“বিশ্ব শিক্ষক দিবসে  শিক্ষার্থীর ভাবনা”

Print
-আজ ৫ ই অক্টোবর।বিশ্ব শিক্ষক দিবস।শিক্ষাই একটি জাতিকে উন্নতির সোপানের মজবুত ভীত গড়ে দেয়।আর পুস্পকোমল প্রজন্মকে আলোকিত পথের সন্ধান দেন মহতী শিক্ষকরা।অন্ধ মস্তিস্ক নিয়ে শিক্ষালয়ে আসে ছাত্ররা।আর সেই অন্ধ মস্তিস্কে আলো ছিটিয়ে দেওয়ার মহৎ কাজটি করেন শিক্ষক রা।আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষার্থী মডেল ফার্মাসিস্ট সারোয়ার হোসেন  অনুভূতি জানাচ্ছেন বিডি সারাদিনের প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ রাসেল কে —
তানভীরঃ  আপনার প্রিয় শিক্ষককে এবং তাঁর প্রতি শিক্ষক দিবসে আপনি কি বলবেন?
ফার্মাসিস্ট সারোয়ার হোসেন-  আমি যার কথা বলছি,তিনি শুধু আমার প্রিয় শিক্ষক ই নন, তিনি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিক্ষক এবং
আদর্শ ফার্মাসিস্ট গড়ার কারিগর ড. আবুল কালাম
লুৎফুল কবীর স্যার।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর এবং সহকারী  প্রক্টর তিনি।
আমাদের  সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এ ক্লাস নিতেন তখন তিনি।অফুরন্ত রসের সমাগম ছিল স্যার এর লেকচার এ।অনেক অনেক জটিল টপিক কে স্যার অনায়াসেই সাবলীল করে শ্রুতিমধুর ভাষায় বুঝাতেন ছাত্রদের।ক্লাসের যে ছাত্রটি ছিল সবচেয়ে অমনোযোগী(আমি),সে ছাত্রটির ও স্যার এর ক্লাসে ছিল গভীর মনোযোগ।প্রতিদিন ই লেকচারের পর স্যার কিছু শিক্ষামূলক সফলতার গল্প বলতেন।আর অমনোযোগী ছাত্রদের প্রতি ও স্যার খুব গভীর নজর রাখতেন।সদা ছাত্রদের সমাজ সেবা করার উপদেশ দিতেন,এখনো দেন।
কোনো ছাত্র স্যার এর চেম্বার এ আসলে, স্যার যত ক্লান্ত বা ব্যস্ত থাকুক না কেন, স্যার সময় দিতেন।আজকে বাংলাদেশে হাজার হাজার এ গ্রেড ফার্মাসিস্ট রা বেকার।স্যার বিভিন্ন সভা,সেমিনার,টেলিভিশন, সংবাদপত্রে সবসময় সরকারকে ফার্মাসিস্ট দের মেধাকে কাজে লাগানোর আহবান জানান।নতুন প্রজন্মের ফার্মাসিস্ট দের নিয়ে সারাক্ষন তিনি ভাবেন, তাদের আলোকিত পথ দেখিয়ে দেন।এবং ফার্মেসি পড়ুয়া ছাত্রদের সবসময় মানব সেবায় নিয়োজিত থাকার শপথ করান।কখনো স্যার শ্রান্ততা এবং ক্লান্ততা কে পাত্তা দেন না।
সবসময় ছাত্রদের ভিন্ন কিছু করে দেখাতে বলেন জব এর পাশাপাশি।স্যার এর মুখে সবচেয়ে বেশিবার যে উপদেশটি পরিলক্ষিত হয় সেটা হল “পড়াশোনা করা আর ভাল জব করা,টাকা ইনকামের জন্য নয়,নিজেকে দেশের জন্য এবং মানবতার সেবার জন্য বিলিয়ে দাও,তবেই তো তোমরা হবে কামিয়াবী।আর তোমাদের সফলতাই তো আমার সফলতা।”
সাদা মনের এই শিক্ষক টি অবলীলায় নিজের নাওয়া খাওয়া ভূলে ছাত্রদের ফিউচার নিয়ে ভাবেন,কিভাবে তাদের মেধাকে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে ভাবেন।আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে তাই আমার প্রিয় শিক্ষক এর প্রতি রইল আমার অফুরন্ত ভালবাসা।
আমার মনে হয়,ড. কবীর স্যারেরা প্রতিদিন জন্ম নেয় না, এক শতাব্দীতে এ রকম স্যার একবার ই জন্ম নেয়।স্যার ছাত্র হতে পেরে, আমি নিজেকে ধন্য মনে করি।দোয়া করবেন স্যার যেন,আপনার উপদেশ গুলো মেনে চলে, দেশ সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারি।

 

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 270 বার)


Print
bdsaradin24.com