কেন্দুয়া-মদন সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী | bdsaradin24.com
বিশেষ প্রতিনিধি
২৯ এপ্রিল ২০২৫, ৮:০৭ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

কেন্দুয়া-মদন সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

কেন্দুয়া-মদন সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েল, কেন্দুয়া(নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনা জেলার উপজেলা কেন্দুয়া-মদন পাকা সড়কের কেন্দুয়া উপজেলা পৌরসভার সাউদপাড়া মোড় থেকে কেন্দুয়ার সীমানা বা মদন উপজেলার প্রবেশদ্বার পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির ভগ্নপ্রায় অবস্থার জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকার সাধারণ জনগণ।
সরেজমিনে গিয়ে সড়কটির বেহাল দশা দেখা যায়, সড়কটির প্রায় ৬ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তগুলোতে বৃষ্টি হলে পানি জমে ধীরে ধীরে আরো বড় আকার ধারণ করে।

গর্তে জমে থাকা খানাখন্দ সাধারণ জনগণ ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ছাড়াও কেন্দুয়া পৌরশহরের সাউদপাড়া মোড়, কেন্দুয়া সরকারি কলেজ মোড়, গোগ বাজার মোড় এলাকার সম্পূর্ণ সড়কজুড়ে বেশ কয়েকটি বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছেন। ফলে ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটে থাকে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি দেখেও দেখছেন না।
কেন্দুয়া সরকারি কলেজ মোড় এলাকার ব্যবসায়ী আবু সাদেক তালুকদার জানান, ভাঙাচোরা এ সড়কটির জন্য গত এক থেকে দেড় বছর ধরে সাধারণ মানুষ অনেক কষ্ট করছে। প্রায় সময়ই সড়কের বড় বড় গর্তে গাড়ি উল্টে যাচ্ছে। গত শনিবারও একটা গাড়ি উল্টে গিয়েছিল।
তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অটোরিকশাচালক (ইজিবাইক) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তাটার অবস্থা খুব খারাপ। যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন। গর্তে পড়ে গাড়ি প্রায় সময়ই উল্টে যায়। আমাদের গাড়িরও ক্ষতি হচ্ছ।
রাস্তাটা তাড়াতাড়ি মেরামত করা না হলে চলাচল করাই দুরূহ হয়ে যাবে।’
তাছাড়া এই সড়ক দিয়ে খালিয়াজুড়ি, মদন, আটপাড়া উপজেলার দূরপাল্লার বাস ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে থাকে এবং ওই উপজেলাগুলো হাওর বেষ্টিত হওয়ার কারণে ধান মৌসুমে শতশত ট্রাকও ঝুঁকি নিয়েই ধান দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী আল আমিন সরকার বলেন, ‘সত্যি সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ। পুরো উপজেলার এরকম আরো কয়েকটি সড়কের অবস্থাও খারাপ। কিন্তু ফান্ডিং স্বল্পতার কারণে সড়কটি রাস্তার সংস্কার কাজ এক সঙ্গে করা সম্ভব নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমরা সংস্কারযোগ্য সব সড়ক মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। এরমধ্যে কেন্দুয়া-মদন সড়কটির সংস্কার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খুব তাড়াতাড়ি করা হবে।’

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপি-জামায়াত জোটে ভাঙনের গুঞ্জন

একমি ল্যাবরেটরিজের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতা হামিদুর রহমান সিনহা

মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে যেসব সমস্যা হতে পারে

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

১৮ জনের মধ্যে ১২ রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগপত্রঃ একটি জটিল এবং ধূর্ত মনস্তাত্ত্বিক দলিল!?

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন কীভাবে

ফার্মেসী ব্যবসার জন্যে লাইসেন্সসহ যা যা লাগবে

নতুন ফার্মেসি ব্যবসার প্রথম ধাপ: কীভাবে করবেন ড্রাগ লাইসেন্স?

১০

পঞ্চদশ সংশোধনী: কেন এসেছিল, কী বদলেছিল, কেন আবার আলোচনায়?

১১

ইতিহাস ও নিসর্গের অপূর্ব মেলবন্ধন ‘বলধা গার্ডেন’

১২

যে পিৎজা বাঁচাল একটি প্রাণ: ডমিনোজের কর্মীদের ছোট্ট মানবিকতার বড় গল্প

১৩

বন্যা ও পানিতে ডুবে মৃতদের দাফনের নিয়ম

১৪

সোনালী অতীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র: সিরাজুল ইসলাম ও রানী সরকার

১৫

হালান্ডকে নিয়ে অজানা কিছু কথা

১৬

হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে শেষ আটে নরওয়ে

১৭

মুক্তচিন্তার পথিক: মুস্তাফা মনোয়ার

১৮

পাসপোর্ট এল কেমন করে

১৯

পাসপোর্টের কোন রং দিয়ে কী বোঝায়

২০