ফের ভোট লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

Print

ফের ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নামছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি। নতুন বছরের শুরুতেই ঢাকার দুই সিটিতে প্রধান এই দুই দলসহ অন্য দলগুলো ভোটযুদ্ধে মাঠে নামবে। গতকাল নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী জানুয়ারিতে ঢাকার দুই সিটি ভোট করার ঘোষণা দিয়েছে। আওয়ামী লীগে দুই সিটিতে পুরনো দুই প্রার্থীই আলোচনায় রয়েছেন। আবার নতুন করে কেউ কেউ সিটি মেয়র প্রার্থী হতে তৎপরতা চালাচ্ছেন। বিএনপি এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, সিটিসহ সব নির্বাচনেই তারা অংশ নেবে। এর অংশ হিসেবে ঢাকার দুই সিটিতে তাদের প্রার্থীও চূড়ান্ত প্রায়। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডেও চলছে ভোট প্রস্তুতি। আওয়ামী লীগ-বিএনপি ছাড়াও বিভিন্ন দলের কাউন্সিলর প্রার্থীরা এরই মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন। কারও কারও পক্ষে সমর্থকরা পোস্টারও সাঁটাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে প্রার্থীদের পক্ষে নানামুখী প্রচারণা।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশন সভা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে সিটি ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়। ওইদিন কমিশন সভা মুলতবি করা হয়। গতকাল সকালে ওই মুলতবি সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর জানান, জানুয়ারির মাঝামাঝি বা শেষের দিকে একই দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভোট করা হবে।

জয়ের ধারাবাহিকতা চায় আওয়ামী লীগ : আওয়ামী লীগ সূত্রমতে, দুই সিটিতে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায় আওয়ামী লীগ। এ জন্য দলের নিবেদিত, নিজ এলাকায় সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত ও অধিকতর জনপ্রিয় এমন যোগ্য নেতা খুঁজছেন তারা। এ নিয়ে আওয়ামী লীগে বিশ্লেষণ, পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা চলছে। মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী মোটামুটি চূড়ান্ত করে রেখেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন চলছে কাউন্সিলর প্রার্থীর বাছাই। এবার কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী মাঠে রাখবে ক্ষমতাসীন দলটি। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ছাড়াও অর্ধডজন নেতা মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চান। এর মধ্যে সরকার দলীয় দুজন এমপি ছাড়াও কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতা রয়েছেন। একই অবস্থা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেও। বর্তমান মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ছাড়াও অর্ধডজন নেতা নৌকা প্রতীক পেতে চান। এখানেও দুজন এমপি ছাড়াও একজন কেন্দ্রীয় নেতা আলোচনায় আছেন। গত সপ্তাহে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের। এবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মাঠে থাকবে। মেয়র পদে কে প্রার্থী হবেন- সে সিদ্ধান্ত দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেবেন। কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বাছাইয়ের জরিপ শুরু করেছে। কে কোথায় জনপ্রিয়, দলের জন্য নিবেদিত তা খতিয়ে দেখছি। দায়িত্ব পালনে যারা যোগ্য ও সবার থেকে এগিয়ে থাকবে তারাই মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পাবেন। কাউন্সিলরদের বিষয়েও জরিপ চলছে।’ তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলেই আমরা যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করব।’

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 50 বার)


Print
bdsaradin24.com