অর্থনীতি ডেস্ক: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে সম্প্রতি দিনভর একটি গুরুত্বপূর্ণ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি এই গণশুনানির আয়োজন করে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের অংশগ্রহণে এই শুনানিতে গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
বাজারে বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডারের উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। এর মধ্যেই গ্যাস বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে দাম আরও বাড়ানোর নতুন প্রস্তাব আনা হয়েছে। এ নিয়ে গ্রাহক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ভোক্তাদের অভিযোগ, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া দামে সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে, তার ওপর জ্বালানির দাম বাড়লে সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে ব্যবসায়ীদের যুক্তি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হারের পার্থক্যের কারণে তাদের পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।
সব পক্ষের যুক্তি শুনে বিইআরসি এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সবদিক বিবেচনা করে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই এলপিজির নতুন দামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।
