বল গোলাকার করার প্রয়াসে ৩২ টুকরা থেকে ৬ প্যানেল

Print

বল নিখুঁত ও আধুনিক করার প্রয়াস চলে আসছে শুরু থেকেই। বিবর্তনের এই আনুষ্ঠানিক শুরুটা ১৮৭২ সালে। সে বছর ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিয়ম চালু করে বল হতে হবে গোলাকার। কারিগররা বল গোলাকার করার প্রয়াসে নজর দেন টুকরা টুকরা অংশ জোড়া দেওয়ার দিকে আর আটকে যান ৩২ টুকরায়।

এখনকার বলে হালকা চামড়ার সঙ্গে পলিইউরিথেন, সিনথেটিক বস্তু, বিশেষ ধরনের ফোম আর থাকে গ্যাসভর্তি হালকা বেলুনের মতো খুপরি। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ৩২ টুকরোর বল হয়ে গেছে ছয় প্যানেলের। ২০১০ বিশ্বকাপের বল ‘জাবুলানি’র প্যানেল ছিল আটটি আর ২০১৪ বিশ্বকাপের ‘ব্রাজুকা’ বলে প্যানেল কেবল ছয়টি! ফিফা ও এএফসি এখন অনুমোদন দেয় কম প্যানেলের বলের। হাতে সেলাই করা বলের দেখা নেই বললেই চলে। এই বিবর্তনে বড় অবদান বিশ্বকাপ ফুটবলের।

১৯৭০ বিশ্বকাপের টিভিতে পরিষ্কার দেখা যেত বলে ৩২টি সাদা-কালো প্যানেল বা ষড়ভুজ জুড়ে দেয় অ্যাডিডাস, যার নাম টেলস্টার। ১৯৮২ বিশ্বকাপে ট্যাঙ্গো এসপানা ছিল পানিরোধী প্রথম ফুটবল। ১৯৯০ বিশ্বকাপের বল ‘এট্রভাসকো’তে সংযোজন করা হয় অনেক বেশি সিনথেটিক বস্তু, যা পানি নিরোধক। তাই শুষ্ক ও ভেজা সব মাঠে অসাধারণ। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হয় ‘ট্রাইকালার’ বল। এটি বিশ্বকাপের প্রথম রঙিন বল। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের ‘টিমজিস্ট’ বিশ্বকাপের প্রথম সেলাইবিহীন বল। ৩২টি প্যানেলের বদলে ১৪টি প্যানেল দিয়ে তৈরি এটা। এভাবেই ২০১০ সালে আট ও ২০১৪ সালে ছয় প্যানেলে আসা।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 57 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ