বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান সম্পর্কে জানুন? | bdsaradin24.com
ডেস্ক নিউজ
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান সম্পর্কে জানুন?

রহমান ১৯৭৪ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হয়। ১৯৮০ সালে রহমান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হন। রহমান ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০০৭ সালের অক্টোবরে রহমান ও বিচারপতি যুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জামিন আদেশ জারি করেন।

রহমান যথাক্রমে ১৯৬৫ এবং ১৯৬৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে থেকে স্নাতক এবং স্নাতক পড়াশোনা শেষ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭০ সালে আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবন

১৯৭২ সালে রহমান ঢাকা জেলা জজ আদালতে আইন প্র্যাকটিস শুরু করেন।

রহমান ১৯৭৪ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হয়।

১৯৮০ সালে রহমান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হন।

রহমান ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।

২০০৭ সালের অক্টোবরে রহমান ও বিচারপতি যুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জামিন আদেশ জারি করেন।২২ নভেম্বর ২০০৭ সালে রহমান এবং বিচারপতি যুবায়ের রহমান চৌধুরী দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পদের বিবরণী চাওয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেন।

২৭ জানুয়ারী ২০০৮ সালো রহমান ও বিচারপতি শহীদুল ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে কেন স্থগিত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেওয়া হবে তা জানতে চেয়ে একটি আদেশ জারি করেন। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি এবং বিচারপতি শহিদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজম জে চৌধুরীর করা মামলার কার্যক্রমকে অবৈধ ঘোষণা করেন। ১৭ মার্চ ২০০৮ সালে প্রধান বিচারপতি তাকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে কেড়ে নেন।

২০০৯ সালে রহমানকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারক করা হয়।

২০১০ সালে বিচারপতি এ. বি. এম. খায়রুল হককে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল যদিও রহমান আপিল বিভাগের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারক এবং প্রধান বিচারপতি হওয়ার জন্য পরবর্তী সারিতে ছিলেন।

রহমান ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকদের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র বিচারপতি এবং ২০১১ সালে বাংলাদেশের ২০ তম প্রধান বিচারপতি হওয়ার পরের সারিতে ছিলেন। তাকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না দিয়ে বাংলাদেশ সরকার মোজাম্মেল হোসেনকে নিয়োগ দেয়। রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ হান্নান শাহের ছোট ভাই এবং আওয়ামী লীগ সরকার তার পদোন্নতি দুইবার উপেক্ষা করেছিল।দ্বিতীয়বার পদোন্নতির জন্য উপেক্ষা করায় তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে পদত্যাগ করেন।

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপি-জামায়াত জোটে ভাঙনের গুঞ্জন

একমি ল্যাবরেটরিজের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতা হামিদুর রহমান সিনহা

মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে যেসব সমস্যা হতে পারে

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

১৮ জনের মধ্যে ১২ রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগপত্রঃ একটি জটিল এবং ধূর্ত মনস্তাত্ত্বিক দলিল!?

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন কীভাবে

ফার্মেসী ব্যবসার জন্যে লাইসেন্সসহ যা যা লাগবে

নতুন ফার্মেসি ব্যবসার প্রথম ধাপ: কীভাবে করবেন ড্রাগ লাইসেন্স?

১০

পঞ্চদশ সংশোধনী: কেন এসেছিল, কী বদলেছিল, কেন আবার আলোচনায়?

১১

ইতিহাস ও নিসর্গের অপূর্ব মেলবন্ধন ‘বলধা গার্ডেন’

১২

যে পিৎজা বাঁচাল একটি প্রাণ: ডমিনোজের কর্মীদের ছোট্ট মানবিকতার বড় গল্প

১৩

বন্যা ও পানিতে ডুবে মৃতদের দাফনের নিয়ম

১৪

সোনালী অতীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র: সিরাজুল ইসলাম ও রানী সরকার

১৫

হালান্ডকে নিয়ে অজানা কিছু কথা

১৬

হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে শেষ আটে নরওয়ে

১৭

মুক্তচিন্তার পথিক: মুস্তাফা মনোয়ার

১৮

পাসপোর্ট এল কেমন করে

১৯

পাসপোর্টের কোন রং দিয়ে কী বোঝায়

২০