দোহারের মুকসুদপুরে নিয়মনীতি ছাড়াই গড়ে উঠেছে জাহাজ শিল্গ প্রশাসন নিঃশ্চুপ

Print

 

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি :
ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসেদপুর ইউনিয়নের পূর্বচর নামক এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে সরকারি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবাধেই গড়ে উঠেছে জাহাজ শিল্প! স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে জাহাজ তৈরি করার ডগইয়ারড। ফলে শাইনপুকুর  থেকে নয়াবাড়ি পর্যন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসরকারীখাত শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসন এর সাংসদ সালমান এফ রহমান (এমপি) এর একান্ত প্রচেষ্টায় পদ্মার ভাঙ্গন রোধে নদী শাসনের প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হচ্ছ। পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশ সহ ক্ষতি হচ্ছে জনজীবন। তবে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ খুলছে না এলাকাবাসী! এতে সরকারি সুদৃষ্টি খুবই জরুরী বলে মনে করেন এলাকাবাসী। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক উপজেলার সরকারি পদ্মা কলেজের এক শিক্ষার্থী জানায়, প্রায় বছর দুয়েক আগে ঢাকা থেকে আগত আমার কিছু বন্ধুদের নিয়ে মুকসেদপুরের পূর্বচর এলাকায় পদ্মার তীরে ঘুরতে এসেছিলাম। সে সময় এখানের প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছিলো। এ বছর ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আমরা এখানে ঘুরতে এসে দেখি পা ফেলার জায়গা নেই। নেই পর্যটকদের জন্য নিঃশ্বাস ফেলার স্থান। তবে সরকারিভাবে যদি এ স্থানটিকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা হতো তাহলে আমাদের দোহার উপজেলার এ স্থানটি পর্যটকের বিনোদনের জন্য একটি সুন্দর জায়গায় পরিণত হতো।
কোন শিল্প এলাকা গড়ে উঠার আগে চাই তার যথাযথ নিয়মনীতি। সরকারের নিয়মনীতির তুয়াক্কা না করে যখন কোন কিছু করা হয় তখন সেটা উপকারের চেয়ে ক্ষতি বয়ে আনে অনেক। মুকসুদপুরের পূর্বচরে তথা ডাকবাংলো দোহারের অন্যতম একটি ভ্রমণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে পায় ১৫ বছর আগে। সেই স্থানে এখন জাহাজ তৈরীর ঠকঠক আওয়াজ আর বিপদজনক ভাবে ছরিয়ে ছিটিয়ে আছে বৈদ্যুতিক তার বা ওয়ার। যে কোন সময় ঝরে যেতে পারে তরুন তাজা প্রান। এদের নেই কোন প্রকার পারমিশন, পরিবেশের ছাড়পত্র, নেই ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র এমন কি ভাল কোন ইলেক্ট্রিশিয়ান। তার পরেও এরা কি ভাবে এই শিল্পের বিকাশ ঘটালো? এরা এতো সাহস কোথা থেকে পেলো? এদের পেছনে কারা আছে? কোন রাজনৈতিক দলের প্রভাব আছে কি? না কি তারা টাকার বিনিময়ে অবৈধতাকে বৈধ করছে? প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই কেন? সকল প্রশ্নের জবাব চায় জনগন।
[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 65 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com