বিদেশে পড়াশোনা শেষে চাকরি: ভুয়া নিয়োগ ও ভিসা স্পনসরশিপের ফাঁদ চিনবেন যেভাবে

প্রিন্ট
বিদেশে পড়াশোনা শেষে চাকরি: ভুয়া নিয়োগ ও ভিসা স্পনসরশিপের ফাঁদ চিনবেন যেভাবে
অডিও নিউজ
স্বয়ংক্রিয় পাঠ—ডিভাইসের সেরা উপলভ্য ভয়েস ব্যবহার করবে।
00:00 00:00
অডিও প্রস্তুত।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা শেষ করে গন্তব্য দেশের শ্রমবাজারে প্রবেশ করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কাঙ্ক্ষিত ধাপ। তবে এই স্বপ্নকে পুঁজি করে এক শ্রেণির চক্র বিভিন্ন ভুয়া চাকরির অফার ও প্রতারণামূলক ভিসা স্পনসরশিপের ফাঁদ পেতে বসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মেসেজিং অ্যাপে লোভনীয় সুযোগ দেখলে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে সবসময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কোনো লোভনীয় চাকরির বিজ্ঞাপন চোখে পড়লেই সবার আগে সেটির সত্যতা নিশ্চিত করা আবশ্যক। শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের ওপর ভিত্তি করে আবেদন না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ক্যারিয়ার পেজ ভিজিট করে দেখতে হবে সেখানে সত্যিই ওই পদটি খালি রয়েছে কি না। তাছাড়া দায়িত্ব ও আবেদনের শর্তগুলো কোম্পানির মূল ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

পেশাদার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে কখনোই কোনো ধরনের ফি বা টাকা চাওয়া হয় না, কারণ নিয়োগকর্তারাই সাধারণত এসব খরচ বহন করে। তাই ভিসা স্পনসরশিপ বা চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে কোনো পক্ষ অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে তা বর্জন করা উচিত। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোনো সংশয় তৈরি হলে প্রার্থীরা নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেন্টার বা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সহায়তা উইংয়ের পরামর্শ নিতে পারেন।

একশ ভাগ নিশ্চিত ভিসা বা গ্যারান্টিযুক্ত ওয়ার্ক পারমিটের মতো বড় বড় প্রতিশ্রুতি শুনলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। মূলত অভিবাসন নীতি, প্রার্থীর দক্ষতা এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে ভিসার বিষয়টি, তাই অর্থ দিয়ে নিশ্চিত চাকরির নিশ্চয়তা পাওয়ার দাবিগুলো সাধারণত প্রতারণামূলক হয়ে থাকে। এছাড়া নামী কোম্পানির নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিগত জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে ইমেল পাঠানো হলে কোম্পানির অফিশিয়াল ডোমেইন ও লিংকডইন প্রোফাইল যাচাই করে দেখা উচিত।

কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার কিংবা মূল্যায়ন পর্ব ছাড়াই যদি এক বা দুই দিনের মধ্যে সরাসরি চাকরির চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হয়, তবে বুঝতে হবে সেখানে কোনো গোলমাল রয়েছে। বৈধতা যাচাই করার আগে কখনোই কোনো সংবেদনশীল তথ্য যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা পাসপোর্টের কপি অপরিচিত কাউকে দেওয়া উচিত নয়। সামান্য কিছু সতর্কতা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি ও বড় রকমের প্রতারণার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারেন।

Facebook Comments Box

অটো ফটো কার্ড

একটি পেশাদার standard social-news card।

1080 × 1080 px
ফটো কার্ড এখনো তৈরি হয়নি দেওয়া sample-এর মতো square HD card তৈরি হবে।
অটো ফটো কার্ড
নিচের বিজ্ঞাপন ব্যানার সাইটের বর্তমান horizontal banner স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহার হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ভিডিও গ্যালারি প্রিন্ট