ব্লাড প্রেসারের ওষুধে আবারো ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান

Print

ব্লাড প্রেসারের (উচ্চরক্তচাপ) ওষুধে ইউএস এফডিএ চার নম্বর কার্সিনোজেন (ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান) পাওয়া গেছে। ফলে গত গ্রীষ্মের পর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় হার্টের ওষুধে তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে যখন জানা গেল কয়েক লাখ মানুষ প্রতিদিন যে হার্টের ওষুধ খাচ্ছে তাতে রয়েছে ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান। উল্লেখ্য, যেসব ওষুধে কার্সিনোজেন পাওয়া গেছে এগুলো চীন ও ভারতে তৈরী। চীন ও ভারতের কোম্পানিগুলো সারা বিশ্বে দুই-তৃতীয়াংশ ওষুধের উপাদান সরবরাহ করে। গত বছরের জুলাই মাসে কোয়ালিটি কনট্রোল টেস্টে কয়েক লাখ মানুষের মধ্যে এসব কার্সিনোজেন প্রকাশ পেয়েছে। এরপর একটি অনলাইন ফার্মেসি নিরাপদ ঘোষিত আরেকটি ব্লাড প্রেসারের ওষুধে কার্সিনোজেন পেয়েছে।

কমপক্ষে ১০ লাখ আমেরিকান ও ১০ লাখ ইউরোপিয়ান এ ওষুধটি দৈনিক খায়। চীন ও ইন্ডিয়ার যেসব কারখানা এ ওষুধের রাসায়নিক উপাদান তৈরি করে সেখানেই কোয়ালিটি কনট্রোলে তা ধরা পড়ে প্রথম। ধারণা করা হয়, এই দুই দেশই ওষুধের উপাদান তৈরি করে সস্তায় এবং দক্ষতার সাথে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মেসি থেকে সরকারি কর্মকর্তারা এবং ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির লোকেরা বাধ্যতামূলকভাবে ওই ওষুধটি তুলে নিয়েছে। এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি ডেইলি মেইল অনলাইনে ছাপা হয় গত ১৮ জুন।

ব্লাড প্রেসারের ওষুধে কিভাবে ক্যান্সার সৃষ্টির রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেল তা জানিয়েছে এফডিএ। হার্ট ফেইলুর ও হাইপারটেনশনের ওষুধ তৈরির সময় কিছু অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট একসাথে মিশানো হলে এই ক্ষতিকর রাসায়নিকটি তৈরি হয় বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে। এফডিআই বলছে, ওষুধটি ‘রেসেপি’ অনুসারে সতর্কতার সাথে তৈরি করা হলে ওই ক্ষতিকর বাইপ্রোডাক্টটি তৈরির ঝুঁকি থাকত না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিনহাই, চায়না, ঝেজিয়াং হোয়াহাই ফার্মাসিউটিক্যাল ওষুধ তৈরির পর সঠিক উপায়ে পরিষ্কার না করায় এ সমস্যাটি তৈরি হয়েছে।

নোভার্টিসের মতো শীর্ষ সরবরাহকারী কোম্পানির ভালসারটানে ওই ক্ষতিকর রাসায়নিকটি পাওয়া গেছে অনলাইন ফার্মেসি ‘ভেলিসুর’র পরীক্ষায়। গত সপ্তাহে ভেলিসুর তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষাটি এফডিএর কাছে পাঠিয়েছে। ওষুধের বিশ্ব কর্তৃপক্ষ ব্লাড প্রেসারের কিছু ওষুধ বিক্রিতে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে প্রায় এক বছর। যে ওষুধগুলো বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এগুলো হলো চীন ও ভারতে উৎপাদিত ভালসারটান, লোসারটানে মিশ্রিত হওয়া কার্সিনোজেন এন-নাইট্রোসোডিথিলামিন (এনডিইএ) এবং এন-নাইট্রোসোডিমেথিলামিন (এনডিএমএ)।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 33 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com