সব জায়গাতেই দুই নম্বরে ভরে গেছে

Print

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, সব জায়গাতেই দুই নম্বরে ভরে গেছে। দুই নম্বরের ঠেলায় এখন আর এক নম্বররা সামনে আসতে পারে না। আমি মাঝে মধ্যে হতাশ হয়ে যাই। ভণ্ডরা রাজনীতিতে এসে বড় বড় কথা বলে। সত্য কথা বলার সাহস না থাকলে রাজনীতি করার দরকার নেই। যাত্রা করা উচিত। জন সমর্থন ছাড়া সন্ত্রাসী করা যায় কিন্তু রাজনীতি করা যায় না।

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে আমি অরজিনাল মুক্তিযোদ্ধা দেখি, হাঁটতে পারে না, চলতে পারে না। ঘরে খাওয়া নাই।

আর যারা মুক্তিযোদ্ধার পর বেনিফিট নিয়েছে তারা ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলায়।

গতকাল বিকালে ফতুল্লার বক্তাবলীর কানাইনগর এলাকায় ‘বক্তাবলী গণহত্যা দিবস’র আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, অরজিনাল মুক্তিযোদ্ধারা কোনো সময় নিজের নাম বেচে না। আমার বাবা, আমার ভাই সবাই মুক্তিযোদ্ধা। আজকে আমারও শহীদ পরিবার হওয়ার কথা। কিন্তু লাকিলি আমরা শহীদ পরিবারের সন্তান না অথবা আনলাকিলি।

তিনি আরো বলেন, দেশে মহাষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র হলো জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনাকে হটানোর ষড়যন্ত্র। আমি বেঁচে না থাকলে কিছু হবে না কিন্তু নেত্রী না থাকলে অনেক সমস্যা হবে। প্রধানমন্ত্রীকে বাঁচাতে হবে।

‘আমি মরে গেলে কিছু আসবে যাবে না। হয়তো কেউ দুই চারদিন কাঁদবে, কেউ আবার খুশিই হবে’ উল্লেখ করে শামীম ওসমান বলেন, আমি গভীর ভাবে চিন্তা করি, রাতের বেলা উঠে নামাজ পড়ি ওনার জন্য। যে, এই মহিলার (প্রধানমন্ত্রী) যদি কিছু হয়ে যায়! বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরে দেশ ৫০ বছর পিছিয়ে গেছে। আজকে আমাদের প্রতিযোগিতা থাকার কথা সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়ার উপরে, জাপানির সঙ্গে। সেখানে আমরা কোথায় চলে গিয়েছিলাম?

তিনি বলেন, কত বড় ইমানদার জাতি আমরা। যে লোকটা সারাজীবন সংগ্রাম করে দেশটা স্বাধীন করলো, সে লোকটাকে একরাতে সবাইকেসহ মেরে ফেললাম! আমরাই তো মারছি। বাইরের লোক তো এসে মারে নাই। পাকিস্তান সাহস পায় নাই মারতে। আমরা বাঙালিরাই মারলাম। তার পুরো বংশ নির্বংশ করে ফেললাম। দুুটি মেয়ে দেশের বাইরে ছিলেন তাই বেঁচে গেছেন। আমি তাকে (শেখ হাসিনা) ভালোবাসি কেবল আওয়ামী লীগের নেত্রী হিসেবে না। আমি কয়দিন রাজনীতি করবো, এমপিগিরি করবো আমি নিজেও জানি না। আমি স্বাধীনচেতা মানুষ। রাজনীতি করতে আসছি, ধান্ধা করতে আসি নাই।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা বারিক, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, শওকত আলী, ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন প্রমুখ।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 100 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ