলার মত দোলনায় দুলতে পারেন,গাছের গুড়ির চেয়ারে উপর বসতে পারেন, এবং গ্রামের মত মুক্ত বতাসে খোলামেলা পরিকল্পিত আমগাছ,জামগাছ,পেয়ারাগাছ,নারিকেল গাছ সহ নাম না জানা আরো অনেক গাছের নিচে হেটে হেটে ঘুরতে পারেন মনের আনন্দে??জানি খুব ভালো লাগবে,হ্যা কল্পনা না,কিংবা বানিয়ে বলছি না,এই সমস্থ ইচ্ছে পুরন করবে আপনাকে গাজিপুরের পাঞ্জোরা মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট,এবং নারায়ণগঞ্জ জিন্দা পার্ক,তাই দেরি না করে চলে যান এই দুইটি যাইগাই এবং গ্রামের অনুভূতি নিয়ে মনকে শীতল করুন।

#যাতায়াত_মাধ্যমঃ যারা কুড়িল বিশ্বরোডের আশে পাশে থাকেন তাদের জন্য,
কুড়িল বিশ্বরোড থেকে কাঞ্চনব্রিজ_গাউসিয়া গামী বিআরটিসি বাস কাউন্টার থেকে ২৫ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে লাইন এ দাড়িয়ে পড়ূন,১০/১৫ মিনিট পর পর বাস ছাড়ে,বাসে উঠে কাঞ্চন ব্রিজ নেমে পড়েন,তারপর অটোতে বা ছোট মুড়ির টিন বাসে করে চলে যান পাঞ্জোরা মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট(ভাড়া ২৫-৩০),

#টঙ্গী_থেকেঃ টঙ্গী ষ্টেশন রোড় থেকে বাস/লেগুনাতে করে চলে যান মীরের বাজার।(ভাড়া ২০/৩০)সেখান থেকে অটো বা লেগুনা করে পাঞ্জোরা মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট(এই পথ টা এক আপুর থেকে শোনা)

#গুলিস্থা_যাত্রাবাড়ি থেকেঃযাত্রাবাড়ী থেকে লেগুনা/বাসে করে রূপসী রূপগঞ্জ,ভাড়া ২৫/৩০ টাকা,সেখান থেকে আবার কাঞ্চনব্রিজ গামী লেগুনা ভাড়া ২৫/৩০ টাকা,সেখান থেকে আবার অটো বা মুড়িরটিন বাসে করে পাঞ্জোরা মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট।
#মাটিরঘর_রেস্টুরেন্ট_ থেকে_জিন্দাপার্ক
রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে অটোতে করে চলে যান জিন্দা পার্কে ভাড়া প্রতিজন ২০ টাকা,তারপর জীন বিহীন পার্কে প্রবেশ করুন।

#বিঃদ্রঃ-মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট এ খাবারের দামটা একটু বেশি।আর জিন্দা পার্কের প্রবেশ মুল্য ১০০ টাকা প্রতিজন।
কারো যদি কোন কিছু জিজ্ঞাসা বা জানার থাকে অবশ্যই জানাবেন।চেষ্টা করব উপকার করার,ধন্যবাদ।

সচেতনতাঃ #

১ আপনি আমি এই দেশে জন্মগ্রহন করে,এই দেশ বা রাষ্ট্র থেকে কি পেলাম এটা বড় কথা নয়,আপনি/আমি রাষ্ট্রকে কি দিয়ে গেলাম এটাই বড় বিষয়।তাই আসুন আমরা আজ থেকে যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে ডাস্টবিন বা ময়লা আবর্জনা ফেলার নিদিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলে সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন একটি দেশ উপহার দিয়ে যাই,
#২ সমাজের কাছে আমরা সবাই কোন না কোন ভাবেই ঋনি।তাই রক্তদিন,পরিসোধ করুন সামাজিক ঋণ।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 208 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com