ঢাবি নিয়ে শেখ হাসিনার দুঃখ

Print

বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এই দুঃখ বরাবর থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে নবনির্মিত ৭ মার্চ ভবন উদ্বোধন করতে গিয়ে এ কথা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। ছাত্র জীবনে এই হলটিতেই থাকতেন তিনি। আর সেখানেই এই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়াটাও গর্বের বলে জানান তিনি।

শেখ হাসিনা জানান, তার আপন ভাই শেখ কামালও ছাড়াও মামাত ভাই প্রয়াত শেখ ফজলুল হক মনি, শেখ ফজলুল করিম সেলিমও এই বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করেছেন। তবে তার নিজের ডিগ্রিটা শেষ করতে না পারার দুঃখ রয়ে গেছে।

‘দুঃখটা এটাই, আবার বাবাও তার পড়াশোনাটা শেষ করতে পারেননি, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আর আমার ভাগ্যে জুটেছিল এটা যে আমি ৭৫ এ যখন জার্মানিতে চলে যাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবেই।’

‘মাত্র ১৫ দিন আগে (১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের আগে) আমি দেশ ছেড়েছিলাম। এরপর ছয় বছর আর ফিরে আসতে পারিনি। আমি মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু তা আর সমাপ্ত করতে পারিনি। আমার সে শিক্ষা অধরাই থেকে গেল। এই দুঃখটা আমার মনে সব সময় আছে, আমার মনে সব সময় থাকবে।’

শেখ হাসিনার বাবা বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান আমলে ১৯৪৯ সালে আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র থাকাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য আন্দোলনে নেমে পাওয়া এই শাস্তি অবশ্য এড়াতে পারতেন জাতির জনক। কিন্তু তিনি ১৫ টাকা জরিমানা দিতে রাজি হননি। ফলে আর পড়াশোনাও করা হয়নি তার।

৬১ বছর পর ২০১০ সালের ১৪ আগস্ট সে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 203 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ