নারীর ক্ষমতায়নে বিস্ময়কর রেকর্ড

Print

নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিস্ময়কর নবজাগরণ ঘটেছে। ৩৯ বছর সংগ্রামমুখর রাজনৈতিক জীবনে তিনি চারবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনবার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। বিরোধী দলে থাকাকালীন সামরিক শাসনের অবসান ঘটাতে সাহসী নেতৃত্বের ভূমিকা যেমন রাখেন তেমনি ’৯০-উত্তর পঞ্চম সংসদে বিরোধী দলের নেতার আসনে বসে সংসদীয় গণতন্ত্রে দেশের শাসন ব্যবস্থা প্রত্যাবর্তনে অনন্য সাধারণ নেতৃত্ব দেন।

নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য এ বছর মার্চে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে শেখ হাসিনাকে লাইফ টাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-এ ভূষিত করে ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান উইমেন। বার্লিনে ৭ মার্চ সেখানকার রাষ্ট্রদূত এ পদক গ্রহণ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট শান্তি, গণতন্ত্র ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পর্যায়ের পদক প্রদান করে। বার্মার গণহত্যার মুখে পালিয়ে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিলে পশ্চিমা গণমাধ্যম তাকে ‘বিশ্ব মানবতার জননী’ বলে আখ্যায়িত করে। বিশ্ব রাজনীতিতে তার এই অবদানকে সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বের পরিচয় বলে ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। সম্প্রতি বিশ্বনন্দিত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস বিশ্বের একশ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ২৯ নম্বর আলোকিত নেতা হিসেবে তাকে তুলে আনে। তার প্রথম শাসনামলে বিশ্বরাজনীতির আলোকিত কিংবদন্তি নেলসন ম্যান্ডেলা, ইয়াসির আরাফাত ও সুলেমান ডেমিরেলকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনও। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনায় দুই দশকের সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বের নজরই কাড়েননি, ইউনেস্কো তাকে ‘হোপে বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ইউনেস্কোর পরিচালক ’৯৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পদক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘জাতি গঠনে আপনার পিতার অনুসৃত পথ অবলম্বন করে আপনি দেশকে শান্তি ও পুনর্মিলনের পথে নিয়ে গেছেন। দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনার উদ্যোগ ও নিষ্ঠা বিশ্বের শান্তির সংস্কৃতির দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 60 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ