রাজপথের এক সাহসী ও সংগ্রামী নারী যোদ্ধা অধ্যাপক অপু উকিল

Print

মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েলঃ
ক্ষণজন্মা পৃথিবীতে যুগে যুগে বিভিন্ন দেশে জন্মগহণ করেছেন অসংখ্য মহীয়সী নারী । দেশ ও জাতির কল্যাণে তাঁরা রেখেছেন অসামান্য অবদান । অন্যান্য দেশের ন্যায় এদেশেও জন্ম হয়েছে অনেক জ্ঞাণী,গুনী,প্রগতিশীল ও রাজনৈতিক সচেতন নারীর । তেমনী বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে;বর্তমানে আধুনিক নারী জাগরণের ক্ষেত্রে-অপরীসীম ভূমিকা রেখে চলেছেন রাজপথের এক সাহসী ও সংগ্রামী নারী যোদ্ধা অধ্যাপক অপু উকিল ।
শরীয়ত পুর জেলার পালং উপজেলার স্বর্ণগোষ গ্রামের মেঠো পথ ধরে শুরু হয়েছিল তাঁর পদচারণার প্রারম্ভিকা । জ্ঞান হবার পর থেকে-তিনি অনন্ত অসীম প্রেমময় দুনিয়ায় মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন ।
পদ্মা পাড়ের কন্যা হিসেবে খ্যাত স্বর্ণ গ্রামের স্বর্ণ কেশরী অপু উকিল । এ বসুমতিতে শুভ রশ্নি ছড়িয়ে ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারী মাতা আভা রানীর ঘোষের ক্রোড়ে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন । অপু উকিলের সেই জন্ম তিথির আলোকিত শুভ রশ্নির বিচ্ছুরণে;পিতা বাসুদেব ঘোষের পলকে যেন ঝলক মেরেছিল-কৃষ্ণ মুকুটের রং ধনুর সাত রং ।
অতপর: মা-বাবার স্নেহ আতিয্যে বড় হতে থাকে প্রিয় দূর্গার আর্শীবাদপুষ্ঠ মানবী অপু । খেলার সাথী আর পড়ার সাথীদের সাথে মিলেমিশে থাকা ছিল তার স্বভাববৈশিষ্ট্য । সময় পরিক্রমায় এক হাতে বীণা ও অন্য হাতে পুস্তকধারিণী,সতত রসে সমৃদ্ধা বিদ্যাদেবী স্বরসতীর আশীর্বাদে লেখাপড়ায় হাতেখড়ি হয় অপু উকিলের ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময় থেকেই মেধাবী ছাত্রী হিসেবে সকলের প্রিয় পাত্র হয়ে ওঠেন তিনি । সকলের প্রিয় অপু ধানুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে প্রথম গ্রেড এ বৃত্তি ও শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে সকলের মুখ উজ্বল করেন । পড়াকালীন সময়ে এ সর্বদাই প্রথম স্থানে থেকে কৃতিত্বের সাথে চলতে থাকে তাঁর পড়াশোনা । মেধাবী ছাত্রী হিসাবে তিনি হতে থাকেন ব্যাপক প্রশংসিত। মাধ্যমিক শিক্ষা জীবনে ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন শরীয়তপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে । সেখান থেকে তিনি বিজ্ঞান বিভাগে এইচ,এস,সি পাশ করেন ।
পরে আরোও অধিকতর শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার বুকে পদার্পন ঘটে অপু উকিলের । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বদরুন্নেসা কলেজ থেকে অর্থনীতিতে বি,এস,এস (অনার্স ) এবং এম,এস ,এস ডিগ্রী লাভ করেন অপু উকিল । শিক্ষা জীবন শেষে মানুষ গড়ারর কারিগর হয়ে তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন । জ্ঞান বিতরণ করা ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ একটি কাজ । তাইতো তিনি অধ্যাপনার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের জাতি গঠনে ভূমিকা পালন করেন।
শৈশব থেকেই অপু উকিল খেলাধুলায় ছিলেন ভীষণ পারদর্শী । তার প্রমাণে কাবাডি,সাঁতার ,ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন বহুবার। খেলাধূলায় পারদর্শী অপু উকিল ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অল রাউন্ডার । স্কুল জীবন থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিতর্ক ,একক অভিনয় ,উপস্থিত বক্তৃতা, রম্যরচনা,গল্প বলা,স্বরচিত কবিতা আবৃতি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রঞণ করে অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন,পেয়েছেন অনেক সনদপত্র ।
অধ্যাপক অপু উকিল শৈশবকাল থেকেই ছিলেন মানবদরদী । বাড়ির পাশে কীত্তিনাশা নদীর পাড়ে যাযাবরদের জীবন যাপন দেখে তার ভিতরে জাগে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ে চিন্তা । অসহায় হত দরিদ্র মানুষদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য তার হৃদয়ে ওঠে দয়ার ঢেউ ।
এছাড়াও জীবে প্রেম করে যেইজন,সেইজন সেবিছে ঈশ্বর মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করে বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজ এবং সাহিত্য সংস্কৃতিকে পরিশুদ্ধ করার জন্য বহু অবদান রেখেছেন। “কবিতার আসর “,”কলমিলতা ” এবং “পানকৌড়ি ” তার নিজ হাতে গড়া সংগঠন । যার মাধ্যমে সমাজের ঝরে পড়া অসহায় জীবের পাশে অপু উকিল শিশুকাল থেকেই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
অপু উকিল মূলত তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন নিবেদিত প্রাণের পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি রাজনৈকি জীবনে বদরুন্নেসা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক,এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন । ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন । স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে মিছিলে শ্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়েছেন তিনি। বদরুন্নেসা কলেজ ছাত্রসংসদে জি,এস পদে নির্বাচন করে জয়ী হলেও ফলাফল আটকে রাখা হয়।
অধ্যাপক অপু উকিলের বায়োগ্রাফি থেকে জানা যায়-২০০২ সালের ৬ জুলাই অপু উকিল বাংলাদেশ যুব মহিলালীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০০৪ সালের ১৬ মার্চ তিনি বাংলাদেশ মহিলালীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জননেত্রী শেখ হাসিনা অপু উকিলকে দ্বিতীয় বারের মতো সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন।
অতীতের রাজপথ কাপাঁনো ছাত্র রাজনীতির আপোষহীণ সংগ্রামী নেত্রী এখনও যুব নারী সমাজের আশা-আকাঙ্খা ও স্বপ্ন অভিযাত্রার নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি জামাত জোটের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিটি মুহূর্তে রাজপথে থেকে প্রতিবাদ,প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন তিনি ।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারী ওয়ান ইলেভেন সরকার অবৈধ ভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে অন্যায় ভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারারুদ্ধ করে। অপু উকিল অবৈধ সরকার এর রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগার থেকে মুক্ত করার জন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। ২০০৮ সালের ২ এপ্রিল সর্বপ্রথম যুব মহিলালীগের পক্ষ থেকে গণ সাক্ষর কর্মসূচি গ্রহণ করেন এবং ২ লক্ষ মা বোনের সাক্ষর লিপি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জমা দেন।
২০০৮ সালের ২৪ মার্চ অপু উকিল যুব মহিলালীগের পক্ষ থেকে সর্বপ্রথম ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামীলীগ অফিসে শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে “গণ অনশন ” কর্মসূচি পালন করেন। ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল তিনি অসুস্থ শেখ হাসিনার মুক্তি এবং সুচিকিৎসার জন্য বিভাগীয় “প্রতিনিধি সভার ” আয়োজন করেন।
গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামের কারনে তাকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। প্রায় অর্ধ শত মামলা তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে। অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। তার শরীরে বিএনপি জামাত জোটের লেলিয়ে দেয়া পুলিশ বাহিনী এবং সন্ত্রাসীদের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জাতির জনকের আদর্শের সাহসী সৈনিক অপু উকিল কখনো সত্য ভাষণ থেকে সরে আসেননি। রাজপথ থেকে বক্তৃতার মঞ্চ, জাতীয় সংসদ থেকে টেলিভিশনের পর্দা সবখানেই তার কণ্ঠের দৃঢ়তায় দীপ্তিময়।
অপু উকিল মহান জাতীয় সংসদের নবম পার্লামেন্টে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি রেল,সেতু এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি চীন,কানাডা,যুক্তরাষ্ট্র ,যুক্তরাজ্য ,নেপাল ,মালয়েশিয়া,ইতালি,জার্মানি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া , সুইজারল্যান্ড ,অস্ট্রেলিয়াতে বিভিন্ন সেমিনার,ওয়ার্কশপ এবং ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন।
অপু উকিল রাজনীতি ও অধ্যাপনা নিয়ে প্রবল ভাবে ব্যাস্ত থাকার পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখি করেন। শিক্ষাজীবনে বাংলার বাণী এবং ইত্তেফাক পত্রিকায় নিয়মিত অপু উকিলের ছোটগল্প এবং স্বরচিত কবিতা প্রকাশিত হতো। ধূসর পান্ডুলিপি,কিংবদন্তি ,”জাতীয় সংসদে সরব অধ্যাপিকা অপু উকিল ” নামে তার তিনটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ ” নামে একটি গ্রন্থের তিনি সম্পাদনা করেছেন।
অপু উকিল একজন বিখ্যাত টক শো ব্যাক্তিত্ব। তিনি নিয়মিত ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার বিভিন্ন প্রোগ্রাম এ অংশ গ্রহণ করে মিডিয়া ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন ।
প্রণয় থেকে পরিণয় সূত্রে অধ্যাপক অপু উকিল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলের সহধর্মিনী । যিনি ছাত্র রাজনীতির একসময়ের আইকন ,ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ,স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম রূপকার। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক। দাম্পত্য জীবনে অসীম-অপু উকিল দুই সন্তানের জনক-জননী। বড় পুত্র সায়ক উকিল ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। কনিষ্ঠ পুত্র শুদ্ধ উকিল কানাডায় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে।
আবাল বৃদ্ধ বণিতার প্রিয় মানুষ অপু উকিল । নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া এবং আটপাড়া উপজেলার মানুষের জন্য রয়েছে তাঁর অন্তহীন ভালোবাসা । এই ভাটিবাংলার জনগণ সব সময় ভালো থাকুক ,সুখে থাকুক এটাই অধ্যাপক অপু উকিলের পরম চাওয়া ।
অবশ্য এ এলাকার মানুষেরও অপু উকিলের প্রতি রয়েছে অগাধ ভালবাসা । যার ফলশ্রুতিতে কেন্দুয়া উপজেলার পৌর সদরের সাউদপাড়াস্থ নিজ বাড়ি উকিল বাড়ীতে অসীম-অপু উকিল এলেই নামে গণমানুষের ঢল ও ঘটে জনস্রোত ।
মানব দরদী স্বপ্নচারী মানুষ অপু উকিল । তিনি সব সময় স্বপ্ন দেখেন-একদিন বাংলাদেশের প্রতিটি নারী হবে শিক্ষা ,সংস্কৃতি ,মেধা মননে সত্যিকার অর্থেই আধুনিক ।
অধ্যাপক অপু উকিল ডিজিটাল যুগের বাংলাদেশে -সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব । ফলে দেশ বিদেশে তার ভক্ত সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে । অপু উকিলের ফেসবুকে ফলোয়ার্স রয়েছে ২ লক্ষ ১ হাজার ৯ শত ৫১ জন । অধ্যাপিকা অপু উকিল লাইক পেইজের লাইকার রয়েছে ৫ লক্ষ ২২ হাজার ৯১৮ জন । টুইটার ফলোয়ার ৪৫৫ জন । গুগল প্লাস ফলোয়ারের সংখ্যা ৪৮ । লিংকদিন ফলোয়ার ৫০ জন । এতে প্রতীয়মান হয় দিন দিন এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধিই পেতে থাকবে । এছাড়াও কেন্দুয়া আটপাড়া এলাকায় যে কোন দলের হেভিওয়েট নেতাকর্মীদের চেয়েও অপু উকিল অধিক জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব ।
তাই অনেকেই বলেন-দুষ্টের দমন শিষ্টের পালনে কলি যুগের কৃষ্ণ অধ্যাপক অপু উকিল । কেননা জাতি ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে অগনিত আবাল-বৃদ্ধ বণিতা,নারী-পুরুষসহ অজস্র জনমানুষের ভাললাগা-ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মানুষ অধ্যাপক অপু উকিল ।
সর্বোপুরি স্বর্ণ ঘোষ গ্রামের স্বর্ণ কেশরী অপু উকিল বাংলাদেশের রাজপথের এক সাহসী ও সংগ্রামী নারী যোদ্ধা ।
রাজপথের সাহসী ও সংগ্রামী নারী যোদ্ধা অধ্যাপক অপু উকিল তাঁর সীমাহীন ত্যাগ-তীতিক্ষার জন্য আগামীদিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে যথার্থ মূল্যায়ন পাবেন–প্রধানমন্ত্রীর নিকট এমনটাই সকলের প্রত্যাশা ।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 612 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com