ডিজিটাল নম্বর পেস্নটের ষোল আনাই মিছে!

Print

চুরি প্রতিরোধসহ যানবাহনের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি এবং এ খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বছর ছয়েক আগে থেকে বিআরটিএ গাড়িতে ডিজিটাল নম্বর পেস্নট ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) স্টিকার লাগানো শুরম্ন করলেও এর সামান্য সুফল এখনো মেলেনি। অথচ শুধুমাত্র এ কাজের জন্য সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষ এরইমধ্যে যানবাহনের মালিকদের কাছ থেকে প্রায় পৌনে ছয়শ’ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। এ খাতে এখনো প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা আদায় করা হচ্ছে। তবে এর বিপরীতে কবে নাগাদ প্রাপ্য সুবিধা কতটা দেয়া যাবে তা নিয়ে খোদ বিশেষজ্ঞরা এখনো ঘোর অন্ধকারে।

অথচ শুধুমাত্র সময়মতো ও সুষ্ঠুভাবে রেক্ট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বরপেস্নট, আরএফআইডি ট্যাগ এবং স্মার্ট রেজিস্ট্রেশন কার্ড বা ভেহিকল ওনারশিপ কার্ড সম্পন্ন করতে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন বিএমটিএফকে এ প্রকল্পের গোটা কাজটি দেয়া হয়েছে। যদিও উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এ কাজ দেয়া হলে গ্রাহকরা আরও কম টাকায় এই সেবা পেত।

ওই সময় যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন, ‘এত বড় কাজ সময়মতো ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিএমটিএফকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে করতে গেলে সময় বেশি লাগত এবং পুরো বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে পড়ার আশঙ্কা ছিল।’

পরিবহন সংশিস্নষ্টরা বলছেন, এ প্রকল্পের ষোলো আনাই মিছে। শ্রেফ ভাওতাবাজি দিয়ে বিআরটিএ পরিবহন মালিকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও জবাবদিহিতা না থাকায় এ প্রকল্প সফলতার মুখ দেখেনি। সহসাই তেমন কিছু হবে সে সম্ভাবনা ক্ষীণ।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 110 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ