৭ই মার্চ জাতীয় দিবস বাতিল নিয়ে বিতর্কের জায়গাগুলো কী? | bdsaradin24.com
ডেস্ক নিউজ
১৮ অক্টোবর ২০২৪, ৮:৪০ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

৭ই মার্চ জাতীয় দিবস বাতিল নিয়ে বিতর্কের জায়গাগুলো কী?

 

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেবার সময় শেখ মুজিবুর রহমান
ছবির ক্যাপশান,১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেবার সময় শেখ মুজিবুর রহমান
১৭ অক্টোবর ২০২৪
সম্প্রতি আটটি জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলছেন, আওয়ামী লীগ আমলে “বিভিন্ন দলীয় দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তো, সেগুলা এবং যে দিবসগুলোকে অগুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, সেই দিবসগুলোকে বাতিল করা হয়েছে।”

তবে আটটি দিবসের মাঝে ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস বাতিল করায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে ৪ঠা নভেম্বরের সংবিধান দিবস নিয়েও আলোচনা হয়েছে। যদিও শেখ মুজিবুর রহমানসহ বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শেখ কামাল, শেখ রাসেলের জন্মদিনের দিবস এবং স্মার্ট বাংলাদেশ দিবসের বিষয়ে ততটা বিতর্ক দেখা যায়নি।

প্রধান উপদেষ্টার সরকারি ফেসবুক পেজে জাতীয় দিবস বাতিলে বিষয়ে করা পোস্টেের কমেন্টের অনেকেই সেগুলোকে ‘পরিবারতন্ত্র দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

৭ই মার্চ যেভাবে দিবস
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ অনেক জনপ্রিয় হলেও ২০২০ সালের আগ পর্যন্ত দিনটিকে কোনও দিবস হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ থেকে ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করে এক মাসের মধ্যে গেজেট জারির নির্দেশ দেয়া হয়। একই সাথে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সব জেলা ও উপজেলায় ‘বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল’ স্থাপনের নির্দেশও দেয়া হয়।

২০১৭ সালে এ নিয়ে আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছিল। সে বছরই ইউনেস্কো ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

দিনটিতে সরকারি ছুটি না থাকলেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশজুড়ে ভাষণ প্রচার, স্কুল-কলেজে নানা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, উপাসনালয়ে প্রার্থনা, শেখ মুজিবের বায়োপিকসহ বিভিন্ন প্রদর্শনী, মন্ত্রণালয়ের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জেলা-উপজেলা প্রশাসন বা ইউনিয়ন পরিষদের উদযাপন, এমন নানা ধরনের কর্মসূচি বড় পরিসরে পালন শুরু হয় ২০২১ সাল থেকে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ৭ই মার্চ ঘিরে কর্মসূচি আগেও থাকতো, কিন্তু দিবস ঘিরে নানা আড়ম্বরের শুরুটা ২০২১ থেকেই বলা যায়।

এ কারণে এ দিবসটি বাতিল হওয়ার পর সমালোচনার প্রেক্ষিতে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন যে ২০২১ সালের আগে ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস বলে পালিত হতো না, এখন সেটা বাতিল হলে কেন এতটা প্রতিক্রিয়া হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামায়াত-এনসিপির জোট নির্বাচন বর্জন করছে!

মাহাথিরের দীর্ঘ ও সফল জীবনের রহস্য

সেন্টমার্টিনে রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ: পর্যটকদের জন্য জরুরি সতর্কতা

জুলাই যোদ্ধা সুরভী তাহরিমা মুক্ত!

ওবায়দুল কাদের ভেন্টিলেশনে, অবস্থা সংকটাপন্ন

অনৈতিক প্রস্তাব, রাজিনা হওয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় ফাঁসানো হয় সুরভীকে

ঢাকা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা হুদার মনোনয়ন বাতিল

ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল

ঢাকায় রহস্যময় দেয়ালচিত্র : সুবোধ

এনইআইআর চালু হচ্ছে আজ, বন্ধ হয়ে যাবে যেসব হ্যান্ডসেট

১০

কঠিনতম মুহূর্তেও রাজনৈতিক শালীনতার দৃষ্টান্ত রাখলেন তারেক রহমান

১১

যেভাবে জানবেন আপনার ভোট কেন্দ্রের নাম

১২

খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি আগেই হয়েছিল? মেডিকেল সাইন্স কি বলে?

১৩

ফয়সাল করিম মাসুদের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে দ্য ডিসেন্টের বিশ্লেষণ

১৪

খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে ঢাকার যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন আজ

১৫

খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক জীবন

১৬

তারেক রহমান কি পারবেন তিন প্রজন্মের সেতুবন্ধন হতে?

১৭

আই হ্যাভ এ প্ল্যান : তারেক রহমান

১৮

জামায়াতের সঙ্গী হতে যাচ্ছে এনসিপি!

১৯

কেন তারেক রহমানের দেশে ফেরা ভারতের জন্য সুসংবাদ?

২০