কালচারাল হেজেমনির বিরুদ্ধে লড়াই আমরা শুরু করি নাই, অংশ হয়েছি মাত্র। কেননা ইতিহাসে আমরা কেবল একটা অংশই হতে পারি। আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে এমন ক্যাপশনে ব্রাত্য রাইসুর একটি ফেসবূক পোস্ট শেয়ার করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী।
২০১১ সালে ঢাকা কলেজে একটি সেমিনারে কালচারাল হেজেমনির বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিয়েছিলেন রাইসু এবং ফারুকী। সেই সেমিনারের স্মৃতিচারণ করেই মূলত এমন পোস্ট শেয়ার করেছেন ফারুকী।
ফারুকী তার পোস্টে আরও লেখেন, “আমিও খুঁজতেছি ঐ বক্তৃতাটা। সালটাও ভুলে গেছিলাম। রাইসুর মারফত মনে পড়লো ২০১১ সাল।“ রাইসু মূলত আজ খালেদ মহিউদ্দিনের আপলোড করা একটি পোস্ট ফারুকীর সাথে শেয়ার করেন, যা দেখে ফারুকীর এই স্মৃতিচারণ।
২০১৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ভাষা শহিদ দিবস উপলক্ষে ইডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠান ‘আজকের বাংলাদেশ’-এ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী, প্রাবন্ধিক ও গবেষক আহমাদ মাযহার, কবি ব্রাত্য রাইসু এবং ঢাবি ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সৌরভ সিকদার।
খালেদ মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় ‘প্রমিতের পরিমিতি’ শিরোনামের সেই টকশোতে প্রমিত-চলিত, প্রচলিত-অপ্রচলিত ও আঞ্চলিক ভাষা এবং বাংলা ভাষার উপর বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির প্রভাব নিয়ে নানা আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন