জামায়াতের এমপি ডা.শফিকুল ইসলাম মাসুদের পর এইবার শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন দেখাতে নিয়ে এসেছে হাসনাত আব্দুল্লাহ।
কারণ এটার মাধ্যমে অনেক ইয়াং জেনারেশনের শিক্ষার্থীরা অনুপ্রেরণা পায়। তাদের মাঝে নতুন একটা আকাঙ্খা তৈরি হয়।
হাসনাত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য কইরা বলছে…
‘এখানে তোমাদের নিয়ে এসেছি চেনানোর জন্য, এবং দেখানোর জন্য। যাতে তোমরা স্বপ্ন দেখতে পারো। স্বপ্নটা যেন বিস্তৃত করতে পারো যে একটা সময় এই জায়গাগুলোতে তোমাদের আসতে হবে।
তোমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তোমাদের এই জাতির জন্য পলিসি মেক করতে হবে। এটার দায়িত্বটা তোমাদেরকেই নিতে হবে।
এখানে যে তোমাদের মত মানুষই আসে, এইটা বুঝানোর জন্য আজকে এখানে তোমাদের নিয়ে আসা।
এখানে যে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটা অংশের মানুষ আসবে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের মানুষ আসবে বা নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক সামর্থ্যের মানুষ আসবে, সেটা নয়।
যার দক্ষতা থাকবে, যার সামর্থ্য থাকবে, যার মেধা থাকবে, যারা মানুষের কাছাকাছি যেতে পারবে সবারই এখানে আসার ক্যাপাসিটি আছে।’
এরপর এক ছাত্রীর প্রশ্নের জবাবে হাসনাত বলে,
‘আজকের এই অধিবেশন তোমরা দেখছো দর্শক হিসেবে। আর একটা সময় যদি তোমরা তোমাদের দক্ষতা দিয়ে, যোগ্যতা দিয়ে আসতে পারো, তাহলে আজকে উপরের গ্যালারিতে ছিলে, এরপরে তোমরা ঐ নিচের গ্যালারিতে সংসদ সদস্যরা যেখানে বসে, সেখানে আসতে পারবা।’
মানে এমপি হিসেবে আরকি, এটাই বুঝিয়েছে হাসনাত।
একজন এমপি এভাবে জনসাধারণের জন্য কাজ করলে সেটার উপকার পুরো জাতী পাবে।
বাউফলের এমপি ডা শফিকুল ইসলাম মাসুদের মতন, দেবিদ্বারের হাসনাতের মতন সকল সংসদ সদস্যের উচিৎ তার নির্বাচনি এলাকার শিক্ষার্থীদের এভাবে উৎসাহিত করা। এরাই আগামীর ভবিষ্যত।
লেখা – Md Rubel Hasan
মন্তব্য করুন