পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত ‘ম্যাক্স হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ এক নবজাতকের পা ভেঙে ফেলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এই হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের ফটো থেরাপি কক্ষে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী নবজাতকের স্বজনদের দাবি, নার্সের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার কারণেই তিন দিন বয়সী শিশুটির পা ভেঙে গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বাসিন্দা রেজাউলের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার কনা সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমার তত্ত্বাবধানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পর নবজাতকের চোখে হলদে ভাব দেখা দিলে মঙ্গলবার সকালে তাকে ফটো থেরাপি দেওয়ার জন্য থেরাপি কক্ষে নিয়ে যান এক নার্স। সেখানে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই শিশুটি অস্বাভাবিকভাবে উচ্চস্বরে কান্না শুরু করে। পরে এক্স-রে পরীক্ষায় শিশুটির পা ভাঙার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
বিয়ের দীর্ঘ ছয় বছর পর প্রথম সন্তানের বাবা-মা হওয়া রেজাউল ও জান্নাতি আক্তার কনা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। মা জান্নাতি আক্তার অভিযোগ করেন, সুস্থ সন্তানকে থেরাপি দিতে নিয়ে গিয়ে নার্স পা ভেঙে ফেলেছেন। তিনি আরও জানান, পা ভাঙার বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি, এমনকি এক্স-রে রিপোর্টও শুরুতে গোপন করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে অন্য কোনো পরিবার যেন এমন অবহেলার শিকার না হয়, সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট নার্সের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানার অংশীদার নাহিদ জানান, নবজাতকের পা ঠিক কীভাবে ভেঙেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আহত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করবে। অন্যদিকে, কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তেনমং জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ‘ম্যাক্স হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর প্রসূতি ওয়ার্ডের ফটো থেরাপি কক্ষে ঘটনাটি ঘটে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পটুয়াখালী (উপকূল) প্রতিনিধি ||। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখান নেওয়ার কিছু সময় পরেই নবজাতকটি উচ্চস্বরে কান্না শুরু করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপরে তারা এক্সরে করে জানতে পারেন নবজাতকটির পা ভেঙে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সন্তানের চোখের রং পরিবর্তনের কারণে এক নার্স তাপ দিতে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙেছে আমার সন্তানে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা কতটা নিষ্ঠুর পা ভেঙে যাওয়ার পরেও আমাদের কিছু জানায়নি।
সূত্র: রাইজিংবিডি
