প্রথমবারের মতো জীবন্ত প্রাণির জিনোম থেকে এইচআইভি ভাইরাস অপসারণ

Print

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এইচআইভি বিরোধী শক্তিশালী একটি ওষুধ, এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ ভালো কাজ করতে পারে। ঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে এই অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল ড্রাগস (এআরভিস) এইচআইভিকে এতোটাই দমিয়ে রাখতে পারে যে, রক্তে এই ভাইরাস শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে যায়। ফলে শারীরিক সম্পর্ক বা ট্রান্সফিউশনের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। কিন্তু এআরভিস-র কার্যক্ষমতা শুধু এতটুকুই। খবর টাইম ম্যাগাজিনের।

যেসব ভাইরাস সক্রিয়ভাবে নিজেদের কপি তৈরি করছে এবং সুস্থ কোষকে আক্রান্ত করছে-সেগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের ওষুধ ভালো কাজ করে। এইচআইভি বিবর্তন হওয়া শিখেছে ও ওষুধের কার্যকারিতা রোধে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে। লসিকা ও শরীরের অন্যান্য টিস্যুতে লুকিয়ে থেকে, নিষ্ক্রিয় থাকার মাধ্যমে এবং কপি না করে নিজেদের সংরক্ষণ করতে পারে এইচআইভি। যখন রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা কিছুটা ঢিল দেয় তখন আবারও নিজেদের কপি করা শুরু করে এই সুপ্ত ভাইরাসগুলো। এর অর্থ হচ্ছে, কোনো এক ব্যক্তি একবার আক্রান্ত হলে এই ভাইরাসগুলো তাদের শরীরের খোলা গ্রেনেডের মতো রয়ে যায়; পরে লাখ লাখ আক্রান্ত ভাইরাস বছরের পর বছর বা দশকের পর দশক অপেক্ষা করে রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে ছাপিয়ে যেতে।

এআরভিএস-র চেয়ে এসব ভাইরাস খুঁজে বের করে অপসারণ করা সবচেয়ে ভালো সমাধান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত গবেষকরা এমনটা করতে সক্ষম কোনও প্রতিষেধক বা অন্য কিছু তৈরি করতে পারেনি।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 26 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com