সৃজনশীলে ধুঁকছেন শিক্ষক

Print

প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মুখস্থ বিদ্যার প্রতিফলন ঘটে; মেধা ও দক্ষতার নয়। এতে করে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়; বিভিন্ন স্তর অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব মূল্যায়ন করা সম্ভব হয় না। এমন অনুধাবন থেকে শিক্ষার্থীদের মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ২০০৮ সাল থেকে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করে সরকার। কিন্তু এ প্রশ্ন-পদ্ধতি চালুর পর ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সুফল মিলছে না। কেন? এমন প্রশ্নে সংশ্লিষ্টরা বলছেন শিক্ষকদের যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তা প্রায়োগিক ক্ষেত্রের জন্য খুবই অপ্রতুল। উপরন্তু রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নিয়মিত চর্চার অভাব। এসব কারণে ১০ বছর পেরিয়ে এসেও সৃজনশীলতায় দক্ষতা অর্জন করতে পারেননি অধিকাংশ শিক্ষক; বাইরে থেকে সংগৃহীত প্রশ্নে পরীক্ষা নিতে হচ্ছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সব মিলিয়ে যে উদ্দেশ্যে সৃজনশীলতার যাত্রা শুরু, এতদিন পরও সেই উদ্দেশ্য থেকে গেছে অধরা। এখনো সৃজনশীলতা নিয়ে ধুঁকছেন শিক্ষকরা। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তা খুবই উদ্বেগজনক।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ একাডেমিক সুপারভিশন প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের ৬৫.২০ শতাংশ সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন করতে পারেন।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin24@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 67 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
bdsaradin24.com