“মিছিল, মানববন্ধন নাকি পরিকল্পিত চরিত্রহনন? “
“বিসিবি নির্বাচন ঘিরে ফাহিম সিনহাকে টার্গেট করে অপপ্রচারের অভিযোগ”
বিসিবি নির্বাচনের ঠিক আগে দেশের সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, দীর্ঘ পারিবারিক ক্রীড়া ঐতিহ্যের ধারক এবং বহু সাবেক খেলোয়াড়ের কর্মসংস্থান ও ক্রীড়া উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত ফাহিম সিনহার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মানববন্ধন, মিছিল ও অভিযোগের ঘটনাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে নিজের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রিকেট সমালোচক ও অনুসারী শোবিজ স্পোর্টসকে পাঠানো এক ক্ষোভভরা বার্তায় প্রশ্ন তুলেছেন—এটি কি সত্যিকারের প্রতিবাদ, নাকি নির্বাচনের আগে সাজানো বয়ানের মাধ্যমে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা?
তিনি বলেন—
“দৈনিক ৫০০ টাকা করে টোটাল ১২ জন = মোটা ৬০০০ টাকা। ব্যানার ফেস্টুন সব নিলে ধরলাম আরো ৬০০০ টাকা। এদের Coordinator নিয়েছে ধরলাম ৫০০০ টাকা, স্ক্রিপ্ট ও গল্পকার এদের কে শিখানো বাবদ নিয়েছে ধরলাম আরো ৫০০০ টাকা। Star Play এর রিপোর্টার কে চা নাস্তা খরচ ধরলাম আরো ৫০০০ টাকা।
সর্বমোট ২৭০০০ খরচ করেছে কিন্তু যারা করাইসে তাঁরা তো কোটি কোটি টাকা মারসে বোর্ড থেকে!
যদি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফারুক, প্রাক্তন আসিফ মাহমুদ আর বুলবুল তো শুনসি বসুন্ধরা থেকে monthly ১০ লাখ বেতন পেতো??
এই ছেলে গুলোর জন্য খুব খারাপ লাগতেসে!!!
এতো অল্প টাকায় বিক্রি হলো মিথ্যা অভিযোগ প্রতিষ্ঠায় ‘ফাহিম সিনহার’ বিরুদ্ধে!!!!
ওরা চিনে ফাহিম সিনহা কে? কী ধরণের মানুষ?
এঁরা স্পোর্টস এর জন্য কতো টাকা খরচ করে ও করেছে এই পর্যন্ত — বিগত সর্বনিম্ন ২০ বছর ধরে?
কতো কতো ex প্লেয়ারদের কর্মসংস্থান করেছে!!!
এই দুধের বাচ্চারা জানে?
এঁরা স্পোর্টস থেকে টাকা নেয় না, টাকা দেয়!
এই পর্যন্ত কেউ যদি হিসাব করে কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকা খরচ করেছে এই দেশের স্পোর্টস এর জন্য!
যারা এদের পাঠাইসে তাঁরা এই ক্রিকেট এ এক পয়সাও খরচ করে নাই! বরঞ্চ টাকা খাওয়ার লোভে পাগল হয়ে আছে!”
ক্রিকেট অঙ্গনের অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, নির্বাচনের আগে হঠাৎ করে মানববন্ধন, স্লোগান, ভিডিও বয়ান ও মিডিয়া প্রচারণা নতুন কিছু নয়। তবে প্রশ্ন উঠছে—যদি অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে তার প্রমাণ কোথায়? আর যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তাহলে কারা এবং কেন একজন প্রতিষ্ঠিত ক্রীড়া সংগঠককে জনসম্মুখে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে?
ফাহিম সিনহার সমর্থকদের দাবি, তিনি ও তাঁর পরিবার কয়েক দশক ধরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অর্থ, সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন; বিপরীতে যারা আজ অভিযোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের অনেকের অবদান নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে।
বিসিবি নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে -:লড়াইটা শুধু ভোটের নয়, বয়ান বনাম বাস্তবতারও।
প্রশ্ন এখন একটাই—
“এটি কি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, নাকি নির্বাচনের আগে পরিকল্পিত চরিত্রহননের আরেকটি অধ্যায়?”
দ্রষ্টব্য: উপরের উদ্ধৃত বক্তব্যসমূহ সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট সমালোচক ও অনুসারীর ব্যক্তিগত মতামত ও অভিযোগ। শোবিজ স্পোর্টস স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করেনি এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষপাতী।
মন্তব্য করুন