ভালো নেই সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা

Print

আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদে দুর্যোগ ব্যবস্থানা ও ত্রাণমন্ত্রী ছিলেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম। তিনি ছিলেন চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) আসনের এমপি। ওই সময় তার নির্বাচনী এলাকায় তার ‘একান্ত লোক’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন মতলব উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস। এলাকার নিয়ন্ত্রণ অনেকটা তার হাতেই থাকত।

প্রায়ই মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপাড়ার বাসায় দেখা মিলত তার। মায়া একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের টিকিট পেলেও পরে তা ধরে রাখতে পারেননি। খেলাপি ঋণ নিয়ে জটিলতা থাকায় মায়ার আসনে নৌকার টিকিট তুলে দেওয়া হয় সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল আমিন রুহুলকে। রুহুল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর মায়াকে ত্যাগ করে রুহুলের দলে ভিড়ে গেলেন কুদ্দুস। কুদ্দুসের মতো অনেক নেতাই আর মায়ার আশপাশেও হাঁটেন না।

মতলব উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ কুদ্দুস বলেন, ‘মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া সাহেব দীর্ঘদিন এলাকায় আসেন না। তাই তার সঙ্গে যোগাযোগ কম। এখন বর্তমান এমপি নুরুল আমিন রুহুল ভাইয়ের সঙ্গেই আছি। তিনি যখনই এলাকায় আসেন, তখন তার সঙ্গেই থাকি।’ ঢাকায় মায়া সাহেবের বাসায় আসা হয় কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, দীর্ঘদিন যাওয়া হয় না।’

দশম জাতীয় সংসদে আলোচিত-সমালোচিত এমপি ছিলেন আরিফ খান জয়। তিনি নেত্রকোনা-২ আসন থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েই যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। উপমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তার কয়েক ভাই ও কিছু নেতা-কর্মী মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়াপাড়ায় দাপিয়ে বেড়ান।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 50 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com