ফরম বিলাপের নামে চলছে ওপেন সিক্রেট ডাকাতি বানিজ্য 

Print

বাকী বিল্লাহঃ(সাঁথিয়া-বেড়া)পাবনা প্রতিনিধিঃ সবকিছু ঠিক থাকলে ২০১৯ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি)পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই পরীক্ষাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের চলছে ফরম পুরনের কার্যক্রম। এ ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা আদায় করা যাবেনা। এজন্য দেশের সকল মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করে নির্দেশনা দিয়েছে খোদ শিক্ষা মন্ত্রনালয়। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যেন অতিরিক্ত টাকা আদায় করা না হয়।এ ব্যাপারে আদালতেরও সুনির্দিষ্ট আদেশও রয়েছে। কিন্তু শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষামন্ত্রী ও আদালতের আদেশ-নির্দেশ উপেক্ষা করে পাবনা জেলার সাঁথিয়া-বেড়া উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফরম পুরনের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ওপেন সিক্রেট বানিজ্য ডাকাতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। আদায় করা হচ্ছে ৪থেকে ৫ গুণ বেশি অর্থ।সাঁথিয়া-বেড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘুরে কথা বলে এমনই তথ্য ও অভিযোগ  দিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বীকার করেছে ফরম পুরনের অতিরিক্ত ৪থেকে ৫ গুন টাকা আদায়ের কথা। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বাংলাদেশ সারাদিনকে ফোন করে তাদের ক্ষোভের কথা জানান। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিযোগ রয়েছে , কাশিনাথপুরের আব্দুল লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু হাই স্কুল, নাকালিয়া সারাশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,রেইনবো কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাই স্কুল,গ্যালাক্সি স্কুল এন্ড কলেজ সহ অারো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বেড়া উপজেলার গ্যালাক্সি স্কুল এন্ড কলেজের পরিস্থিতি আরও খারাপ। প্রতিটি ফরমের জন্য নেয়া হচ্ছে ৫,০০০ টাকা। যা সরকারি নির্ধারিত ফি থেকে ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি আদায় করা হচ্ছে। ফরম বিলাপের নামে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে রমরমা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে স্কুল কতৃপক্ষ।  স্কুল কতৃপক্ষের এমন হরিলুটি কারবারে চোখে অন্ধকার দেখছেন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিভাবকেরা।অর্থঅভাবে অনেকেই ফরম ফিলাপ করতে না পেরে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিয়ে চলে যেতে হয়েছে চোখে জল নিয়ে। জানা গেছে,কেউ কেউ সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিভাবকরা চড়া সুদে টাকা নিয়ে ফরম ফিলাপের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বলছেন,ওপেন সিক্রেট ডাকাতি করছে স্কুল কতৃপক্ষ।একটু খোঁজ খবর নিলে যে কেউ তা জানতে পারবেন।সরকার মাঠ পর্যায়ে সঠিক অনুসন্ধান চালালে সহজেই এর প্রমাণ মিলবে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।শুধু থাকতে হবে কতৃপক্ষের সদিচ্ছা। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এরকম অভিযোগের কথা আমরা শুনেছি।যে সকল স্কুলের নিবন্ধন নেই সেসব প্রতিষ্ঠানের ভালোমন্দ কোন কিছু দেখভাল করার এখতিয়ার আমাদের হাতে নেই। আমার থেকে আরও অনেক বড় বড় প্রশাসনিক কর্মকর্তা আছেন তাদের কাছে অভিযোগ করেন বলে জানান তিনি।

 

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 212 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com