শাহজালালে এখনো নিরাপত্তাঝুঁকি

Print

বাংলাদেশের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিñিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন বা কেপিআই নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার। ২০১৩ সালে এ নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়। কেপিআইভুক্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দেশের প্রধানতম এ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে আমাদের প্রতিরক্ষা সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, বিশ্বব্যাপী ভাবমূর্তি নষ্ট হবে- এমনকি জাতীয় অর্থনীতিতে পর্যন্ত মারাত্মক আঘাত আসবে।

অথচ দুঃখজনক হলেও সত্যি, খোদ রাজধানীতে অবস্থিত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনাকে এ পর্যন্ত নিরাপত্তাঝুঁকি থেকে মুক্ত করা যায়নি বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও। ফলে যে কোনো সময় ঘটতে পারে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা, যা দেশের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দেখা দিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিমানবন্দরটির আশপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে বহুতল অনেক ভবন; এখনো অনেক ভবন গড়ে তোলা হচ্ছে। কিন্তু সুউচ্চ এসব বাণিজ্যিক ভবন বিমানবন্দরের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পষ্টতই ঝুঁকিপূর্ণ।

এসব ভবনের ছাদ থেকে যে কোনো সময় সাবোটাজ হতে পারে। এসব বিষয়ে সতর্ক করে ইতিপূর্বে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছিল কেপিআই সার্ভে টিমের তরফে। কিন্তু সেসব সুপারিশের অধিকাংশই কাগুজে রয়ে গেছে, কার্যকর হয়নি। কেপিআই সার্ভে টিম নিরাপত্তাঝুঁকির নানা দিক তাদের প্রতিবেদনে তুলে ধরে এ থেকে উত্তরণে বেশ কিছু সুপারিশও করেছিল।

[ প্রিয় পাঠক, আপনিও বিডিসারাদিন24 ডট কম অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, রান্নার রেসিপি, ফ্যাশন-রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- bdsaradin@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। নারীকন্ঠ এবং মত-দ্বিমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে  bdsaradin24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরণের দায় গ্রহণ করে না। ]

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 54 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ