সময়ানুবর্তিতা অসীম কুমার উকিল এমপির বড় গুণ

Print

মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েলঃসময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতা থেকে শৃঙ্খলার জন্ম। যে সমাজ নিয়ম অনুসারে চলে না, বা নিয়ম মানে না, সে সমাজে কোনো শৃঙ্খলাও থাকে না। অথচ, সুশৃঙ্খল না হলে মানুষের পক্ষে আত্মরক্ষা করা সম্ভব নয়, পদে পদে তার জীবন হয় বিপর্যস্ত বা বিড়ম্বিত। বিশ্বপ্রকৃতির সকল কিছুই সুনির্দিষ্ট কোন না কোন নিয়মকে অনুসরণ করে চলেছে । সেই নিয়মের ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনা-৩( আটপাড়া-কেন্দুয়া)আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপির সবচেয়ে বড় গুণ সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতা । তিনি ভাবাগের চেয়ে নীতিবোধটাকেই সব সময় বড় করে দেখেন । সময়ানুবর্তিতা ও নিজের দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার কারণে অসীম কুমার উকিল এমপির সুনাম ও যশ বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন । কেন্দুয়া-আটপাড়া নির্বাচনী এলাকার জন মানুষের মুখে মুখে শুরু হয়েছে তাঁর জয়গান । এমপি অসীম কুমার উকিলের ক্ষেত্রে এ দুটি গুণ, যা বাঙালির চরিত্রে দুর্লভ-অপরিহার্য হয়ে ওঠেছে –সময়জ্ঞান ও কর্তব্যনিষ্ঠা।

কেন্দুয়া-আটপাড়ার দলীয় নেতাকর্মী ও গণমানুষের মুখে তার এসব গুণের কথা যত শুনেছি ততটা দেখার বা বোঝার সুযোগও হয়েছে আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে ।তাঁর গুণগুলো এখানে বাড়িয়ে বলা হচ্ছে এমনটি নয়, প্রকৃত পক্ষে বাস্তব চিত্রটাই এমন । নিজের স্বভাব, আচরণ ও কাজের মাধ্যমেই অসীম কুমার উকিল এমপি দৃষ্টান্ত তৈরি করে চলেছেন, এ তাঁরই অর্জন। এর ভিত্তি পাকা, এ হলো নিজের যোগ্যতায় ও গুণে অর্জিত চারিত্র-বিভা। যে মানুষ ভিতর থেকে এই চারিত্র্যশক্তিতে বলীয়ান তাকে হেঁট করা যায় না, টলানো অসম্ভব।
এই পৃথিবীতে প্রত্যেক কাজের একটা উদ্দেশ্য, একটা কাল ওএকটা সময় আছে।’ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করাই সময়ের সদ্ব্যবহারকারী ব্যক্তির লক্ষণ। আর যে ব্যক্তি সময়ানুবর্তী, তার জীবনে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী।

সময়ের কাজ সময়ে করা৷ সময়ের যথাযথ মূল্য দেওয়া৷ এই বিষয়গুলোকে সাফল্যের চাবিকাঠি বলা হয়ে থাকে৷ কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমরা ক’জন পারি এই কথাগুলোকে সঠিকভাবে মেনে চলতে! তবে নেত্রকোনা্-৩ আসনের এমপি অসীম কুমার উকিল তা পেরেছেন এবং ধারাবাহিকভাবে তা পালন করে চলেছেন ।

সৌর বছরে ৩৬৫ দিন আর চন্দ্র বছরে ৩৫৪ দিন। ঘণ্টার হিসেবে ২৪ ঘণ্টা এবং মিনিটের হিসাবের দিক দিয়ে ১৪৪০ মিনিট। এ সময় হতে এক ঘন্টা বা এক মিনিট চলে যাওয়া মানে প্রকৃত পক্ষে জীবনের একটা মূল্যবান অংশ কমে যাওয়া। যা অসীম কুমার উকিল হৃদয়ঙ্গম করতে সক্ষম হয়েছেন । তাইতো তিনি অহরহ প্রতিকূলতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে কেন্দুয়া-আটপাড়ার উন্নয়নের লক্ষ্যে অবিরতভাবে সময়ের সদ্বব্যবহার করে চলেছেন । সময়ের সদ্ব্যব্যবহারের জন্য অসীম কুমার উকিলের তুলনা তিনি নিজেই ।

তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষের সার্বিক কল্যাণ, চিন্তা ও পরকালীন সুখ সমৃদ্ধির বিষয় সামনে রেখে মানুষকে সময়ের গুরুত্ব অনুধাবন, এর সদ্ব্যবহার ও ফলপ্রসূ ব্যবস্থাপনার নির্দেশ প্রদানের উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অসীম কুমার উকিল এমপি ।

অসীম কুমার উকিলের প্রতিটি কর্মকান্ডের দিকে গভীরভাবে মনোনিবেশন করলে উপলদ্ধি করা যায়- তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন-Time is a measure in which events can be ordered from the past through the present into the future, and also the measure of durations of events and the intervals between them.

অসীম কুমার উকিল এমপি অভীষ্ট উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সময়ের যথাযথ ব্যবহার করেন। যা প্রত্যেক ব্যক্তিরই গ্রহণ করা উচিত সুনির্দিষ্ট সময় পরিকল্পনা।

 

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 337 বার)


Print
bdsaradin24.com