ডিএসসিসির অপরিকল্পিত কর্মসূচি, মশক নিধনে ছয় কোটি টাকাই জলে!

Print

ঢাকা দক্ষিণ সিটির উত্তর যাত্রাবাড়ীর ৮৪/৭/এ হোল্ডিংটি চারতলা। এ ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে ৩টি করে ১২টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ভবন মালিকসহ ওই হোল্ডিংয়ে ১৫টি পরিবারের বসবাস। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ওই ভবন মালিককে ৪৭৫ মিলিলিটারের একটি অ্যারোসলের ক্যান দিয়েছে।

এ বিষয়ে ভবন মালিক সাইদুল ইসলাম বলেন, এডিস মশা তো শুধু ভবন মালিকদের কামড়ায় না, ভাড়াটিয়াদেরও কামড়ায়। তাই এ অল্প পরিমাণ অ্যারোসল দিয়ে ক’টা মশা মারব? ভাড়াটিয়াদের বাসায় যে মশা আছে, সেগুলোর কী হবে?

এ সমস্যা শুধু সাইদুল ইসলামের ক্ষেত্রেই নয়, এমন চিত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অধিকাংশ বাড়ির মালিকের। কারণ ডিএসসিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি হোল্ডিং মালিকের জন্য ৪৭৫ মিলিলিটারের একটি করে ক্যান বরাদ্দ। যদিও এ সিটির মোট হোল্ডিংয়ের ৮০ শতাংশই ভাড়াটিয়া।

কিন্তু ভাড়াটিয়াদের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। আবার যেসব হোল্ডিং মালিক ট্যাক্স পরিশোধ করেননি, তাদেরও দেয়া হচ্ছে না অ্যারোসল। কিন্তু মশা কামড় দেয়ার সময় তো আর বুঝবে না কে নিয়মিত ট্যাক্স পরিশোধ করেছেন অথবা করছেন না- এমন মন্তব্য এলাকাবাসীর।

আবার সব বাড়ির মালিকের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে না এ অ্যারোসল। শুধু ভিআইপিদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। অন্যদের ওয়ার্ডের নির্ধারিত স্থানে ট্যাক্স পরিশোধের রসিদ দেখিয়ে নিতে হচ্ছে অ্যারোসল। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অ্যারোসল আনতে অনেকেই সাড়া দিচ্ছেন না।

যাই হোক, সবমিলিয়ে অধিকাংশ বাসাবাড়িতেই পৌঁছাচ্ছে না কর্পোরেশনের বিতরণ করা এ অ্যারোসল।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 68 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com