মাঈন উদ্দিন সরকার,কেন্দুয়া প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নুর জামাল নামে এক সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) সকালে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের দুল্লী হাওরে মরা বিল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কেন্দুয়া থানা পুলিশ,ক্রাইম সিন ইউনিটের কর্মকর্তা বৃন্দ,পিবিআই সদস্যদের উপস্থিতিতে আদমপুর টু দুল্লী রোডের ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তার পাশের মরা বিলের পানির নিচ থেক এ লাশটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে গভীর রাতে বিলে মাছ ধরতে আসা কয়েকজন লোক রাস্তায় একটি রক্ত মাখা সিএনজি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের জানান। পরে সেখান থেকে কেন্দুয়া থানা পুলিশকে অবহিত করলে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। অনুসন্ধান করে তারা বুঝতে পারে রাস্তার কিনার ঘেঁষে মরা বিলে পানির নিচে লাশ আছে। তারা স্থানটিও চিহ্নিত করে। এছাড়াও তারা দেখতে পায় ঘটনাস্থল থেকে আদমপুর হাসপাতাল পর্যন্ত রক্তের দাগ এমন কি রক্তার্ত মানুষের পায়ের ছাপও রয়েছে।
পরে জানা গেছে গভীর রাতে দুজন লোক আহত অবস্থায় কেন্দুয়া হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে ওই আহত ব্যক্তিরাই নুর জামালের হত্যাকারী। পুলিশ তাদের পরিচয় জানার জন্যরজোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
নুর জামালকে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে তাকে উপুর্যুপরি আঘাত করে মরা বিলে ফেলে রাখা হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের সহযোগিতায় নিহত নুর জামালের লাশ সনাক্ত করেছেন তার চাচা মুকুল মিয়া।
জনা গেছে-নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া পাঁচার বড়বাড়ির মৃত মোগল চাঁনের ছেলে সিএনজি ড্রাইভার নুর জামাল
নিহতের চাচা মুকুল মিয়া জানান, মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে বাড়িতে থেকে বের হয় নুর জামাল আর আজ লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছে। নিহত নুর জামালে স্ত্রীসহ দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন,কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান,খবর পেয়ে রাত দুইটা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থলেই তিনি উপস্থিত থেকে লাশ উদ্ধার কার্যক্রম করেন। এছাড়াও তিনি বলেন,স্থানীয় মৎস্য শিকারীরা রাস্তার ওপর রক্তমাখা সিএনজি গাড়িটি পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং রক্তের দাগ দেখে মৃতদেহ সনাক্ত করি। সিআইডি ক্রাইম জোনের টিম ও পিবিআই টিম এসে
আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।।
মন্তব্য করুন