বাংলাদেশ নামকরণে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা

Print

আমাদের প্রজন্ম স্বাধীনতার পরের প্রজন্ম। আমরা দেখিনি ৫২এর ভাষা আন্দোলনে বাংলার দামাল ছেলেদের রক্তঝরানো, দেখিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্থানি হানাদারের বিরুদ্ধে বাংলার বীর জনগণের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদের প্রাণোৎসর্গের স্বাধীনতা যুদ্ধ। দেখিনি জিয়া- খোন্দকার মুস্তাকদের নীল নকশায় অকৃতজ্ঞ বাঙ্গালীর হাতে রাতের অন্ধকারে জাঁতির জনকের সপরিবারে নিহত হওয়ার রক্তমাখা কলঙ্কিত সকাল।

যেই মহান ব্যক্তি জীবনের সকল সুখ উপেক্ষা করে এই ধরণীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের অবস্থান করে দিয়েছিলেন, আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি সেই মহান ব্যক্তির রক্তে রঞ্জিত করেছি এই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু বাঙালির প্রেরণা। তিনি বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতা, পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পুরোধা এবং বাংলাদেশের জাতির জনক। জনসাধারণের কাছে তিনি শেখ মুজিব বা শেখ সাহেব নামে বেশি পরিচিত এবং তার উপাধি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু।

আগস্ট মানেই জাতির বেদনাবিধুর শোকের মাস, এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের নাম। স্বাধীন বাংলাদেশে এ মাসে নেমে আসে বাঙালি জাতির ওপর এক কালো থাবা। বাঙালির ইতিহাসে কলঙ্কিত এক অধ্যায় সূচিত হয়েছে এই আগস্ট মাসেই। ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বাঙালি জাতি পিতৃহত্যার বিচারের রায় কার্যকরের মাধ্যমে কলঙ্কমুক্ত হলেও আমাদের প্রতিটি শিরা-উপশিরা ও ধমনীতে ঘাতকদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণার উদ্রেক করে এ মাস।

আজকের দিনে আমাদের প্রজন্মকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, বাংলাদেশের নামকরণ কিভাবে হল, আমি হলফ করে বলতে পারি, ৯৫% সঠিক জবাব দিতে পারবে না।

ইতিহাস দিয়ে শুরু করা যাক। অনেকেই বলেন, এই উপমহাদেশে আর্যরা আসার পর থেকে বা তাদের হাত দিয়েই পরিচিত হয়েছে এই ভু-অঞ্চলের। কিন্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, এদেশে আর্য অভিযানের পূর্বে অস্ট্রিক গোষ্ঠীভুক্ত নিষাদ জাতি বাস করত। (বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, ৪র্থ সংস্করণ)। সুতরাং, দ্রাবিডীয় সভ্যতার আলোকে গাঙ্গেয় বদ্বীপের তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানবগোষ্ঠীই বাঙ্গালী জাতির আদিপুরুষ।

কিছু কিছু গবেষক মনে করেন, বঙ্গদেশের জিওগ্রাফিক আবাসস্থলে বঙ্গ শব্দটি প্রাচীনতার স্বাক্ষর বহন করে। বং শব্দ থেকেই বঙ্গের উৎপত্তি। এই বং একটি চৈনিক শব্দ, যার অর্থ জলাশয় বা নদীমাতৃক এলাকা। এই ভু-অঞ্চলের আশপাশ নদীবেষ্টিত বলেই বংগ শব্দের উৎপত্তি বলে অনেক ঐতিহাসিক ধারণা করেন।

এভাবে বহু ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্যে দিয়ে ‘বংগ’ শব্দটি ‘বংগদেশ’, ‘গৌড়ীয় বাংলা’, ‘বঙ্গীয় এলাকা’, ‘সুবে বাঙ্গাল’, ‘বঙ্গীয় ফোর্ট উইলিয়াম প্রেসিডেন্সী’, ‘পূর্ব বংগ’, ‘পূর্ব পাকিস্তান’ এবং অবশেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে এই উপমহাদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ’ নাম্নী একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম।

বাংলাদেশ নামকরনের সঠিক ইতিহাস নিরূপণ করতে হলে এতদঞ্চলের প্রায় আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস টানতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, দ্রাবিডীয় সভ্যতার পর কেবল বুদ্ধদের সময়কাল, গৌড়ের পাল বংশের শাসনকাল, পাঠান সুলতান, বারো ভুঁইয়াদের সময় ছাড়া ১৯৭১এর ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরো সময় ছিল বহিরাগত সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশবাদের শাসনকাল। এদের ইতিহাস শাসন ও শোষণের ইতিহাস।

এর গোড়াপত্তন হয়েছিল যীশুর জন্মের কয়েক শতাব্দী পূর্বে বহিরাগত আর্য সাম্রাজ্যবাদের মাধ্যমে। এরা উপমহাদেশে আগমনের একবারে শেষ পর্যায়ে এসে এই গাঙ্গেয় বদ্বীপ পর্যন্ত আসতে সমর্থ হয়েছিলো। অধ্যাপক আলী নেওয়াজের মতে, ‘রাম-রাবণের যুদ্ধ ও আর্য-অনার্যদের যুদ্ধ ছাড়া আর কিছুই নয়’ (খনার বচন ও কৃষি)। আর্যদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ছাড়া এই জাতির অনেক গৌরবের ইতিহাস রয়েছে ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে, যেমন অবাঙ্গালী গুপ্ত ও সেনদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, মোঘলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, মজনু শাহ, নুরুদ্দিন ও পীতাম্বরের লড়াই (১৭৬৩-১৮০০), ওহাবী ও ফরায়েজী বিদ্রোহ (১৮২৪-১৮৭০), সিপাহী বিপ্লব (১৮৫৭), নীল বিদ্রোহ (১৮৫৯-১৮৬১), চট্টগ্রামের সশস্ত্র সংগ্রাম পর ৫২’র ভাষা আন্দোলন এবং সবশেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ এই জাতির গৌরবের ইতিহাসগাথা।

বঙ্গ বলতে একই ভাষাভাষী দুই বঙ্গ, যদিও ইতিহাসের গতিধারাতেই এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পূর্ব বংগ বাংলাদেশ নামে স্বাধীন হয়েছে। সাহিত্যিক অন্নদা শঙ্কর রায় (যুক্ত বাংলার স্মৃতি) গ্রন্থে লিখেছেন, ‘ বাংলাদেশের সত্ত্বা দুই ভাগে বিভক্ত। ইংরেজের চক্রান্তে নয় প্রকৃতির চক্রান্তে। পদ্মার এপার আর ওপার ভিতরে ভিতরে বিছিন্ন, তা নাহলে ১৯৪৭ এর দেশভাগ এত সহজ হত না।’

সেই সূত্রে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট খুঁজলে বুঝা যায়, বাস্তবতাকে স্বীকার করতে না পেরে ১৯৪৭এর দেশবিভাগের সময় আর্যদের উত্তরসূরির দাবিদার বর্ণহিন্দুরা দেশত্যাগ করেছিল এবং পরবর্তীতে ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধের পর আশরাফ বা খানদানি অবাঙ্গালী মুসলমানরা এদেশ থেকে স্বেচ্ছায় চলে গিয়েছিলেন। এর একটাই কারণ, এরা সবাই এতদঅঞ্চলে বহিরাগত।

বঙ্গবন্ধু তাঁর ২৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনের ১২ বছরের বেশি সময় ছিলেন কারাগারে। তিনি ছিলেন নির্যাতিত ও নিপীড়িত মুক্তিকামী মানুষের নেতা।

স্কুলে পড়াকালেই বঙ্গবন্ধু ছিলেন অত্যন্ত সাহসী ও প্রতিবাদী। পাশাপাশি ছিল মানুষের জন্য মমত্ববোধ। প্রবেশিকা পরীক্ষা পাস করার পর কলকাতায় পড়াশুনা করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে আদর্শের সাথে সমন্বিত করে ধাপে ধাপে এগিয়েছেন। চলার পথ যতই বন্ধুর হোক না কেন, বাঙালির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু এগিয়ে গেছেন। সকল বাধা-প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে সামনের দিকে।

ইতিহাসের মহাসড়কের পথ ধরে বঙ্গবন্ধু নিজস্ব পথ তৈরি করে এগিয়ে গেছেন। তার বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা শুরু মুসলিম লীগের রাজনীতি দিয়ে। তা সত্বেও ধীরে ধীরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে ওঠেন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারক-বাহক। পাকিস্তান সৃষ্টির পর মুসলিম লীগের সামন্ত মানসিকতা ও শ্রেণীচরিত্র প্রত্যক্ষ করে অনেকের মতো তিনিও অনুধাবন করেন যে পাকিস্তান বাঙালি স্বপ্নপূরণে সমর্থ হবে না। আর যে মুসলিম লীগের পতাকাতলে তিনি নিজেও পাকিস্তান সৃষ্টির আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেই মুসলিম লীগের সঙ্গে সম্পর্ক রাখাই হয়তো বেশিদিন সম্ভবপর হবে না।

৪৭এর স্বাধীনতা যে প্রকৃত স্বাধীনতা নয়, তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল এদেশের মানুষের কল্যাণ সাধন এবং স্বাধীনতা ও মুক্তির লক্ষ্যে তাদের চালিত করা। পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মনে সূর্যের আলোর প্রদীপ্ত শিখা প্রজ্জ্বলিত করেছেন, জাতিকে করেছেন আত্মসচেতন, জাগিয়েছেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের বোধশক্তি, দিয়েছেন স্লোগান : ‘জয় বাংলা’।

এবার আসি বাংলাদেশ নামকরণে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে। একাত্তরের চরমপত্রের লেখক এম আর আখতার মুকুলের ভাষ্যমতে, ‘আলোচনার এক পর্যায়ে এসে মুজিব ভাই এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করলেন। বললেন, আমার মনে অনেক প্রশ্ন। ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হওয়ার সময় পাঞ্জাব এবং বেঙ্গল প্রেসিডেন্সী প্রদেশ দুটিও খণ্ডিত হয়ে গেছে। এর পরেও বিরাট ‘কিন্তু’ রয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরা কেউ এই নামটা ছাড়ছে না। কেননা এই নামটার সাথে পাঞ্জাবী ভাষাভাষীদের জাতীয়তাবাদের প্রশ্নটি জড়িয়ে আছে। এ জন্য আজও পর্যন্ত পাঞ্জাব (পি) এবং পাঞ্জাব (আই) শব্দটি চালু রয়েছে।

অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এরকম ব্য ব্যতিক্রম কেন? বিভক্ত বাংলার ভারতীয় অংশকে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ’ হিসাবে আখ্যায়িত করে হাজার বছরের ‘বাংলাদেশ’ এই আদি নামটি দু’দলই ছেড়ে দিয়েছে। এখন আবার ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদকে ভুলিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রে প্রস্তাবিত সংবিধানে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামকরণ করতে চাচ্ছে। কিন্তু আমি তা হতে দিব না। ভারতীয় বাঙ্গালীরা তাদের এলাকার নামবদলের কোনোরকম আন্দোলন শুরু করার আগেই আমাদের জন্মভূমির নাম ‘বাংলাদেশ’ করবোই। না হলে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে অনেক বিলম্ব হয়ে যাবে (চল্লিশ থেকে একাত্তর, এম আর আখতার মুকুল)।

এভাবেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ‘বাংলাদেশ’ নামকরণের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং করাচীতে ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে বক্তৃতায় স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছিলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, ওরা (পাকিস্থান সরকার) “পূর্ব বাংলা” নাম বদলিয়ে “পূর্ব পাকিস্তান” করতে চাচ্ছে। অথচ, আমরা বার বার এই দাবিই করেছি যে, এখন এর নাম শুধু “বাংলাদেশ” করা হোক। বাংলাদেশ শব্দের একটি ইতিহাস রয়েছে এবং এর নিজস্ব ঐতিহ্য বিদ্যমান। আপনারা নাম বদলাতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে গণভোট নিতে হবে। যদি আপনারা এই নাম বদলাতে চান, তাহলে আমাদের বাংলায় ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে হবে তারা এই ধরনের পরিবর্তন মেনে নিবে কিনা।’

বঙ্গবন্ধু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘জুলুম মাত করো ভাই’। তিনি বলেছিলেন, ‘এজন্যই আমি সরকারপক্ষের বন্ধুদের কাছে আবেদন করতে চাই, “জুলুম মাত করো ভাই”। যদি এসব কিছু আপনারা আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে চান তাহলে আমরা বাধ্য হয়ে সংবিধানবিরোধী পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। সংবিধানের বিধি মোতাবেক আপনাদেরকে এগোতে হবে। আপনারা যদি জনসাধারণকে শাসনতান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেন, তাহলে তারা অগণতান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণে বাধ্য হবে। এটাই বিশ্বের সর্বত্র ঘটে থাকে এবং তা বিশ্বের ইতিহাস থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।”

১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’।

এই হচ্ছে বাংলাদেশ নামকরণের কাহিনী। কিন্তু আমাদের প্রজন্ম এই ইতিহাস জানে না। কারণ, জাতির পিতার শাহাদত বরণের পরে ক্ষমতার পট পরিবর্তনে বিপথগামীরা এই ইতিহাস কারো কাছে পৌঁছুতে দেয়নি। সেই পরিবর্তনের গ্লানি টেনেছে বাংলাদেশ ১৯৯৬ পর্যন্ত। তবে বিপথগামীরা সার্থক হয়েছে। কারণ, এখন কিছু হলেই এরা জাতির জনকের সামনে খুনি জিয়াউর রহমানকে সমকক্ষ করে দেখেন। এই ব্যাপারটা যদি জিয়াউর রহমান সাহেব স্বচক্ষে দেখতেন তাহলে তিনিও হয়ত আত্নহত্যা করতেন।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম মহানায়ক। সেরা মুক্তি সংগ্রামী, সেরা রাষ্ট্রনায়ক। জননন্দিত নেতা হিসেবে তার তুলনা ছিলেন তিনি নিজেই। দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা ও দায়বোধ তাকে মহীরূহে পরিণত করেছিল। ব্যক্তি শেখ মুজিব হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। বাঙালি জাতি, বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু সারা বাঙ্গালী জাতির পিতা। তাই জাতির জনকের সঠিক ইতিহাস জানা পুরো জাতির অধিকার।
তথ্য সূত্র :- ইন্টারনেট।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 249 বার)


Print
bdsaradin24.com