চাকুরির সাক্ষাৎকারের সময় যে ১২টি বিষয় খেয়াল রাখবেন

Print

 

সব ধরনের চাকরি শুরু করার প্রথম ধাপ সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করা। শুরুর এই ধাপে আপনি যত ভালো করবেন, চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা আপনার ততই বেড়ে যাবে। সাক্ষাৎকার দেওয়ার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম না থাকলেও কিছু অলিখিত বিষয় রয়েছে, যেগুলো আপনাকে অতিক্রম করতে হবে ভালোভাবে। বিভিন্ন অফিসে সাক্ষাৎকারের সময় আপনাকে বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। কাজেই আপনার এক পরিস্থিতির অভিজ্ঞতাকে সবকিছু ভাববেন না। যাঁরা একেবারে নতুন তাঁরাই বেশি সমস্যায় পড়বেন সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে। তাই সব পরিস্থিতিতে ১২টি সাধারণ নিয়ম মেনে চলুন।

১. প্রথমেই প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। এটিই আপনাকে সফলতা অর্জনে অনেক এগিয়ে দেবে। নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত অফিসে ঠিক সময়মতো উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করুন। রাস্তায় জ্যাম থাকবেই, তাই হাতে সময় নিয়ে একটু আগেই পৌঁছে যান।

২. যে প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করেছেন, সে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিন।

৩. পোশাক হওয়া চাই মার্জিত। অফিশিয়াল পোশাক পরে সাক্ষাৎকার দিতে যান। পোশাক আপনার ব্যক্তিত্ব এবং কাজ করার ক্ষমতাকে কিছুটা হলেও প্রকাশ করে।

৪. আপনার মুঠোফোনটি সাক্ষাৎকারকক্ষে ঢোকার আগে সাইলেন্ট অথবা বন্ধ করে নিন। প্রশ্নের উত্তর যথাসম্ভব সহজ, সরল ও সংক্ষিপ্তভাবে দিন।

৫. কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে সরাসরি বলুন যে উত্তরটি আপনি জানেন না। জানি জানি ভাব করে সময় নষ্ট করবেন না।

৬. সাক্ষাৎকারের সময় যেমন নার্ভাস হওয়া যাবে না, তেমনি ওভার স্মার্টনেস দেখানোও ঠিক হবে না। আপনাকে বাংলায় প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। উপযুক্ত ভাষায় কথা বলুন।

৭. সাক্ষাৎকারের সময় আপনাকে পেশাগত ভাষায় কথা বলতে হবে। খেয়াল রাখবেন, আপনার অনুপযুক্ত শব্দ চয়ন যেন প্রশ্নকর্তাদের বিব্রত না করে। তাহলে তাৎক্ষণিকভাবেই আপনার সাক্ষাৎকার শেষ হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে আপনার স্বপ্ন।

৮. সাক্ষাৎকারের শুরু থেকেই প্রশ্নকর্তা আপনাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বেশ কিছু তথ্য দিতে পারেন। যদি সেগুলো আপনি না শোনেন, তাহলে বড় কোনো সুযোগ হারাতে পারেন।

৯. প্রশ্নকর্তা যখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার কোনো প্রশ্ন আছে কিনা?’ তখন বেশির ভাগ প্রার্থী উত্তর দেন, ‘না’। এটি না করে আপনার মনে কোনো প্রশ্ন এলে পরিস্থিতি বুঝে তা করে ফেলুন। এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, কোম্পানিটি আপনার জন্য সঠিক জায়গা হবে কি না।

১০. চাকরিটি আপনার খুব জরুরি হতে পারে। কিন্তু সাক্ষাৎকারের সময় ‘প্লিজ আমাকে চাকরিটা দিন’ ধরনের মরিয়া ভাব দেখাবেন না। এটা আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

১১. সাক্ষাৎকারের সময় ধীরস্থির ও দৃঢ়সংকল্প থাকুন। আপনি জানেন চাকরিটা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার আছে, প্রশ্নকর্তাকেও সেটা বুঝতে দিন।

১২. কাজটা কি আপনি পারবেন? এ ধরনের প্রশ্ন করা হলে ‘আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব’ এ ধরনের জবাব দেওয়াই উত্তম। সাক্ষাৎ শেষে বাইরে আসার সময় উপযুক্ত সম্ভাষণ করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসুন।

—লিংকডিন ও বিভিন্ন ক্যারিয়ার–বিষয়ক ওয়েবসাইট অবলম্বনে

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 108 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com