নির্বাচনের আগে মৌসুমীর ৮ প্রতিশ্রুতি ও ১ আশংকা!

Print

মাত্র কয়েক ঘন্টা পর চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। প্রার্থীরা চলছে শেষ সময়ের নির্বাচনের প্রচারণা। রকাদের সাধারণ এই নির্বাচন ঘিরে উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা কিংবা আতঙ্ক কোনো কিছুরই কমতি নেই। এবারের নির্বাচনে একমাত্র মিশা-জায়েদ পূর্ণ প্যানেল দিয়েছেন। বিপরীতে সভাপতি পদে লড়ছেন মৌসুমী, যিনি স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়িয়েছেন। প্রথমে পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা দিলেও পরবর্তীতে একে একে নানান অযুহাতে সবাই সরে দাঁড়ায়।

নির্বাচনের আগে বুধবার দুপুরে (২৩ অক্টোবর) মিশা-জায়েদ প্যানেলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের রেড অর্কিড রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন মৌসুমী। সেখানে এ নির্বাচনে জয়ী হলে শিল্পী সমিতির উন্নয়নের ৮ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

নিচে মৌসুমীর নির্বাচনী ইস্তেহারগুলো তুলে ধরা হলো-

১. শিল্পীকে তার আত্মসম্মানের জায়গায় দেখতে চাই।

২. শিল্পী সমিতির অফিশিয়াল কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা, যাতে শিল্পী সমিতির সব কার্যক্রম এবং সম্মানিত সদস্যদের ডাটাবেজ ওয়ান ক্লিকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।

৩. শিল্পী সমিতির নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা হবে।

৪. শিল্পী সমিতি থেকে ওয়েব সিরিজ তৈরি করা হবে। তা থেকে লাভের সম্পূর্ণ অংশ শিল্পী সমিতির তাহবিলে প্রদান করা হবে এবং এই ওয়েব সিরিজে শিল্পীরা পর্যায়ক্রমে অনেকেই অভিনয় করবেন।

৫. চলচ্চিত্রের বর্তমান দূরাবস্থা থেকে মুক্তি লাভের জন্য চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের অর্থমন্ত্রণালয় এবং প্রযোজক-পরিচালক সমিতির যে সমস্ত কার্যক্রম গ্রহণ করছেন তাদের সঙ্গে একাত্ততা পোষণ করে কাজ করবো।

৬. শিল্পীদের সহযোগিতায় এবং সমন্বয়ে প্রতিবছর একটি করে এক্সিভিশন আয়োজন করা হবে। এখানে তারকাদের স্বাক্ষর, ছবি ও সুভিনিয়র বিক্রি করা হবে। এ থেকে আয় জমা হবে শিল্পী সমিতির ফান্ডে।

৭. বয়স্ক ভাতা চালু করবো। বিভিন্ন স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত দাতাদের নিকট হতে ফান্ড কালেক্ট করে আলাদা একটি একাউন্ট করে বয়স্ক ভাতা পরিচালনা করা হবে।

৮. স্বল্প আয়ের শিল্পীদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষে হস্ত শিল্প বা কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে। যে সকল শিল্পীদের হাতে কাজ কম, তারা ডেইলি ভিত্তিতে এখানে কাজ করবে। এখান থেকে আয়কৃত টাকা শিল্পী সমিতির ফান্ডে জমা দিয়ে শিল্পীদের কলাণেই ব্যয় করা হবে।

সংবাদ সংম্মেলনে আশংকা নিয়ে মৌসুমী বলেন, নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকদের সজাগ থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। কারণ প্রতিপক্ষ পরাজিত হবে এই আশঙ্কায় নির্বাচনের দিন তারা বিশৃঙ্খলা করতে পারে।

এদিকে বুধবার মিশা-জায়েদ পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের নেতারা জানান, প্যানেলের অন্যসব প্রার্থীরা জয়ী হলেও যদি মিশা হেরে যান তাহলে হবে না। মৌসুমী জয়ী হলে বিজয়ীরা পদত্যাগ করবেন।

নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদ সদস্যের ১১টি পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন ১৪ জন। এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 46 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com