নকলায় পৌর মেয়রকে গলা টিপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

Print
শেরপুরে নকলা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান লিটনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় লিটনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও গলা টিপে হত্যার চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সদ্য সমাপ্ত নকলা উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিনের বড় শাহ ফুয়াদ তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে মেয়র লিটনের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন পৌর মেয়র লিটন। হামলার পর পর নকলা শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মেয়রের ওপর হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক লাঠিসোটা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে শহরে উত্তেজনা দেখা দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নকলা শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই সংবাদ সম্মেলন করে মেয়র লিটনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে হত্যাচেষ্টা ও লাঞ্ছনাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উপজেলা আ. লীগ নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নকলা উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ। এ সময় সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পঞ্চম দফায় গত ১৮ জুন নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, রবিবার সন্ধ্যার দিকে অফিসের কাজ সেরে একটি মোটর সাইকেলে করে উপজেলা শহরে আসছিলেন। পৌরসভার প্রধান ফটকের সামনে এলে নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিনের বড় ভাই শাহ ফুয়াদ লোকজন নিয়ে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁর মোটরসাইকেলের ওপর হামলা করে তাঁকে মাটিতে ফেলে দিয়ে লাঞ্ছিত করে গলা টিপে ধরে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এ সময় সহকর্মীরা এগিয়ে এলে তিনি প্রাণে রক্ষা পান।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী বোরহানের লোকজন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা ও বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত পোস্টার ছিঁড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আজ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মেয়র লিটনকে হত্যার উদ্দেশে তাঁর ওপর হামলা চালান হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে শাহ ফুয়াদ কিংবা তাদের পক্ষের কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নকলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শেরপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কাজ করছি।
[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 33 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com