শুভ জন্মদিন, বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ওপেনার “তামিম ইকবাল খান”

Print

শুভ জন্মদিন বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ওপেনার বাংলার ব্যাটিং রাজপুত্র “#তামিমইকবালখান”🎂

১৯৮৯ সালের আজকের এই দিনে চট্টগ্রামের বিখ্যাত খান পরিবারে এক গর্বিত মায়ের কোল আলো করে আসে তার ছোট পুত্র তামিম ইকবাল খান। পিতা ইকবাল খান ছিলেন ক্রিকেটার। আর বাংলাদেশকে আইসিসি ট্রফি জেতানো সাবেক অধিনায়ক তার চাচা আকরাম খানকে চিনে না এমন ক্রিকেট ভক্ত খুজে পাওয়া দুরহ ব্যাপার। ভাই নাফিস ইকবালও গায়ে জড়িয়েছেন লাল সবুজের গর্বমাখা কাপড়।

ক্রিকেট রিলেটেড পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় কিশোর বয়স থেকেই বাবার হাত ধরে তার ক্রিকেট জগতে পদার্পন। বাবা স্বপ্ন দেখাতেন ক্রিকেটার হতে, কিন্ত খুব অল্প বয়সে বাবা চলে গেলেও থেমে থাকে নি তার দেখানো স্বপ্নটা। অল্প বয়সেই অন্যরকম ব্যাটিং ধরনের এর জন্য আলোচনায় আসেন কিশোর তামিম । মাত্র ১৫ বছর বয়সে ওই সময়ের ক্লাব কর্তাদের চাওয়ায় প্রথম বিভাগে অভিষেক হয় তার ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে।

ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ডাক পান অনুর্ধ্ব-১৯ দলে।২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটে ইংল্যান্ড এর বিপক্ষে মাত্র ৭১ বলে ১১২ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলে নিজেকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসেন তামিম। ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয় এই দেশসেরা ওপেনারের।

শুরুর দিকে ব্যাটে চলতে থাকে বসন্ত একের পর এক খুনে মেজাজি ইনিংস খেলে তাক লাগিয়ে দিতে থাকেন ক্রিকেট বিশ্বকে। লর্ডস থেকে মিরপুর সবখানেই তার ব্যাটিং দর্শনে মুগ্ধ হতে থাকে বাংলার ক্রিকেটপাগলরা। কিন্ত মাঝে যেন খেই হারায় তামিম নামক তরী।অনেকে বলতে থাকেন চাচার জোরে খেলেন দলে। তার জন্যই উদ্ভব হয় বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় বিদ্রুপবাক্য “কালা না পারা”।

কিন্ত ২০১৫ সাল যেন ফিরিয়ে দেয় নতুন এক তামিমকে। আগের সেই খুনে মেজাজকে মাটি চাপা দিয়ে যেন ধৈর্যের প্রতিমুর্তিতে রুপান্তর হতে থাকেন ক্রমশ। বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৫ রান করে আউট হয়ে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়কর সুযোগ হারালেও। দেশে ফিরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা ৩ সেঞ্চুরিতে ইতিহাসে নাম লেখান তামিম। তারপর আর কখনোই একবারের জন্যও পিছনে তাকাতে হয় নি। বনে গেছেন বাংলাদেশের হয়ে সব ফর্মেটে সর্বোচ্চ রানের মালিক। ২০০৭ সাল থেকে অনেক ওপেনার এসেছেন আবার চলেও গেছেন, কিন্তু একজন তার স্থানে রয়েছেন অবিচল।

বর্তমান আইসিসি র্যাঙ্কিং এ টেস্টে ২৫ তম এবং ওয়ানডেতে ১৯ তম ব্যাটসম্যান বুমবুম তামিম #ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১১ টি শতক ও ৪৪ টি ফিফটির সাহায্যে করেছেন ৬৪৬০ রান। #টেস্টে ৯ টি শতক ও ২৭ টি ফিফটিতে ৪৩২৭ রান। আর #টি২০ বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান ১ টি শতক ও ৬ টি ফিফটিতে ঝুলিতে পুরেছেন ১৬১৩ রান।

শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম এক স্তম্ভ। বাংলাদেশ ক্রিকেটে একজন তামিমের অবদান শুধু তার পারফর্ম দিয়েই বিবেচনা করা যায় না। তামিম তো আজ কোটি বাংলাদেশি কিশোরের আকাঙ্খা ।তাকে ঘিরে স্বপ্ন দেখে ১৭ কোটি বাঙালি। হয়তো একদিন বাংলাদেশকে জেতাবেন ট্রফি নামক এক সোনার হরিণ।

ব্যাক্তিগত জীবনে আয়েশা ভাবি, আরহাম আব্বু আর মা ও পরিবারের সবাইকে নিয়ে অনেক অনেক সুখী থাকবেন জনাব খান। আর অন্তরের অন্তস্থল হতে নিসৃত ভালোবাসা নিবেন।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 89 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com