ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে ক্রেতাকে যা জানতে হবে | bdsaradin24.com
ডেস্ক নিউজ
৮ নভেম্বর ২০২৪, ১২:১৬ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে ক্রেতাকে যা জানতে হবে

 

ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতারা নানাভাবে প্রতারিত হতে পারেন। সতর্ক না থাকলে আইনগত প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রেও নানামুখী ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।

ফ্ল্যাট কেনার আগে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট আইন ভালোভাবে জানতে হবে। তার পর ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। যেন এই কোম্পানিগুলো আইনের ফাঁক ফোঁকরে আপনাকে প্রতারিত করতে না পারে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় একজন দক্ষ আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া।

ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই ক্রেতাকে ডেভেলপার কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে নিতে। প্রয়োজনে কর্তা ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে নিতে হবে। ডেভেলপার কোম্পানি জমির প্রকৃত মালিকের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে জমির মালিকের সঙ্গে ডেভেলপার কোম্পানির চুক্তিপত্র দেখে নিতে হবে। ফ্ল্যাট নির্মাণ করা জমিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে। সঠিক নকশা মেনে ফ্ল্যাট করা হয়েছে কিনা তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।

 

ফ্ল্যাট কেনার আগে চুক্তিপত্র ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে। কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে দক্ষ আইনজীবী বা ডেভেলপার কোম্পানির কাছ থেকে জেনে নিতে হবে। বায়না চুক্তি রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। বুকিং মানি দেওয়ার সময় এবং কিস্তির টাকা দেওয়ার সময় ডেভেলপারের দেওয়া প্রতিটি ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। যেন পরবর্তীতে আইনগত কোনো সমস্যা হলে সেগুলো প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। প্রয়োজনে ফ্ল্যাটের বুকিং দেওয়ার আগে বেসরকারি সংস্থা ‘রিয়েল এস্টেট কনজ্যুমার ক্লাব’-এর সহায়তা নিতে পারেন।

কাজ শেষ হওয়ার পর ক্রেতার কাছে ফ্ল্যাট হস্তান্তর করে ডেভেলপার কোম্পানি। অনেক ক্ষেত্রে কিছু কোম্পানি ফ্ল্যাট হস্তান্তরে দেরি করে। সেক্ষেত্রে নিজ দায়িত্বে ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাট বুঝে নিতে হবে। ফ্ল্যাটের দখল পাওয়ার পর যেন কোনো ঝামেলায় পড়তে না হয় সেজন্য ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রেশন যত দ্রুত করা যায় ততই ক্রেতার জন্য ভালো। এতে ক্রেতা হিসেবে আপনি সুরক্ষিত থাকবেন।

ফ্ল্যাটের দখল পাওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন করতে সমস্যা হলে সাংবিধানিক একটি উপায় আছে। একজন ক্রেতা এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারেন। রিয়েল এস্টেট আইন, ২০১০-এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রচলিত ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১-ক ধারা এবং ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংবিধানের ১০২(১) অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিকার পেতে পারেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকারি ক্যাম্পেইনের ব্যানারে ‘ধানের শীষে ভোট দিন’ লেখা নিয়ে তোলপাড়

জামায়াত-এনসিপির জোট নির্বাচন বর্জন করছে!

মাহাথিরের দীর্ঘ ও সফল জীবনের রহস্য

সেন্টমার্টিনে রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ: পর্যটকদের জন্য জরুরি সতর্কতা

জুলাই যোদ্ধা সুরভী তাহরিমা মুক্ত!

ওবায়দুল কাদের ভেন্টিলেশনে, অবস্থা সংকটাপন্ন

অনৈতিক প্রস্তাব, রাজিনা হওয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় ফাঁসানো হয় সুরভীকে

ঢাকা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা হুদার মনোনয়ন বাতিল

ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল

ঢাকায় রহস্যময় দেয়ালচিত্র : সুবোধ

১০

এনইআইআর চালু হচ্ছে আজ, বন্ধ হয়ে যাবে যেসব হ্যান্ডসেট

১১

কঠিনতম মুহূর্তেও রাজনৈতিক শালীনতার দৃষ্টান্ত রাখলেন তারেক রহমান

১২

যেভাবে জানবেন আপনার ভোট কেন্দ্রের নাম

১৩

খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি আগেই হয়েছিল? মেডিকেল সাইন্স কি বলে?

১৪

ফয়সাল করিম মাসুদের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে দ্য ডিসেন্টের বিশ্লেষণ

১৫

খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে ঢাকার যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন আজ

১৬

খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক জীবন

১৭

তারেক রহমান কি পারবেন তিন প্রজন্মের সেতুবন্ধন হতে?

১৮

আই হ্যাভ এ প্ল্যান : তারেক রহমান

১৯

জামায়াতের সঙ্গী হতে যাচ্ছে এনসিপি!

২০