জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাত দিবস ৩০শে মে | bdsaradin24.com
ডেস্ক নিউজ
৩০ মে ২০২২, ৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাত দিবস ৩০শে মে

 

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে এক নজর দেখার জন্য

[এটি প্রায় ৪০/৪১ বছর আগের ঘটনা। সব কিছু ভালো করে স্মরণে নাই। তারিখ, দিন ক্ষন কিছুই মনে নাই। একেবারে স্মৃতি শক্তি ব্যবহার করে লিখা। ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়। আর কেউ যদি সঠিক দিন-ক্ষন-তারিখ জানাতে পারেন, কৃতজ্ঞ থাকব।]]

সময়কালটা ১৯৮০ সালের জানুয়ারী মাসের শেষের দিক হবে। শীতকাল। আমরা ক্লাস ফাইভ থেকে সিক্সে উঠেছি, পার্শ্ববর্তী গ্রাম পালাখালের ‘পালখাল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে’ ভর্তি হয়েছি। এর মধ্যে আমাদের মেঝ চাচা মরহুম মৌলভী আব্দুল জব্বার ভুইয়া সাহেবের মারফত আমরা জানতে পারলাম যে, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসুচী উদ্বোধন করার জন্য চৌমুহনীতে আসবেন। কচুয়া, মতলব ও হাজীগঞ্জ উপজেলার মিলনস্থলে চৌমুহনী নামক গ্রাম অবস্থিত। এখানে তিনি নিজ হাতে বোয়ালজুরী খাল খনন করবেন ।
আমি আর আমার চাচাত ভাই মো. আযিম খান (এখন ঢাকায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, বয়সে আমার এক বছরের বড় হলেও আমরা একই ক্লাসে পড়তাম, অতপর ‘আযিম ভাই’ বলে সম্বোধন করা হবে) মিলে আমরা কথাবার্তা বলে ঠিক করলাম আমরাও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দেখতে যাব। কিন্তু আমাদের গ্রাম থেকে চৌমুহনী অনেক দূরে বলে আমরা ঠিক করলাম আগের দিন সন্ধ্যায় আমরা তুলপাই দারাশাহী গ্রামে আমাদের আত্মীয়দের বাড়িতে চলে যাব।
যেই কথা সেই কাজ। যার যার বাবা-মায়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আগের দিন বিকালবেলা আমরা দারাশাহী তুলপাই গ্রামে চলে এলাম। দারাশাহী তুলপাই গ্রামে আমাদের অনেক আত্মীয় স্বজন আছেন। কিন্তু আযিম ভাইয়ের বড় ভাই মো. জামাল হোসেন কিছু দিন আগেই তুলপাই গ্রামে বিয়ে করেছেন। ফলে পুরাতন আত্মীয়দের ঘরে না গিয়ে আমরা নুতন আত্মীয়দের ঘরে গেলাম। তাঁরা সাধ্যমত আমাদের আদর যত্ন করলেন এবং আমাদের এই অবেলায় যাওয়ার কারন জিজ্ঞেস করায় আমরা জানালাম যে, আমরা আগামীকাল ভোরে চৌমুহনী গ্রামে যাব, সেখানে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আসবেন। আমরা তাঁকে দেখতে যাব। গ্রামের মানুষের খুব ভোরে ঘুম ভাঙ্গে। বাড়ির মুরুব্বীরা আমাদের ভোরবেলা ঘুম থেকে জাগিয়ে দিলেন এবং কিভাবে কোন রাস্তা ধরে চৌমুহনী যেতে হবে তাহা বলে দিলেন। আমরা হালকা-পাতলা কিছু নাস্তা মুখে দিয়ে দারাশাহী তুলপাই গ্রাম ছেড়ে দক্ষিন পশ্চিম কোণের দিকে অর্থাৎ চৌমুহনীর দিকে হাটতে লাগলাম। কিছু দূর আগাতেই আমরা দেখতে পেলাম অসংখ্য মানুষ চৌমুহনীর দিকে এগোচ্ছে। দৃশ্যটা অনেকটা এখন সকাল বেলায় শহরের রাস্তায় গার্মেন্টস কর্মীদের দল বেঁধে পায়ে হেটে অফিসে যাওয়ার মত।
আমরা যতই সামনে এগোচ্ছি, ততই মানুষের সংখ্যা বড়তে লাগল। আমরা মানুষের মিশে তাদের পিছনে পিছনে হাটতে হাটতে চৌমুহনী গ্রামের ঠিক যে জায়গায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আসবেন সেখানে গিয়ে পৌছলাম।
আমরা শুনেছিলাম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হেলিকপ্টারে করে আসবেন। আমরা দেখলাম, খাল পাড়ের উপর মঞ্চ তৈরী করা আছে উত্তর-পূর্বমুখী করে। সামনে বিশাল মাঠ। হেলিকপ্টার নামবে বলে মাঠ পরিস্কার করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ধুলা বালি কম হয়। এখন বুঝি হেলিপ্যাড তৈরী করে রাখা হয়েছে।
আযিম ভাই খুব বুদ্ধিমান ছিলেন। তিনি আমার হাত ধরে টানতে হেলিপ্যাডের খুব কাছাকাছি গিয়ে দাড়ালেন। আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম, হেলিকপ্টার থেকে নেমে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেন স্বচ্ছন্দে মঞ্চের দিকে যেতে পারেন সেই জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকগন মানুষজনকে দুই পাশে সারিবদ্ধ ভাবে দাড় করিয়ে দিচ্ছে। আমি আর আযিম ভাই শক্ত ভাবে একে অপরের হাত ধরে ভিড় ঠেলে একেবারে সামনে চলে এলাম। আর আমরা ছোট ছিলাম বলে বড়রাও আমাদেরকে সামনে যেতে সাহায্য করল। ফলে আমরা একেবারে সামনের কাতারে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম।
বেলা বাড়তে লাগল। রৌদ্র উজ্জ্বল দিন। শীতকাল হলেও মানুষের ভিড়ের কারনে গরম লাগা শুরু হলো। এদিকে সবাই শুধু আকাশের দিকে তাকাচ্ছে। কখন হেলিকপ্টার আসবে। বেলা দশটার দিকে হেলিকপ্টার আসার শব্দ পাওয়া গেল। সাথে হাজার চোখ আকাশের দিকে দৃষ্টিপাত করল। আধা ঘন্টার মধ্যেই হেলিকপ্টার অবতরন করল। হেলিকপ্টার পুরোপুরি বন্ধ হলে পরে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হেলিকপ্টার থেকে নেমে আসলেন। এদিকে আমরাও অধীরভাবে অপেক্ষা করতে লাগলাম একটিবার, শুধু একটিবার প্রেসিডেন্টের হাতের সাথে হাত মিলানোর। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দুই হাত দুই দিকে মেলে দিয়ে সামনে যারা ছিলো তাদের হাতের সাথে হাত মিলাতে মিলাতে স্বভাবসুলভ মিলিটারী কায়দায় সামনের দিকে হনহন করে এগিয়ে যেতে লাগলেন। আমরাও নাছোড়বান্ধার মতো আরো একটু সামনে ঝুঁকে দাঁড়িয়ে আছি, যেই করেই হউক প্রেসিডেন্টের হাতের সাথে হাত মিলাতে হবে। কি জানি কেন, আমাদের বরাবরে এসে প্রেসিডেন্ট সাহেব হাটার গতি একটু কমালেন। আমরা ছোট ছিলাম, তিনি আমাদের দুইজনের সাথেই হাত মিলালেন। আমরা ধন্য হলাম।
এদিকে মঞ্চ থেকে মুহুর্মুহু শ্লোগান ভেসে আসছে –

প্রেসিডেন্ট জিয়া, প্রেসিডেন্ট জিয়া, লও লও লও সালাম
চেয়ারম্যান জিয়া, চেয়ারম্যান জিয়া, লও লও লও সালাম
শুভেচ্ছার স্বাগতম, প্রেসিডেন্ট জিয়ার আগমন
শুভেচ্ছার স্বাগতম, চেয়ারম্যান জিয়ার আগমন।

তারপর তিনি নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসুচী উদ্বোধন করেন। পরে বিশাল জনসভায় ভাষন দেন। সেদিন প্রেসিডেন্ট জিয়া তাঁর ভাষনে কি বলেছিলেন ঠিক মনে নাই। আর আমরা শুধু উনাকে এক নজর দেখতে গিয়েছিলাম, উনার ভাষন শুনতে নয়।
এদিকে বেলা অনেক হয়ে গিয়েছিল। আযিম ভাই তাড়া দিলেন, চল। অনেক দুরের পথ। যেতে যেতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। (যারা কচুয়ার বাসিন্দা তাঁরা বুঝবেন, চৌমুহনী থেকে দোয়াটি গ্রাম প্রায় ৭/৮ কিলোমিটার দূর হবে।)। ঠিকই আমরা সন্ধ্যার একটু আগে বাড়ি ফিরলাম। কিন্তু প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম, তাঁর স্মৃতি হৃদয়ের গহীনে লেখা হয়ে গেল চিরতরে। তাই বুঝি কবি গেয়েছেন –

যদি কাগজে লেখো নাম, কাগজ ছিঁড়ে যাবে
পাথরে লেখো নাম, পাথর ক্ষয়ে যাবে
হৃদয়ে লেখো নাম, সে নাম রয়ে যাবে।

কেন চৌমুহনীতে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান?
চাঁদপুর জেলার তিনটি উপজেলা যথাক্রমে কচুয়া, মতলব ও হাজীগঞ্জ কে বেস্টন করে প্রবাহিত বোয়ালজুরী খাল। মতলব উপজেলার মাচুয়াখাল হতে মেঘনা নদীর একটি শাখা নদী পুর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে কচুয়া-মতলব সীমান্তের মেহারন গ্রাম হয়ে চারটভাংগা বাজারের নিকট তিনভাগে বিভক্ত হয়ে একটি ছোট শাখা (যাহা সাধারনভাবে খাল নামে অভিহিত) উত্তর দিকে, একটি শাখা পুর্ব দিকে (সুন্দরী খাল বা কার্জন কাটা খাল নামে পরিচিত এবং পুর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার সীমান্ত পর্যন্ত গিয়েছে) আর অপর শাখাটি দক্ষিন-পুর্ব দিকে বাক নিয়ে কচুয়া ও মতলব উপজেলার সীমানা চিহ্নিত করে আরো দক্ষিনে গিয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলায় প্রবেশ করে এবং ডাকাতিয়া নদীর একটি শাখার সাথে মিশে যায়। ফলে নৌ-চলাচল ও চাষাবাদের পানি সরবরাহে এই বোয়ালজুরী খালের একটা আলাদা গুরুত্ব আগে থেকেই ছিল। তাছাড়া, উপরোক্ত তিনটি খালের পানি ব্যবহার করে তিন উপজেলার খাল পাড়ের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিতে ইরি ধানের চাষ হতো। আর ইরি ধানের চাষের জন্য পানির অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের প্রয়োজন হয়। এই খাল খননের ফলে তিন উপজেলায় মেঘনা নদীর পানি ব্যবহার করে ইরি ধান চাষে ব্যাপক সাড়া পড়ে। পরে এসব খালের মুখে স্লুইসগেট তৈরি করে জোয়ারের পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয় যা দিয়ে এখনো বারো মাস চাষাবাদ করা যাচ্ছে।
কেন এই খাল খনন কর্মসূচী?
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দল “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, Bangladesh Nationalist Party, সংক্ষেপে বিএনপি” গঠন করার আগেই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯ দফা কর্মসুচী ঘোষনা করেন। এই ১৯ দফা হলো –
১। সর্বোতভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
২। শাসনতন্ত্রের চারটি মূলনীতি অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের সমাজতন্ত্র জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে প্রতিফলন করা।
৩। সর্ব উপায়ে নিজেদেরকে একটি আত্বনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা।
৪। প্রশাসনের সর্বস্তরে, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং আইন-শৃংখলা রক্ষার ব্যাপারে জনসাধারনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
৫। সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা।
৬। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ করা এবং কেউ যেন ভুখা না থাকে তার ব্যবস্থা করা।
৭। দেশে কাপড়ের উৎপাদন বাড়িয়ে সকলের জন্য অন্তত মোটা কাপড় সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৮। কোন নাগরিক গৃহহীন না থাকে তার যথাসম্ভব ব্যবস্থা করা।
৯। দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা ।
১০। সকল দেশবাসীর জন্য ন্যূনতম চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা।
১১। সমাজে নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতষ্ঠা করা এবং যুব সমাজকে সুসঙ্গহত করে জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
১২। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারী খাতে প্রয়োজনীয় উৎসাহ দান।
১৩। শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি সাধন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সুস্থ শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
১৪। সরকারি চাকুরীজীবিদের মধ্যে জনসেবা ও দেশ গঠনের মনোবৃত্তিতে উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।
১৫। জনসংখ্যা বিস্ফোরন রোধ করা।
১৬। সকল বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং মুসলিম দেশগুলির সাথে সম্পর্ক জোরদার করা।
১৭। প্রশাসন এবং উন্নয়ন ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকাররে শক্তিশালী করা।
১৮। দুর্নীতিমুক্ত ন্যায়নীতিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।
১৯। ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার পূর্ন সংরক্ষণ করা এবং জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি সুদৃঢ় করা।

এই ১৯ দফা কর্মসূচীর মধ্যে ৬নং দফাটি (৬. দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ করা এবং কেউ যেন ভুখা না থাকে তার ব্যবস্থা করা) বাস্তবায়নের জন্য প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন হওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন উদ্দেশ্যে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি গ্রহন ও বাস্তবায়ন করেন। এ জন্য তিনি কোনো সংকোচ না করে নিজ হাতে ওরা-কোদাল নিয়ে মাটি কেটেছেন। মাটি কেটে খাল খনন করতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। এর সুফল হিসেবে শুকনো মৌসুমে পানির অভাব দেখা দেয়নি এবং ভূগর্ভস্থ পানির চাহিদা ও ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে আর্সেনিক দূষণ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।
আজ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তাঁর আদর্শ,তাঁর স্বপ্ন, তাঁর কর্মসূচী, তাঁর দেখানো পথ আমাদের সামনে রয়েছে। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহতালা তাঁকে বেহেস্তের উচ্চ মাকান দান করুন। আমীন।।

লেখকঃ
ড. মো. শাহ এমরান
অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান
ফার্মাসিউটিক্যাল কেমেস্ট্রি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
[এটি প্রায় ৪০/৪১ বছর আগের ঘটনা। সব কিছু ভালো করে স্মরণে নাই। তারিখ, দিন ক্ষন কিছুই মনে নাই। একেবারে স্মৃতি শক্তি ব্যবহার করে লিখা। ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়। আর কেউ যদি সঠিক দিন-ক্ষন-তারিখ জানাতে পারেন, কৃতজ্ঞ থাকব। ]

অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান
ফার্মাসিউটিক্যাল কেমেস্ট্রি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপি-জামায়াত জোটে ভাঙনের গুঞ্জন

একমি ল্যাবরেটরিজের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতা হামিদুর রহমান সিনহা

মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে যেসব সমস্যা হতে পারে

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

১৮ জনের মধ্যে ১২ রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগপত্রঃ একটি জটিল এবং ধূর্ত মনস্তাত্ত্বিক দলিল!?

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন কীভাবে

ফার্মেসী ব্যবসার জন্যে লাইসেন্সসহ যা যা লাগবে

নতুন ফার্মেসি ব্যবসার প্রথম ধাপ: কীভাবে করবেন ড্রাগ লাইসেন্স?

১০

পঞ্চদশ সংশোধনী: কেন এসেছিল, কী বদলেছিল, কেন আবার আলোচনায়?

১১

ইতিহাস ও নিসর্গের অপূর্ব মেলবন্ধন ‘বলধা গার্ডেন’

১২

যে পিৎজা বাঁচাল একটি প্রাণ: ডমিনোজের কর্মীদের ছোট্ট মানবিকতার বড় গল্প

১৩

বন্যা ও পানিতে ডুবে মৃতদের দাফনের নিয়ম

১৪

সোনালী অতীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র: সিরাজুল ইসলাম ও রানী সরকার

১৫

হালান্ডকে নিয়ে অজানা কিছু কথা

১৬

হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে শেষ আটে নরওয়ে

১৭

মুক্তচিন্তার পথিক: মুস্তাফা মনোয়ার

১৮

পাসপোর্ট এল কেমন করে

১৯

পাসপোর্টের কোন রং দিয়ে কী বোঝায়

২০