ঢাবিতে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস আট হলের শিক্ষার্থীদের

Print

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন আটটি হলের শিক্ষার্থীরা। অনুপযোগী হওয়া সত্ত্বেও উপায় না থাকায় শিক্ষার্থীদের থাকতে হচ্ছে এসব ঝুঁকিপূর্ণ হলে। অনেক পুরোনো এসব ভবনের ছাদের আস্তর খসে পড়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের শিকদার মনোয়ারা ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার সাত বছর পরেও সেখানে থাকছেন শিক্ষার্থীরা। শুধু কুয়েত মৈত্রী হল নয়, এমন আরো সাতটি হলে রয়েছে এ ধরনের জীবনের ঝুঁকি। হলগুলো হলো হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, মাস্টারদা সূর্য সেন হল, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ফজলুল হক মুসলিম হল, শহীদুল্লাহ হল ও জগন্নাথ হল।

সরেজমিনে দেখা যায়, শামসুন্নাহার হলের বারান্দা ও বিভিন্ন রুমের দেওয়ালের আস্তরণ খসে পড়েছে, ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে অসংখ্য ফাটল। অনেক স্থানেই ছাদের কংক্রিট থেকে আলাদা হয়ে গেছে মরিচা পড়া রড। আবার কোথাও কংক্রিট খসে পড়ে রডের সঙ্গে কোনো রকমে ভর করে আছে ভবনের ছাদ। এমনকি ছাদের বিভিন্ন অংশের বিমে বড়ো ধরনের ফাটল ধরেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবনে বাস করছেন ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ভবনগুলোতে বেশ কয়েকবার সংস্কার করলেও তা মানসম্মত হয়নি বলে দাবি করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র প্রতিনিধিরা।

হলের শিক্ষার্থীরা জানান, ১৯৬৭ সালে সূর্য সেন হল প্রতিষ্ঠিত হয়। হলটির উত্তর ব্লকের বেশ কয়েকটা স্থানে ফাটল ও পলেস্তারা খসে পড়া জায়গায় প্রশাসন সংস্কারকাজ করলেও সেখানে আবারও ফাটল ধরেছে। হলটি অনেক পুরোনো হওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। হল প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে। ব্যবস্থা নেওয়া হলেও পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে হলটি। এ বিষয়ে সূর্য সেন হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি মারিয়াম জামান খান সোহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে যে অর্থ বরাদ্দ আসে, তা সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয় না। কাজ হলেও তা মানহীন বলে জানান তিনি। সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ঘুরে দেখা যায়, হলের বারান্দা ও রুমের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। হলের পূর্ব পাশের অবস্থা জরাজীর্ণ। সেখানে হলের বেইজমেন্ট ফ্লোরেও ফাটল দেখা দিয়েছে।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 35 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com