কার ইশারায় ভারতে বসে জনমত গঠনের চেষ্টা করছেন হাসিনা | bdsaradin24.com
ডেস্ক নিউজ
৪ নভেম্বর ২০২৪, ৫:১৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

কার ইশারায় ভারতে বসে জনমত গঠনের চেষ্টা করছেন হাসিনা

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবির মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শেখ হাসিনা। পরে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা। সংঘাত ঠেকাতে না পারায় তাকে পদত্যাগ করার জন্য ৪৫ মিনিট সময় দেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পদত্যাগের পর (৫ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে দেশ ছাড়েন হাসিনা।

 

বঙ্গভবন থেকে একটি সামরিক হেলিকপ্টার শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাত্রা করে। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানা ছিলেন। এর আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চাইলে শেখ হাসিনা সেই সুযোগ পাননি। তিনি একটি ছাই রঙের মিলিটারি হেলিকপ্টারে চড়ে শেখ হাসিনা বিমানবন্দরে যান। সেখানে আগে থেকেই একটি সবুজ রঙের প্রাইভেট কার ও একটি কালো রঙের টয়োটা প্রাডো গাড়ি অবস্থান করছিল।

হেলিকপ্টারটি অবতরণ করার পরপরই পাঁচ-ছয়জন কালো ব্লেজার পরা ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টার থেকে বের হয়ে দ্রুত কালো প্রাডো গাড়ির দিকে হাঁটতে থাকেন। এ সময় তিনি কারও সঙ্গে কোনো কথা বলছিলেন না। শেখ হাসিনা গাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে একজন গাড়ির চালকের পেছনের দরজা খুলে দেন। তখনই শেখ হাসিনা গাড়িতে উঠে যান। এ সময় শেখ হাসিনা অন্য কোনো দিকে তাকাচ্ছিলেন না, কারও সঙ্গে কোনো কথাও বলছিলেন না। হেলিকপ্টারটি ভারতের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

পরে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণভবন অভিমুখে যাত্রা কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে একটা ক্রান্তিকাল চলছে। সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ করেছিলাম। আমরা সুন্দর আলোচনা করেছি। সেখানে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, একটি অন্তর্র্বতীকালীন সরকার গঠন করা হবে। এই অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের অধীন দেশের সব কার্যক্রম চলবে।

এরপর থেকেই মূলত এখন পর্যন্ত ভারতেই অবস্থান করছেন হাসিনা।সর্বশেষ দিল্লির লোধী গার্ডেনে অবস্থানের কথা জানা যায়।পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলেও দিল্লি হাসিনাকে টিডি প্রদান করে।বিভিন্ন সময়ে অডিও কলে ও নেতাকর্মীদের ও বার্তা দেওয়ার খবর পাওয়া যায়।সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাংলাদেশ পুরোপুরি বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে ।ভারত ভালো বন্ধু।তার এই বার্তার পরেই বিভিন্ন মহলে বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।দেশের বেশিরভাগ ট্রাম্প এর মন্তব্যের পরেই বলছেন মূলত দিল্লিতে বসেই ইউনূস সরকারকে চাপে ফেলে জনমত গঠনের চেষ্টা করছেন হাসিনা।তবে হাসিনার জনমত গঠনে দিল্লির ইঙ্গিত রয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।দিল্লি এ বিষয়ে কোন মন্তব্যও করেনি।এটা এখনো জনগণের ভাবনাতেই রয়ে গেছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপি-জামায়াত জোটে ভাঙনের গুঞ্জন

একমি ল্যাবরেটরিজের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতা হামিদুর রহমান সিনহা

মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে যেসব সমস্যা হতে পারে

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

১৮ জনের মধ্যে ১২ রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগপত্রঃ একটি জটিল এবং ধূর্ত মনস্তাত্ত্বিক দলিল!?

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন কীভাবে

ফার্মেসী ব্যবসার জন্যে লাইসেন্সসহ যা যা লাগবে

নতুন ফার্মেসি ব্যবসার প্রথম ধাপ: কীভাবে করবেন ড্রাগ লাইসেন্স?

১০

পঞ্চদশ সংশোধনী: কেন এসেছিল, কী বদলেছিল, কেন আবার আলোচনায়?

১১

ইতিহাস ও নিসর্গের অপূর্ব মেলবন্ধন ‘বলধা গার্ডেন’

১২

যে পিৎজা বাঁচাল একটি প্রাণ: ডমিনোজের কর্মীদের ছোট্ট মানবিকতার বড় গল্প

১৩

বন্যা ও পানিতে ডুবে মৃতদের দাফনের নিয়ম

১৪

সোনালী অতীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র: সিরাজুল ইসলাম ও রানী সরকার

১৫

হালান্ডকে নিয়ে অজানা কিছু কথা

১৬

হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে শেষ আটে নরওয়ে

১৭

মুক্তচিন্তার পথিক: মুস্তাফা মনোয়ার

১৮

পাসপোর্ট এল কেমন করে

১৯

পাসপোর্টের কোন রং দিয়ে কী বোঝায়

২০