প্রস্তাবিত কোমরগঞ্জ থানায় শোল্লা ইউনিয়নকে অন্তর্ভূক্ত না করার দাবিতে মানববন্ধন

Print
 মোঃ জাকির হোসেন, জেলা প্রতিনিধি :   ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নে নতুন থানা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শোল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। শনিবার সকালে শোল্লা হাই স্কুল এন্ড কলেজের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তরা জানান, উপজেলার শোল্লা, কৈলাইল, বাহ্রা, বক্সনগর, গালিমপুরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে পৃথক কোমরগঞ্জ থানা গঠনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এতে ভোগান্তিতে পড়বে উপজেলার বৃহত্তম ইউনিয়ন শোল্লা ইউনিয়নের মহেষপুর, উত্তর ও দক্ষিণ বালুখ-, রূপারচরসহ ৪৫টি গ্রামের প্রায় দেড় লাখ মানুষ। নবাবগঞ্জ সদরের সাথে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হলেও কোমরগঞ্জের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় ইউনিয়নের অধিকাংশ বাসিন্দা প্রস্তাবিত নতুন থানা কোমরগঞ্জে অন্তুর্ভুক্ত হতে চান না। মানববন্ধনে শোল্লার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বক্তারা বলেন, শোল্লা নবাবগঞ্জের সাথেই থাকতে চায়, কোমরগঞ্জ থানার সাথে থার্কা কথা ভাবতেও পারি না, যদি নবাবঞ্জের সাথে আমাদের সংযুক্ত রাখা না হয় তাহলে শোল্লাসহ কৈলাইল, যন্ত্রাইল ও নয়নশ্রী ইউনিয়ন সংযোগ করে শোল্লায় একটি নতুন থানা করা হলে সকলেই উপকৃত হবে। এ বিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের ডিআইজি ও ঢাকা-১ আসনের এমপি সালমান এফ রহমানের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন মানববন্ধনকারীরা।
মানববন্ধনে প্রধান উদ্যোক্তা শোল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নজির আহমেদ বলেন, নবাবগঞ্জ থানার মধ্যে শোল্লা ইউনিয়ন সব চেয়ে বড় শোল্লাবাসী কখনও কোমরগঞ্জকে থানা মেনে নিতে না। শোল্লাকে নবাবগঞ্জ থানার ভিতরেই রাখতে হবে অন্যথায় শোল্লাকে আলাদা থানায় রূপান্তর করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা গরুর গোয়ালে যেতে চাই না, গরুর গোয়ালে গিয়ে লাথি খেতে চাই না, গরুর গোয়ালে গিয়ে হাসিল দিতে চাই নাই। আমরা শোল্লাকে থানা হিসেবে দেখতে চাই।
শোল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, শুধু আমাদের দাবি নয় এটা এখন শোল্লা ইউনিয়নবাসির প্রাণের দাবি। প্রক্রিয়াধীন কোমরগঞ্জকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তবে শোল্লাবাসিকে নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হবে।
শোল্লার বাসিন্দা সুব্রত দাস বলেন, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশাসনিক ও আইনগত সহায়তার মাধ্যম নবাবগঞ্জ সদর আমাদের নিকটবর্তী। আর কোমরগঞ্জের সাথে আমাদের দূরত্ব অনেক। তাই আমরা চাই আমাদেরকে হয়তো নবাবগঞ্জ থানার সাথেই রাখা হোক না হয় শোল্লা আলাদা থানা করা হোক।
উত্তর বালুখন্ড গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, এটা একটি বির্তকিত স্বীদ্ধান্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় নবাবগঞ্জ সদরের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারি। নতুন থানা যদি করতেই হয় তবে শোল্লা ইউনিয়নেই থানা করতে হবে। যদি আমাদের দাবি মানা না হয় তবে কঠোর আন্দোলনে যাবে ইউনিয়নবাসী।
শোল্লা হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হেলালউদ্দিন আহমেদ বলেন, শোল্লা শুধু ভৌগলিক দিক দিয়ে নয় জনসংখ্যার দিক দিয়েও উপজেলার সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। আমি সরকার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমাদের অভিভাবক সালমান এফ রহমান এমপিকে অনুরোধ করবো যাতে শোল্লাকে কোনভাবেই কোমরগঞ্জ থানাতে অর্ন্তভুক্ত করা না হয়। আগে যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকাই শোল্লাবাসির জন্য কল্যাণকর। তবে যদি আলাদা থানা করতেই হয় তবে শোল্লা ইউনিয়নেই যেন সেই থানা নির্মাণ করা হয় আমরা সেই অনুরোধ করবো।
[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 50 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com