বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাস এবং চ্যাম্পিয়নদের তালিকা | bdsaradin24.com
ডেস্ক নিউজ
২৬ জুন ২০২৬, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাস এবং চ্যাম্পিয়নদের তালিকা

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য প্রতিক্ষার এক অবিস্মরণীয় উৎসব। চার বছরের অপেক্ষার পর এবার আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবলের সর্বশ্রেষ্ঠ এই টুর্নামেন্ট, যা ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর কাতারে মাঠে গড়াবে। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ায় সারা পৃথিবীর সমর্থকরা উত্তেজনায় হাতছানি দিচ্ছেন, আর বাংলাদেশেও এই উত্তেজনা চোখে পড়ার মতো। আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক ‘লা ফিনালিসিমা’ জয় এবং তাদের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল দলের পারফরম্যান্স বিশ্বকাপ নিয়ে আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিশ্বকাপের ট্রফি নিয়ে রয়েছে অনেক কাহিনী, ইতিহাস আর বিতর্ক। বর্তমানে বিশ্বকাপের ট্রফির মূল্য প্রায় দুই কোটি মার্কিন ডলার, যা তৈরি করতে খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার ডলার। মূল ট্রফির দামের পেছনে রয়েছে এর ব্র্যান্ড ভ্যালু।

২০২২ সালে অনুষ্ঠিতব্য ২২তম ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। ফিফা ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করে, এবং এটি সাধারণত প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে কোনো বিশ্বকাপ হয়নি।

 

 

ছবি: জুলে রিমে ট্রফি

জুলে রিমে ট্রফি: প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপের প্রথম ট্রফি ছিল ‘জুলে রিমে ট্রফি’, যা ১৯৩০ সালে প্রথম আয়োজিত হয়। ফিফার তখনকার প্রেসিডেন্ট জুলে রিমে ছিলেন এই মহাযজ্ঞের মূল প্রচারক। তার নামেই ট্রফির নামকরণ হয়। এটি তৈরি করেছিলেন ফরাসি ভাস্কর আবেল লাফলেউর। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল ৩৫ সেমি এবং ওজন ছিল প্রায় ৩.৮ কেজি। এই ট্রফিটি সোনার ধাতুপট্টাবৃত এবং নীচের দিকে নীল বেসে সাজানো ছিল।

১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ জয় করে উরুগুয়ে, যারা সেই বছর আয়োজকও ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই ট্রফিটিকে জার্মান নাৎসিদের থেকে রক্ষা করতে ফিফার ভাইস প্রেসিডেন্ট এটিকে খাটের নিচে লুকিয়েছিলেন।

বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরা প্রথার শুরু 

১৯৫৮ সালে ব্রাজিলের অধিনায়ক হিলডারালডো লুইস ব্যালিনি প্রথমবার ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরে, যা এরপর থেকে বিজয়ীদের জন্য প্রতীকী হয়ে দাঁড়ায়।

জুলে রিমে ট্রফির হারানো ও নতুন ট্রফি 

১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত বিশ্বকাপে এই ট্রফিটি চুরি হয়। কুকুর পিকলস সেটি উদ্ধার করেছিল দক্ষিণ লন্ডনে। ১৯৭০ সালে ব্রাজিল তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জিতে এই ট্রফিটি স্থায়ীভাবে পায়। তবে ১৯৮৩ সালে ট্রফিটি চুরি হয়ে যায় এবং সম্ভবত গলিয়ে ফেলা হয়।

এরপর থেকে ১৯৭৪ সাল থেকে বিশ্বকাপের জন্য একটি নতুন ট্রফি তৈরি করা হয়, যা ‘ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি’ নামে পরিচিত।

 

ছবি: বর্তমান ফিফা ট্রফি

নতুন ট্রফির নকশা ও বৈশিষ্ট্য 

এই নতুন ট্রফি তৈরি করেছেন ইতালিয়ান নকশাকার সিলভিও গাজ্জানিগা। এটি ৩৬ সেমি লম্বা, ১৮ ক্যারাট সোনার তৈরি এবং ওজন প্রায় ৬.১৭৫ কেজি। ভিত্তি দুই স্তরের ম্যালাকাইট পাথর দিয়ে তৈরি। নতুন ট্রফির নিচের অংশে ১৯৭৪ সাল থেকে বিজয়ীদের নাম খোদাই করা হয়। বর্তমানে এটি ফিফা ওয়ার্ল্ড মিউজিয়ামে সংরক্ষিত থাকে এবং শুধুমাত্র বিশেষ অনুষ্ঠান ও বিশ্বকাপের মাঠে দেখা যায়।

বিশ্বকাপ ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া উৎসব, যেখানে সারা পৃথিবী একত্রিত হয়। বিশ্বকাপের ট্রফি বছরের শুরুতে বিভিন্ন দেশে প্রদর্শনের জন্য নেয়া হয়, যার অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও এটি বেশ কয়েকবার এসেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ বিজয়ীদের তালিকা:

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয় ১৯৩০ সালে এবং ২০২২ পর্যন্ত মোট ২২টি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে মাত্র ৮টি দেশ বিশ্বকাপ শিরোপি জেতার গৌরব অর্জন করেছে। এই তথ্য থেকে বোঝা যায়, বিশ্বকাপ জেতা ফুটবল ইতিহাসে খুব স্বল্প দেশই সফল হয়েছে -এবং এগুলোর প্রতিটিতেই ফুটবল সংস্কৃতি গভীরভাবে ছড়িয়ে রয়েছে।

দেশ শিরোপা সংখ্যা
ব্রাজিল (Brazil) ৫ বার
জার্মানি (Germany) ৪ বার
ইতালি (Italy) ৪ বার
আর্জেন্টিনা (Argentina) ৩ বার
উরুগুয়ে (Uruguay) ২ বার
ফ্রান্স (France) ২ বার
ইংল্যান্ড (England) ১ বার
স্পেন (Spain) ১ বার

৮টি দেশ ও তাদের জয় সংখ্যা:

ব্রাজিল ফুটবল বিশ্বকাপে সর্বাধিক শিরোপা ঘরে তুলেছে (৫ বার), যা অন্য কোনো দেশের চেয়ে বেশি। তাঁদের প্রথম টাইটেল আসে ১৯৫৮ সালে, এরপর ১৯৬২, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে বিশ্বজয়ী হয়। এই সফলতার পেছনে ছিল পেলে, জার্জিনহো, রোনাল্ডো, রোনাল্ডিনহো ও আরও অসংখ্য লেজেন্ডের অবদান, যারা নিজস্ব সময়ের সেরা ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে।

জার্মানি পশ্চিম জার্মানি ও একত্রিত জার্মানির নামে মিলিয়ে ৪টি বিশ্বকাপ জিতেছে। ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ তাদের নামে আসে। জার্মান টিমের শক্তিশালী দলগঠন ও কৌশলগত ফুটবল তাদের সফলতার মূল সোপান।

ইতালি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগেই ১৯৩৪ এবং ১৯৩৮ সালে পরপর দু’টি ট্যুর্নামেন্ট জয় করে ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের নাম খোদাই করে নেয়। পরে ১৯৮২ ও ২০০৬ সালেও তারা বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখে।

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে ৩ বার -১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে। Lionel Messi এর নেতৃত্বে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জিতা তাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়।

বিশ্বকাপের প্রথম বিজয়ী দেশ উরুগুয়ে। ১৯৩০ সালে প্রথম টুর্নামেন্টে জয়ী হওয়ার পর ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপেও তাঁরা আবার শিরোপা জয় করে ফুটবল ইতিহাসে নাম টিকিয়ে রাখে।এভাবেই ফুটবল ইতিহাসে মাত্র ৮টি দেশ বিশ্বকাপ শিরোপা জেতেছে।

কেন বিশ্বকাপের জয় এত বড় গৌরব:

ফিফা বিশ্বকাপ জেতা কোনো সহজ লক্ষ্য নয়। এটি প্রতিটি দেশের ফুটবল ঐতিহ্য, প্রস্তুতি, খেলোয়াড়দের দক্ষতা, টিম কেমিস্ট্রি এবং দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের নমুনা। এটি শুধু ফুটবল ছাড়িয়ে একটি জাতির গর্ব ও পরিচয়ের প্রতীকও হয়ে ওঠে। বিশ্বজয়ের মানে হল শত কোটি ভক্তের হৃদয়ে ছাপ ফেলা -এবং এই কারণে বিশ্বকাপ জয়ী দেশগুলো আজও স্মরণীয় ইতিহাস হিসেবে ফুটবল প্রেমীদের মনে বাস করে।

ফ্রান্স বিশ্বকাপ জিতেছে ২ বার ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে। তাদের ১৯৯৮ সালের বিশ্বজয় ঘটা হয়েছিল নিজের দেশেই, যেখানে তারা ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়। ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে, যখন তারা নিজেদের দেশে ফাইনাল খেলেছিল। স্পেন প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিল ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে।

বিশ্বকাপ বিজয়ীর ইতিহাস:

১৯৩০: প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজিত হয় উরুগুয়েতেই, যেখানে উরুগুয়ে নিজ দেশে জয়ী হয়।
২০০২: ব্রাজিল এক ঐতিহাসিক ট্রফি জিতে ৫টি World Cup শিরোপা দাঁড়ায়।
২০১০: স্পেন তার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।
২০২2: আর্জেন্টিনা Lionel Messi‑এর নেতৃত্বে তাদের ৩য় শিরোপা অর্জন করে।

কোন দেশ সবচেয়ে সফল?

ইতিহাসের পরিসংখ্যান করলে সহজেই বোঝা যায়- ব্রাজিল বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক শিরোপা জয়ী দেশ মোট ৫ বার। এই সংখ্যাটি অন্য কোনো দেশের চেয়েও বেশি এবং ২০০২ সালের পর থেকে তারা নতুন শিরোপি না পেলেও ফুটবলে তাদের আজও অটুট। তারপরেই রয়েছে জার্মানি ও ইতালি (প্রতিটি ৪ বার), আর্জেন্টিনা (৩ বার), উরুগুয়ে ও ফ্রান্স (২‑২ বার) এবং ইংল্যান্ড ও স্পেন (১‑১ বার)।

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাস দেখলে বোঝা যায় শুধুমাত্র কয়েকটি দেশই শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। আমাদের তালিকায় ব্রাজিল, জার্মানি, ইতালি, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও স্পেন ই আটটি দেশের নাম আলাদা করে লেখা আছে যারা বিশ্বকাপ জিতেছে। বিশ্বকাপের ইতিহাস এখনো চলমান বিশ্বকাপ 2026 এ আবার নতুন ইতিহাস গড়া হবে যা পরিসংখ্যানে নতুন মাত্রা যোগ করবে। ফুটবল যখন বিশ্বকে এক করেছে তখনই বিশ্বকাপ জয়ী দেশগুলোর গল্প আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে!

শেষ কথা: ফিফা বিশ্বকাপ কোন দেশ কতবার জিতেছে, এই প্রশ্নের উত্তর শুধু সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একেকটি জাতির গর্ব, উৎসব ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন। ব্রাজিলের পাঁচবার জয়, জার্মানি-ইতালির চারবার করে শিরোপা, কিংবা আর্জেন্টিনার আবেগঘন তিনবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প সবই ফুটবল প্রেমীদের জন্য চিরস্মরণীয়। আগামী বিশ্বকাপে হয়তো যুক্ত হবে নতুন কোনও ইতিহাস, নতুন কোনও দেশ পাবে বিশ্বকাপের স্বাদ। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় আজীবন জ্বলজ্বল করে থাকবে সেই দেশগুলোর নাম যারা ফুটবলকে দিয়েছে গৌরবময় সাফল্য।

 

প্ৰথম বিশ্বকাপৰ তথ্য (

প্ৰথম বিশ্বকাপ ফুটবল

প্ৰথম ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন কৰিছিল ১৯৩০ চনত উৰুগুৱেয়ে । আৰু বিশ্বকাপ ফুটবলৰ প্ৰথম চেম্পিয়নো হৈছে উৰুগুৱে ।

১৯৩০ চনৰ ১৩ জুলাইৰ পৰা ৩০ জুলাইলৈ অনুষ্ঠিত এই প্ৰতিযোগিতা উৰুগুৱেৰ ম’ণ্টেভিডিঅ’ত অনুষ্ঠিত হৈছিল । প্ৰতিযোগিতাখনৰ ফাইনেলত আৰ্জেণ্টিনাৰ বিৰুদ্ধে অৱতীৰ্ণ হৈছিল আয়োজক উৰুগুৱে । মেচখনত ৪-২ গ’লৰ ব্যৱধানত আৰ্জেণ্টিনাক পৰাস্ত কৰি ফিফা বিশ্বকাপৰ ইতিহাসত উৰুগুৱেয়ে প্ৰথম চেম্পিয়ন হিচাপে ইতিহাস ৰচনা কৰে ।

কোনো যোগ্যতা অর্জনকাৰী মেচ নাছিল

উল্লেখ্য যে এই বিশ্বকাপত কোনো যোগ্যতা অর্জনকাৰী প্ৰতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হোৱা নাছিল । ইউৰোপীয় দলবোৰৰ ভ্ৰমণ সমস্যাৰ বাবেই যোগ্যতা অর্জনকাৰী মেচ অবিহনে অনুষ্ঠিত ইতিহাসৰ একমাত্ৰ বিশ্বকাপ হিচাপে এই বিশ্বকাপ পৰিগণিত হৈ আছে । যোগ্যতা অর্জনৰ বিপৰীতে ফিফাৰ সৈতে জড়িত দেশসমূহক ইয়াত অংশগ্ৰহণ কৰিবলৈ নিমন্ত্ৰণ জনোৱা হৈছিল ।

১৩টা দলৰ অংশগ্ৰহণ

প্ৰথম ফিফা বিশ্বকাপত মুঠ ১৩টা দলে অংশগ্ৰহণ কৰিছিল । ইয়াৰ ভিতৰত দক্ষিণ আমেৰিকাৰ পৰা সাতটা, ইউৰোপৰ পৰা চাৰিটা আৰু উত্তৰ আমেৰিকাৰ পৰা দুটা দলে অংশগ্ৰহণ কৰিছিল ।

ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসৰ প্ৰথমটো গ’ল

ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসৰ প্ৰথমটো গ’লদাতা হৈছে ফ্ৰান্সৰ লুচিয়ান ল’ৰেণ্ট (Lucien Laurent) । তেওঁ ১৯৩০ চনৰ ১৩ জুলাইত গ’লটো দিছিল । ফ্ৰান্স বনাম মেক্সিকোৰ মাজত ইষ্টাডিঅ’পকিট’ছত অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী মেচখনত তেওঁ গ’লটো দিছিল ।

ফিফা বিশ্বকাপৰ উৎপত্তি আৰু প্ৰাৰম্ভিক বছৰসমূহ

১৯৩০ চনত প্ৰথম বিশ্বকাপ উৰুগুৱেয়ে আয়োজন কৰি চেম্পিয়ন হোৱাৰ পিছত একেৰাহে দুবাৰ চেম্পিয়ন হৈছিল ইটালী । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধৰ বাবে ১২ বছৰৰ বিৰতিৰ পূৰ্বে ১৯৩৪ আৰু ১৯৩৮ চনত ইটালী চেম্পিয়ন হৈছিল ।

আনহাতে, ১২ বছৰৰ বিৰতিৰ পিছত ১৯৫০ চনত পুনৰ আৰম্ভ হোৱা টুৰ্ণামেণ্টখনত উৰুগুৱেক পৰাস্ত ব্ৰাজিল চেম্পিয়ন হৈছিল ।

বিশ্বকাপত সৰ্বাধিক সফল দেশ

সৰ্বাধিক সফল দল (ETV Bharat Assam graphics/AP)

ফিফা বিশ্বকাপৰ ইতিহাসত পাঁচবাৰকৈ খিতাপ জয় কৰি প্ৰতিযোগিতাখনৰ ইতিহাসৰ সফল দল হিচাপে এতিয়ালৈকে ব্ৰাজিল পৰিগণিত হৈ আছে । আনহাতে, টুৰ্ণামেণ্টখনৰ ইতিহাসত এতিয়ালৈকে মুঠ আঠখন দেশে এই সপোনৰ ট্ৰফীত নিজৰ নাম খোদিত কৰিছে ।

এতিয়ালৈকে কোনে কেইবাৰ বিশ্বকাপ জয় কৰিছে

  1. ৫ বাৰ : ব্ৰাজিল (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২)
  2. ৪ বাৰ : জাৰ্মানী, ইটালী
  3. ৩ বাৰ : আৰ্জেণ্টিনা
  4. ২ বাৰ : ফ্ৰান্স, উৰুগুৱে
  5. এবাৰ : ইংলেণ্ড, স্পেইন

বিশ্বকাপৰ ক্ৰমবিকাশ: প্ৰথম ৰঙা-হালধীয়া কাৰ্ড ব্যৱহাৰ

১৯৭০ চনৰ মেক্সিকো বিশ্বকাপত প্ৰতিযোগিতাখনৰ ইতিহাসত প্ৰথমবাৰৰ বাবে ৰঙা আৰু হালধীয়া কাৰ্ড (red and yellow card) ব্যৱহাৰ আৰম্ভ কৰা হৈছিল । আনহাতে, এই বছৰটোতেই প্ৰথমবাৰৰ বাবে বিশ্ব টেলিভিছনত বিশ্বকাপ সম্প্রচাৰ কৰা হৈছিল ।

একেদৰে ১৯৯৮ চনৰ ফ্ৰান্স বিশ্বকাপত দলৰ সংখ্যা ৩২ টালৈ বৃদ্ধি কৰা হৈছিল ।

আনহাতে, ২০২২ চনৰ কাটাৰ বিশ্বকাপ হৈছে মধ্যপ্ৰাচ্যত অনুষ্ঠিত প্ৰথম প্ৰতিযোগিতা আৰু উত্তৰ গোলাৰ্ধৰ শীতকালত অনুষ্ঠিত প্ৰথম বিশ্বকাপ ।

ইফালে লিঅ’নেল মেছীৰ নেতৃত্বত ফ্ৰান্সৰ বিৰুদ্ধে ৰোমাঞ্চকৰ ফাইনেলত আৰ্জেণ্টিনাই নিজৰ তৃতীয়টো খিতাপ জয় কৰে ।

আনহাতে, চলিত ২০২৬ সংস্কৰণ আমেৰিকা যুক্তৰাষ্ট্ৰ, কানাডা আৰু মেক্সিকোৱে যৌথভাৱে আয়োজিত কৰিছে আৰু সৰ্বাধিক দেশে যুটীয়াভাৱে বিশ্বকাপ আয়োজনৰ অভিলেখ গঢ়িছে ।

ইয়াৰ উপৰি ৪৮ দলৰ অংশগ্ৰহণ আৰু ১০৪ খন মেচৰ এই বিশ্বকাপ ইতিহাসৰ সৰ্ববৃহৎ, দীৰ্ঘতম আৰু বিশাল পৰিসৰৰ প্ৰতিযোগিতা হিচাপে পৰিগণিত হৈছে ।

বিশ্বকাপৰ সৰ্বকালৰ সৰ্বাধিক গ’লদাতা

সৰ্বাধিক গ’লদাতা (ETV Bharat Assam graphics/AP)

এতিয়ালৈকে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপৰ ২২টা সংস্কৰণত (২০২২লৈকে) জাৰ্মানীৰ মিৰ’শ্লাভ ক্লজে (Miroslav Klose) ফিফা বিশ্বকাপৰ ইতিহাসত সৰ্বকালৰ সৰ্বাধিক গ’লদাতা হিচাপে পৰিগণিত হৈ আছে । তেওঁ চাৰিখন টুৰ্ণামেণ্টত মুঠ ১৬টা গ’ল কৰিছে ।

বিশ্বকাপত সৰ্বাধিক গ’ল কৰা শীৰ্ষ ৫ খেলুৱৈ

ফিফা বিশ্বকাপৰ ইতিহাসত সৰ্বকালৰ শীৰ্ষ পাঁচজন গ’লদাতা হৈছে:

  • মিৰ’শ্লাভ ক্লজ (Miroslav Klose), জাৰ্মানী

মুঠ গ’ল : ১৬ (২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪)

  • ৰ’নাল্ডো (Ronaldo), ব্ৰাজিল

মুঠ গ’ল : ১৫, (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬)

  • গাৰ্ড মুলাৰ (Gerd Muller), পশ্চিম জাৰ্মানী

মুঠ গ’ল : ১৪ (১৯৭০, ১৯৭৪)

  • জাষ্ট ফণ্টেইন (Just Fontaine), ফ্ৰান্স

মুঠ গ’ল : ১৩ (১৯৫৮)

  • লিঅ’নেল মেছী (Lionel Messi), আৰ্জেণ্টিনা

মুঠ গ’ল : ১৩ (২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২)

বিশ্বকাপৰ কেইটামান গুৰুত্বপূৰ্ণ ৰেকৰ্ড

সোণালী গ্ল’ভছ লাভ কৰাসকল (ETV Bharat Assam graphics/AP)

এখন টুৰ্ণামেণ্টত সৰ্বাধিক গ’লদাতা : ফ্রান্সৰ জাষ্ট ফাঁটেইন (Just Fontaine)

১৯৫৮ চনত অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপত তেওঁ অকলেই ১৩টা গ’ল কৰিছিল আৰু তেওঁৰ এই কৃতিত্ব এতিয়াও কোনোৱে ভাঙিব পৰা নাই ।

এতিয়াও খেলি থকা সৰ্বাধিক গ’লদাতা : বিশ্বকাপৰ ইতিহাসত সৰ্বাধিক গ’লদাতাসকলৰ ভিতৰত আন্তঃৰাষ্ট্ৰীয় ফুটবলত এতিয়াও সক্ৰিয়ৰূপে খেলি আছে কেৱল লিঅ’নেল মেছিয়ে । মেছিয়ে ২০২২ বিশ্বকাপ পৰ্যন্ত ১৩টা গ’ল দিছে ।

ফিফা বিশ্বকাপ সোণালী বুট বঁটা (Golden Boot)

ফিফা বিশ্বকাপৰ এটা সংস্কৰণত সৰ্বাধিক গ’লদাতাক সোণালী বুট বঁটা প্ৰদান কৰা হয় । ১৯৮২ চনত আনুষ্ঠানিকভাৱে আৰম্ভ হোৱা এই বঁটাক প্ৰথমতে ‘গ’ল্ডেন শ্বু’ হিচাপে জনা গৈছিল । ২০১০ চনত ইয়াক ‘গ’ল্ডেন বুট’ নাম দিয়া হয় ।

শেহতীয়া (২০১০-২০২২ চনলৈ) সোণালী বুট লাভ কৰাসকল

  1. ২০২২ : কাইলিয়ান এমবাপে, ফ্ৰান্স (Kylian Mbappe), ৮ গ’ল
  2. ২০১৮ : হেৰী কেন, ইংলেণ্ড (Harry Kane), ৬ গ’ল
  3. ২০১৪ : জেমছ ৰড্ৰিগেজ, কলম্বিয়া (James Rodriguez), ৬ গ’ল
  4. ২০১০ : থমাছ মুলাৰ, জাৰ্মানী, (Thomas Müller), ৫ গ’ল

ফিফা বিশ্বকাপৰ সোণালী গ্ল’ভছ বঁটা (Golden Gloves)

পূৰ্বতে ইয়াছিন বঁটা নামে জনাজাত ফিফা বিশ্বকাপ সোণালী গ্ল’ভছ বঁটা ফিফা টেকনিকেল ষ্টাডী গ্ৰুপে নিৰ্ধাৰণ কৰে । বিশ্বকাপৰ আটাইতকৈ সফল প্ৰদৰ্শন কৰা গ’লৰক্ষকজনক এই বঁটা প্ৰদান কৰা হয় । ২০২২ চনত কাটাৰত অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপত এই সন্মান লাভ কৰি শেহতীয়া গ’লৰক্ষকগৰাকী হৈছে আৰ্জেণ্টিনাৰ এমিলিয়ানো মাৰ্টিনেজ (Emiliano Martinez) ।

উল্লেখ্য যে ১৯৯৪ চনৰ পূৰ্বে এই আনুষ্ঠানিক ব্যক্তিগত বঁটাৰ ব্যৱস্থা নাছিল । অৱশ্যে ফিফাই শীৰ্ষ প্ৰদৰ্শনকাৰী দলসমূহৰ পৰা তাৰকা দলসমূহ আনুষ্ঠানিকভাৱে নিৰ্বাচন কৰা হৈছিল ।

সোণালী গ্ল’ভছ বঁটা আৰম্ভ হোৱাৰ পৰা বিজয়ীসকল

  1. ১৯৯৪ : মিচেল প্ৰিউড’হোম (Michel Preudhomme), বেলজিয়াম
  2. ১৯৯৮ : ফেবিয়েন বাৰ্থেজ (Fabien Barthez), ফ্ৰান্স
  3. ২০০২ : অলিভাৰ কান (Oliver Kahn), জাৰ্মানী
  4. ২০০৬ : জিয়ানলুইজি বুফন (Gianluigi Buffon), ইটালী
  5. ২০১০ : আইকাৰ কেচিলাছ (Iker Casillas), স্পেইন
  6. ২০১৪ : মেনুৱেল ন্যুৱাৰ (Manuel Neuer), জাৰ্মানী
  7. ২০১৮ : থিবাউট কৰ্টইজ (Thibaut Courtois), বেলজিয়াম
  8. ২০২২ : এমিলিয়ানো মাৰ্টিনেজ (Emiliano Martinez), আৰ্জেণ্টিনা

সৰ্বাধিক বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ

মেক্সিৱো এতিয়ালৈকে সৰ্বাধিক বিশ্বকাপ আয়োজকৰ (যুটীয়াভাৱে) অভিলেখ গঢ়িছে ।

মেক্সিকো হৈছে ফিফা বিশ্বকাপৰ ইতিহাসত প্ৰথম দেশ, যিয়ে তিনিবাৰকৈ (১৯৭০, ১৯৮৬ আৰু ২০২৬) বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন কৰিছে ।

আনহাতে, ২ বাৰ বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ হৈছে ব্ৰাজিল (১৯৫০, ২০১৪), ফ্ৰান্স (১৯৩৮, ১৯৯৮), জাৰ্মানী (১৯৭৪, ২০০৬), ইটালী (১৯৩৪, ১৯৯০) আৰু আমেৰিকা (১৯৯৪, ২০২৬ সহ-আয়োজক হিচাপে)

এতিয়ালৈকে কিমানখন দেশে বিশ্বকাপত অংশগ্ৰহণ কৰিছে

বিশ্বৰ ৮০টা ৰাষ্ট্ৰীয় দলে ২০২২ চনলৈকে ফিফা বিশ্বকাপৰ চূড়ান্ত পৰ্যায়ত প্ৰতিদ্বন্দ্বিতা আগবঢ়াইছে । ইয়াৰে ভিতৰত ব্ৰাজিলে হৈছে একমাত্ৰ দেশ, যিয়ে ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসৰ ২২ খন টুৰ্নামেণ্টৰ আটাইকেইটাতে অংশগ্ৰহণ কৰিছে । আনহাতে, জাৰ্মানীয়ে ২০ খনত, ইটালী আৰু আৰ্জেণ্টিনাই ১৮ খনত আৰু মেক্সিকোৱে সৰ্বাধিক ১৭ খন বিশ্বকাপ টুৰ্ণামেণ্টত অংশগ্ৰহণ কৰিছে ।

ইফালে ফিফা বিশ্বকাপৰ সৰ্বাধিক সফল ৰাষ্ট্ৰ ব্ৰাজিলে পাঁচবাৰকৈ চেম্পিয়ন খিতাপ লাভ কৰাৰ বিপৰীতে পাঁচটা দল ফাইনেলত উপনীত হৈছে যদিও বিশ্বকাপ জয় কৰিবলৈ সক্ষম হোৱা নাই । ইয়াৰ উপৰি আন ১২টা দল ছেমিফাইনেলত উপনীত হৈছে ।

ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসৰ জ্যেষ্ঠ-সৰ্বকনিষ্ঠ খেলুৱৈ

  • সৰ্বকালৰ আটাইতকৈ জ্যেষ্ঠ খেলুৱৈ : এছাম এল-হাদাৰী (ইজিপ্ত) : ৪৫ বছৰ, ১৬১ দিন (চৌদি আৰবৰ বিৰুদ্ধে, ২০১৮)
  • জ্যেষ্ঠ গ’লদাতা : ৰজাৰ মিলা (কেমেৰুণ) : ৪২ বছৰ, ৩৯ দিন (ৰাছিয়াৰ বিৰুদ্ধে, ১৯৯৪)
  • সৰ্বকনিষ্ঠ খেলুৱৈ : নৰ্মান হোৱাইটছাইড (উত্তৰ আয়াৰলেণ্ড) : ১৭ বছৰ, ৪১ দিন (যুগোশ্লাভিয়াৰ বিৰুদ্ধে, ১৯৮২)
  • সৰ্বকনিষ্ঠ গ’লদাতা : পেলে (ব্ৰাজিল) : ১৭ বছৰ, ২৩৯ দিন (ৱেলছৰ বিৰুদ্ধে, ১৯৫৮)
  • ফাইনেল খেলা সৰ্বকনিষ্ঠ খেলুৱৈ : পেলে (ব্ৰাজিল) : ১৭ বছৰ, ২৪৯ দিন (ছুইডেনৰ বিৰুদ্ধে, ১৯৫৮)

বিশ্বকাপৰ ৰেফাৰীৰ অভিলেখ

  • এতিয়ালৈকে বিশ্বকাপ ফুটবলত সৰ্বাধিক ৰেফাৰী হিচাপে খেল পৰিচালনা কৰিছে ইৰাণৰ আলিৰেজা ফাঘানিয়ে । তেওঁ ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ আৰু ২০২৬ অৰ্থাৎ এইবাৰকে ধৰি চাৰিবাৰকৈ বিশ্বকাপ পৰিচালনাৰ সুযোগ লাভ কৰিছে ।
  • আনহাতে, আটাইতকৈ যুৱ ৰেফাৰী হিচাপে বিশ্বকাপত অভিলেখ আছে স্পেইনৰ জুৱান গাৰ্দেজাবালৰ নামত । ১৯৫৮ চনত মাত্ৰ ২৪ বছৰ ১৯৩ দিনত ফিফা বিশ্বকাপ পৰিচালনা কৰি জুৱান গাৰ্দেজাবালে এই অভিলেখ ৰচে ।
  • ইফালে আটাইতকৈ বয়সীয়া ৰেফাৰীৰ অভিলেখ আছে ইংলেণ্ডৰ জৰ্জ ৰিডাৰৰ নামত । ৰিডাৰে ১৯৫০ চনত ৫৩ বছৰ ২৩৬ দিনত বিশ্বকাপত ৰেফাৰী হিচাপে অংশগ্ৰহণ কৰিছিল ।

ফিফা বিশ্বকাপ আৰু বিতৰ্ক

বিশ্বৰ আটাইতকৈ গ্লেমাৰাছ ক্ৰীড়া প্ৰতিযোগিতা হ’লেও বিতৰ্কৰ পৰা মুক্ত নহয় ফিফা বিশ্বকাপ । খেলপথাৰতেই হওক বা বাহিৰত, কেইবাটাও বিতৰ্কই ফিফা বিশ্বকাপক কলুষিত কৰিছে ।

খেলপথাৰৰ বাহিৰ বিতৰ্ক

২০১৫ ফিফা কেলেংকাৰী গোচৰ : ইউ এছ ডিপাৰ্টমেণ্ট অব জাষ্টিচ আৰু ছুইচ কৰ্তৃপক্ষই ৰেইবাজনো ফিফা কৰ্মচাৰীৰ বিৰুদ্ধে কেইবাটাও কেলেংকাৰীৰ অভিযোগ কৰে ।

২০২২ কাটাৰ আয়োজক নিৰ্বাচন : কাটাৰক বিশ্বকাপ আয়োজনৰ স্বত্ব প্ৰদানৰ সিদ্ধান্ত গ্ৰহণৰ বাবে ফিফাৰ কাৰ্যনিৰ্বাহক সমিতিক উৎকোচ প্ৰদান, প্ৰব্ৰজিত শ্ৰমিকৰ মৃত্যু আৰু কৰ্ম পৰিস্থিতিৰ ওপৰত তীব্ৰ বিতৰ্ক আৰু তৃতীয় লিংগৰ ওপৰত কঠোৰ নীতিৰ বাবে বিতৰ্কৰ সৃষ্টি হৈছিল ।

খেলপথাৰৰ বিতৰ্ক

১৯৮৬ বিশ্বকাপৰ ‘হেণ্ড অব গড’ : আৰ্জেণ্টিনাৰ তাৰকা ডিয়েগো মাৰাডোনাই হাতেৰে দিয়া গ’লটোৰ বিতৰ্কই আজিও লগ এৰা নাই ফিফা বিশ্বকাপক । ইংলেণ্ডৰ বিৰুদ্ধে কোৱাৰ্টাৰ–ফাইনেলত ‘ভগৱানৰ হাত’ বুলি অভিহিত কৰি দিয়া গ’লটোক ৰেফাৰীয়ে আওকাণ কৰাৰ ফলতে আৰ্জেণ্টিনাই সেইবাৰ চেম্পিয়ন হোৱাত সহায় কৰিছিল ।

২০০৬ বিশ্বকাপত জিদানৰ মূৰেৰে আক্ৰমণ : বিশ্বকাপৰ ফাইনেল মেচত ফৰাচী অধিনায়ক জিনেদাইন জিদানে ইটালীৰ মাৰ্কো মাটেৰাজ্জিক খেলপথাৰতে মূৰেৰে বুকুত আঘাত কৰি বিতৰ্কৰ সূচনা কৰিছিল । জিদানক বেয়াকৈ গালি পৰাৰ বাবেই এই কাম কৰা বুলি পিছত স্বীকাৰোক্তি দিলেও মেচখনত তেওঁ ৰঙা কাৰ্ড খাবলগা হয় । ইয়াৰ লগে লগে ফ্ৰান্সৰ জয়ৰ সুযোগ প্ৰভাৱিত হয় ।

১৯৯৪ বিশ্বকাপত আন্দ্ৰেছ এস্ক’বাৰৰ হত্যাকাণ্ড : আমেৰিকাৰ বিৰুদ্ধে খেলা মেচখনত কলম্বিয়ান ডিফেণ্ডাৰ আন্দ্ৰেছ এস্ক’বাৰৰ দ্বাৰা এটা আত্মঘাতী গ’ল হয় । ইয়াৰ পিছত মেদেলিনলৈ উভতি অহাৰ অলপ সময়ৰ পাছতে তেওঁক গুলীয়াই হত্যা কৰা হয় ।

বিশ্বকাপ ফুটবলত আধুনিক প্ৰযুক্তি

২০২৬ চনৰ ফিফা বিশ্বকাপ উন্নত প্ৰযুক্তিৰ ক্ষেত্ৰত ইতিহাসৰ আটাইতকৈ আধুনিক বিশ্বকাপ হিচাপে পৰিগণিত হৈছে । এইবাৰ লেন’ভ’ (Lenovo) আৰু এডিডাছৰ (Adidas) বিশ্বৰ বৃহৎ প্ৰযুক্তি কোম্পানীৰ সৈতে ফিফাই অংশীদাৰিত্ব কৰিছে । এইবাৰৰ প্ৰতিযোগিতাত প্ৰযুক্তিগতভাৱে অত্যাধুনিক দিশবোৰৰ ভিতৰত আছে গতি ছেন্সৰৰ সৈতে স্মাৰ্ট বল, কৃত্ৰিম বুদ্ধিমত্তাচালিত 3D ডিজিটেল প্লেয়াৰ টুইন আৰু জেনেৰেটিভ AI গেম ।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপি-জামায়াত জোটে ভাঙনের গুঞ্জন

একমি ল্যাবরেটরিজের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতা হামিদুর রহমান সিনহা

মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে যেসব সমস্যা হতে পারে

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

১৮ জনের মধ্যে ১২ রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগপত্রঃ একটি জটিল এবং ধূর্ত মনস্তাত্ত্বিক দলিল!?

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন কীভাবে

ফার্মেসী ব্যবসার জন্যে লাইসেন্সসহ যা যা লাগবে

নতুন ফার্মেসি ব্যবসার প্রথম ধাপ: কীভাবে করবেন ড্রাগ লাইসেন্স?

১০

পঞ্চদশ সংশোধনী: কেন এসেছিল, কী বদলেছিল, কেন আবার আলোচনায়?

১১

ইতিহাস ও নিসর্গের অপূর্ব মেলবন্ধন ‘বলধা গার্ডেন’

১২

যে পিৎজা বাঁচাল একটি প্রাণ: ডমিনোজের কর্মীদের ছোট্ট মানবিকতার বড় গল্প

১৩

বন্যা ও পানিতে ডুবে মৃতদের দাফনের নিয়ম

১৪

সোনালী অতীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র: সিরাজুল ইসলাম ও রানী সরকার

১৫

হালান্ডকে নিয়ে অজানা কিছু কথা

১৬

হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে শেষ আটে নরওয়ে

১৭

মুক্তচিন্তার পথিক: মুস্তাফা মনোয়ার

১৮

পাসপোর্ট এল কেমন করে

১৯

পাসপোর্টের কোন রং দিয়ে কী বোঝায়

২০