শার্শার রুদ্রপুর দোকানীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা আটক-২

Print

যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর বাজারে দিন দুপুরে এক দোকানিকে কুপিয়ে ও বোমা হামলা করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর স্বজনরা। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে
বৃহস্পতিবার(২৫-০৭-১৯) সকালে রুদ্রপুর বাজারে মিষ্টির ময়রা রফিকুল ইসলাম রফু(৪৫)কে দিনদুপুরে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে একই গ্রামের মৃত জেহের আলীর দুই ছেলে বিল্লাল(৩০) ও জুলু(২৭) তারা বোমা, পিস্তল ও হেসোদা নিয়ে ময়রা রফুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।

রফু ময়রার ছেলে সাইফুল অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবার সকালে জুলু ও বিল্লাল এলোপাতাড়ি ভাবে কোপাতে থাকে। তাদের কাছে বোমা, পিস্তল,হেসোদা ছিলো। আমরা বাজারের লোকজন মিলে তাদের ধরে মেম্বরের কাছে বিল্লাল ও জুলুকে বোমা, হেসোদা ও পিস্তলসহ হবিবর মেম্বরের জিম্মায় দিয়ে আসি এবং বিচার দাবি করি। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরে মেম্বরকে এদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলে ওরা তো পালিয়ে গেছে। পরবর্তীতে আমরা স্থানীয় লোকজন মিলে মাঠের ভিতর থেকে ২টি বোমা ও ১ হেসোদাসহ আবারও ধরে ফেলি এবং পুলিশে ফোন দিয়ে তাদের হাতে তুলে দিই। প্রথমবার মেম্বর হবিবরের সহযোগিতায় তারা পালিয়ে যায়।কারন তারা মেম্বরের নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর ছেলে সাইফুল। সেই সুযোগে তাদের কাছে থাকা পিস্তল টি সরিয়ে রাখে। এ বিষয়ে রুদ্রপুর স্থানীয় মেম্বর হবিবর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বাজারে গিয়ে দেখি হট্টগোল হচ্ছে, কিছু দূর গিয়ে দেখি রফু ময়রার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে এবং বিল্লাল ও জুলুকে লোকজন ধরে আমার ক্লাবে নিয়ে আসছে। আমি তাদের ক্লাবে রেখে পাশে চা খেতে গেলে তারা কৌশলে পালিয়ে যায়। তারপর বাজারের স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদের ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিই। এ বিষয়ে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের এস আই আব্দুর রহিম হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিল্লাল ও জুলুকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের কাছ থেকে ২টি তাজা বোমা ও ১ টি হেসোদা উদ্ধার করি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে। মামলা নাম্বার ৪৩।

রফু ময়রার ছেলে সাইফুল অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবার সকালে জুলু ও বিল্লাল এলোপাতাড়ি ভাবে কোপাতে থাকে। তাদের কাছে বোমা, পিস্তল,হেসোদা ছিলো। আমরা বাজারের লোকজন মিলে তাদের ধরে মেম্বরের কাছে বিল্লাল ও জুলুকে বোমা, হেসোদা ও পিস্তলসহ হবিবর মেম্বরের জিম্মায় দিয়ে আসি এবং বিচার দাবি করি। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরে মেম্বরকে এদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলে ওরা তো পালিয়ে গেছে। পরবর্তীতে আমরা স্থানীয় লোকজন মিলে মাঠের ভিতর থেকে ২টি বোমা ও ১ হেসোদাসহ আবারও ধরে ফেলি এবং পুলিশে ফোন দিয়ে তাদের হাতে তুলে দিই। প্রথমবার মেম্বর হবিবরের সহযোগিতায় তারা পালিয়ে যায়।কারন তারা মেম্বরের নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর ছেলে সাইফুল। সেই সুযোগে তাদের কাছে থাকা পিস্তল টি সরিয়ে রাখে।

এ বিষয়ে রুদ্রপুর স্থানীয় মেম্বর হবিবর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বাজারে গিয়ে দেখি হট্টগোল হচ্ছে, কিছু দূর গিয়ে দেখি রফু ময়রার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে এবং বিল্লাল ও জুলুকে লোকজন ধরে আমার ক্লাবে নিয়ে আসছে। আমি তাদের ক্লাবে রেখে পাশে চা খেতে গেলে তারা কৌশলে পালিয়ে যায়। তারপর বাজারের স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদের ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিই। এ বিষয়ে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের এস আই আব্দুর রহিম হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিল্লাল ও জুলুকে আটক করতে সক্ষম হই। তাদের কাছ থেকে ২টি তাজা বোমা ও ১ টি হেসোদা উদ্ধার করি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে। মামলা নাম্বার ৪৩।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 63 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com